শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সার সংকটের মাঝেই সীমান্তে পাচারের দৌরাত্ম্য

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি জাতীয় পর্যায়ে ইউরিয়া সারসহ অন্যান্য রাসায়নিক সারের পর্যাপ্ত উদ্বৃত্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও অসাধু চক্রের কৃত্রিম সংকট তৈরি এবং সীমান্ত দিয়ে ভারতে সার পাচারের অপচেষ্টা থামছে না। লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে পৃথক বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১০০ কেজি ইউরিয়া সার এবং একটি ভারতীয় গরু জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (তিস্তা ব্যাটালিয়ন ৬১ বিজিবি)।  গত […]

সার সংকটের মাঝেই সীমান্তে পাচারের দৌরাত্ম্য

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:৫৬

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি

জাতীয় পর্যায়ে ইউরিয়া সারসহ অন্যান্য রাসায়নিক সারের পর্যাপ্ত উদ্বৃত্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও অসাধু চক্রের কৃত্রিম সংকট তৈরি এবং সীমান্ত দিয়ে ভারতে সার পাচারের অপচেষ্টা থামছে না। লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে পৃথক বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১০০ কেজি ইউরিয়া সার এবং একটি ভারতীয় গরু জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (তিস্তা ব্যাটালিয়ন ৬১ বিজিবি)। 

গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) শফিরহাট বিওপির টহলদল জিরো লাইন থেকে আনুমানিক ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ‘দক্ষিণ হোসনাবাদ’ এলাকায় অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১০০ কেজি ইউরিয়া সার উদ্ধার করে।

অপর অভিযানে ধরলা বিওপির টহলদল জিরো লাইন থেকে ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ‘উত্তর বর্ডার’ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় একটি ভারতীয় গরু আটক করে। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, জব্দকৃত সার ও গরুর সর্বমোট সিজার মূল্য ৬৭ হাজার ৫০০ টাকা।

সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্তে সার আটকের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে পাচারকারী চক্রের এই ক্রমবর্ধমান দৌরাত্ম্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে। গত ২৮ আগস্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে বিজিবি ২৫ ব্যাটালিয়ন ভারতে পাচারের চেষ্টাকালে ট্রাকে ভর্তি ২৪ টন (৪৮০ বস্তা) ইউরিয়া সার জব্দ করে।

এরপর ১ সেপ্টেম্বর দেওয়ানগঞ্জের বর্ডার এলাকায় বিজিবি ৩৫ ব্যাটালিয়ন ভারতে পাচারকালে ১৩ বস্তা সার আটক করে। এছাড়া ৫ সেপ্টেম্বর ভোলা কোস্টগার্ড নদীপথে পাচারের সময় ৮,০০০ কেজি (১৬০ বস্তা) ইউরিয়া সারসহ একটি স্টিল বডি ট্রলার জব্দ করে। সম্প্রতি ১২ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম উপকূলে কোস্টগার্ডের অভিযানে ৭০০ বস্তা এবং দিনাজপুর খানসামায় যৌথ অভিযানে ১,৫৭৭ বস্তা অবৈধ সার জব্দ করা হয়।

বাংলাদেশ থেকে মূলত ভারতে ইউরিয়া সার পাচার হওয়ার পেছনে প্রধান কারণ হচ্ছে দুই দেশের মধ্যকার অস্বাভাবিক মূল্যের পার্থক্য ও সীমান্তপারের চড়া চাহিদা। বাংলাদেশ সরকার কৃষি খাতকে চাঙা রাখতে ইউরিয়া সারে বিপুল অঙ্কের ভর্তুকি দেয়, যার ফলে দেশে প্রতি কেজি ইউরিয়া সারের নির্ধারিত সরকারি মূল্য মাত্র ২৭ টাকা (৫০ কেজির বস্তা ১,৩৫০ টাকা)।

বিপরীতে ভারতের সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে ইউরিয়া সারের খোলাবাজারের দাম এবং চাহিদা তুলনামূলক অনেক বেশি। 

সরকারি বিপুল ভর্তুকির কারণে বাংলাদেশে সারের দাম কম থাকায় সীমান্ত এলাকার একশ্রেণীর অসাধু ডিলার, ব্যবসায়ী ও চোরাচালান সিন্ডিকেট বেশি মুনাফা লাভের আশায় বাংলাদেশ থেকে ভারতে সার পাচারে সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

তারা স্থানীয়ভাবে নির্ধারিত দামে কিংবা সামান্য বেশি দামে সার সংগ্রহ করে চোরাইপথে ভারতে পার করে দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এর ফলে একদিকে যেমন সরকারের বিপুল পরিমাণ ভর্তুকির টাকা ভেস্তে গিয়ে অন্য দেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে দেশের ভেতরে প্রান্তিক কৃষকদের কৃত্রিম সংকটের মুখে পড়তে হচ্ছে।

অথচ কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশে সারের কোনো প্রকৃত ঘাটতি নেই, বরং চাহিদার চেয়ে বেশি উদ্বৃত্ত মজুত রয়েছে। আসন্ন রবি ও বরো মৌসুমে বাংলাদেশে ইউরিয়া সারের চাহিদা ১৪ লাখ ২৯ হাজার টন, বিপরীতে মজুত রয়েছে ১৭ লাখ ৪৬ হাজার টন।

টিএসপি সারের চাহিদা ৪ লাখ ৬৭ হাজার টনের বিপরীতে মজুত ৯ লাখ ৪৫ হাজার টন, ডিএপি সারের ১০ লাখ ২৩ হাজার টন চাহিদার বিপরীতে ১৩ লাখ ৮৪ হাজার টন এবং এমওপি সারের ৬ লাখ টন চাহিদার বিপরীতে ১১ লাখ টন মজুত রয়েছে। অর্থাৎ সব মিলিয়ে ৩৫ লাখ ২০ হাজার টন চাহিদার বিপরীতে দেশে বর্তমানে মোট ৫১ লাখ ৮৩ হাজার টন সার মজুত রয়েছে, যা চাহিদার তুলনায় ১৬ লাখ ৬৩ হাজার টন বেশি।

তা সত্ত্বেও সীমান্ত এলাকায় সারের এই অবৈধ পাচারের কারণে স্থানীয় বাজারগুলোতে সারের কৃত্রিম অভাব দেখা দিচ্ছে এবং কৃষকদের অতিরিক্ত দামে সার কিনতে বাধ্য হতে হচ্ছে।

সীমান্তে সারসহ যেকোনো ধরনের অবৈধ চোরাচালান, মাদকদ্রব্যের অনুপ্রবেশ ও সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। তিস্তা ব্যাটালিয়ন (৬১ বিজিবি) জানিয়েছে, সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষা ও জাতীয় সম্পদ পাচার রোধে তাদের নিয়মিত টহল ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সারাদেশ

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে। হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া […]

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে।

হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য থেকে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান ও বাড়ি ফেরার আগের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে এসব তথ্য জানা গেছে।

হোটেলের রেজিস্টার অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে কক্সবাজারের কলাতলীতে কুটুমবাড়ি-সংলগ্ন সড়কের শেষ মাথায় অবস্থিত একটি তিনতলা আবাসিক হোটেলের ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠে তাজমিন ও রিয়াজ। সেখানে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’ এবং বয়স ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়। রিয়াজের ঠিকানা হিসেবে বান্দরবানের লামা এলাকার তথ্য দেওয়া হয়। তার বাবার নাম লেখা হয় মনির আহমদ।

হোটেলের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এক রাত অবস্থানের পর ৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে তারা হোটেল ছেড়ে চলে যান। রেজিস্টারে রিয়াজের দুটি মুঠোফোন নম্বর ও একটি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও পাওয়া গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর হোটেল ছাড়ার পর রিয়াজ তাজমিনকে কুমিল্লাগামী একটি বাসে তুলে দেন। এরপর বাড়ি ফেরার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে তাজমিন। অভিযোগ অনুযায়ী, অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন।

পরদিন ৮ অক্টোবর সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ভোরালজগপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা হয়।

রিয়াজের এক সহকর্মীর দাবি, ঘটনার প্রায় ১৭ দিন আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে তাজমিন কক্সবাজারে গেলে তারা একসঙ্গে সময় কাটান।

তবে রিয়াজের ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সূত্রের দাবি, প্রায় পাঁচ মাস আগে তাদের পরিচয় হয়েছিল এবং এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

তাজমিনের বাড়ি ছাড়ার বিষয়ে জানা যায়, গত ৪ অক্টোবর এক বান্ধবীকে হাতঘড়ি দেওয়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর সে বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বান্ধবীর কাছে যায়।

সেখান থেকে মুঠোফোনে রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে কক্সবাজারে আসতে বলা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। যাতায়াতের খরচ হিসেবে রিয়াজ বিকাশের মাধ্যমে ৫০০ টাকা পাঠিয়েছিলেন বলেও জানা গেছে।

সহকর্মী জানান, কক্সবাজার থেকে ফেরার জন্য ‘আইকনিক এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি বাসের টিকিট কিনে তাজমিনকে তুলে দেন রিয়াজ। টিকিটের মূল্য ছিল ৯০০ টাকা।

ওই সহকর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিল্লায় পৌঁছে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠার পরও তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের মুঠোফোনে যোগাযোগ হচ্ছিল। এমনকি অটোরিকশাচালক সম্পর্কে কিছু তথ্যও রিয়াজকে জানিয়েছিল তাজমিন।

তবে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তাজমিনের মুঠোফোনের লাইভ লোকেশন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন ওই সহকর্মী।

পরদিন টেলিভিশনের সংবাদে তাজমিনের হত্যার খবর জানতে পেরে রিয়াজ হতবাক হয়ে পড়েন বলেও জানান তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রিয়াজের এক সহকর্মী আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশের পর রিয়াজ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এ সময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সহযোগিতা চান। তাজমিনের হত্যার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

ওই সহকর্মীর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াজ প্রায় তিন বছর ধরে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করছেন। ঘটনার পর তিনি কর্মস্থল থেকে ছুটিতে রয়েছেন।

এদিকে রিয়াজের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য সরাসরি জানা সম্ভব হয়নি।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তাজমিন হত্যার ঘটনায় মুঠোফোনের কললিস্টসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার আসামি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও পরিষ্কার হবে।

তবে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান, হোটেলের রেজিস্টারে ভিন্ন নাম ও বয়স ব্যবহার এবং রিয়াজের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়গুলো তদন্তে কীভাবে বিবেচিত হচ্ছে, তা এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

সারাদেশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি  নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম […]

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি 

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ ও সেনবাগ থানা পুলিশকে ঘটনাটি জানান।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, চোরেরা অফিস কক্ষে প্রবেশের পর দুটি স্টিলের আলমিরা ও একটি ফাইল কেবিনেটের তালা ভেঙে ফেলে। এরপর সেখান থেকে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সেনবাগ থানার ওসি (তদন্ত) মো. হযরত আলী মিলন গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি এবং এ ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।

সারাদেশ

মধুপুরে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকের কলা ও আনারস বাগানের বেহাল অবস্থা

মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান। কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক […]

মধুপুরে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকের কলা ও আনারস বাগানের বেহাল অবস্থা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২১

মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান।

কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক পুঁজি তিনি আনারস ও কলাবাগানে ব্যয় করেছেন। আকস্মিক এই ঝড়ে তার সব আশা-আকাঙ্ক্ষা যেন মুহূর্তেই শেষ হয়ে গেছে।

কৃষকদের কাছে কলাগাছের মাজা ভেঙে যাওয়া শুধু একটি গাছের ক্ষতি নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে তাদের পরিবারের স্বপ্ন ও জীবিকার হিসাব। আকস্মিক এই ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের এখন ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষা।