কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা ও সাবেক মন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানকের দেশে থাকা সম্পত্তি থেকে আসা বিপুল অর্থ হুন্ডির মাধ্যমে ভারতে পাচার হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সরকার পতনের দুই বছরের বেশি সময় পরও তার নামে-বেনামে থাকা বিভিন্ন সম্পত্তি ও প্রতিষ্ঠান থেকে নিয়মিত আয় হচ্ছে বলে জানা গেছে।
তথ্য অনুযায়ী, রাজধানীর উত্তরা ও মোহাম্মদপুরে বহুতল ভবনের পাশাপাশি বরিশালের রুপাতলী, মতাসার, সার্কুলার রোড ও করিম কুটির এলাকায় নানকের একাধিক সম্পত্তি রয়েছে। এসব স্থাপনা থেকে নিয়মিত ভাড়া আদায় হচ্ছে। এছাড়া বরিশালের নথুল্লাবাদে নানক দম্পতির মালিকানাধীন একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও আয় হচ্ছে।
২০০৮ সালের নির্বাচনী হলফনামায় নানক নিজের ও স্ত্রীর নামে ৬৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকার সম্পদ দেখিয়েছিলেন। ২০২৪ সালের হলফনামায় তা বেড়ে দাঁড়ায় প্রায় ১৯ কোটি টাকায়। তবে অভিযোগ রয়েছে, হলফনামায় আরও কিছু সম্পদের তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।
অভিযোগ অনুযায়ী, বরিশালের সম্পত্তি থেকে আসা অর্থ দুই ব্যবসায়ীর মাধ্যমে হুন্ডিতে পশ্চিমবঙ্গে পাঠানো হচ্ছে। ঢাকার সম্পত্তির আয় যশোর ও বেনাপোলের একটি মানি এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে রুপিতে রূপান্তর করে নানকের কাছে পৌঁছানো হয়।
এসব অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে নানকের পরিচিত নম্বরগুলোতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সেগুলো বন্ধ পাওয়া যায়। হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো বার্তারও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।