বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

গলাচিপায় ব্রিজের এপ্রোচ সড়কে নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গজালিয়া বাজারে ৫ কোটি ৪৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ব্রিজের এপ্রোচ সড়কের কাজে নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। নিম্নমানের ইট দিয়ে নির্মাণকাজ চলায় স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। এদিকে কাজ বন্ধে গণঅধিকার পরিষদের নেতা পরিচয়ে এক ব্যক্তি বাধা দিলেও একই সংগঠনের নেতা পরিচয়ে অন্য এক ব্যক্তি নিম্নমানের ইট দিয়ে কাজ চালিয়ে যাওয়ার […]

গলাচিপায় ব্রিজের এপ্রোচ সড়কে নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৩ আগস্ট ২০২৬, ২০:১৯

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার গজালিয়া বাজারে ৫ কোটি ৪৮ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ব্রিজের এপ্রোচ সড়কের কাজে নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। নিম্নমানের ইট দিয়ে নির্মাণকাজ চলায় স্থানীয়দের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

এদিকে কাজ বন্ধে গণঅধিকার পরিষদের নেতা পরিচয়ে এক ব্যক্তি বাধা দিলেও একই সংগঠনের নেতা পরিচয়ে অন্য এক ব্যক্তি নিম্নমানের ইট দিয়ে কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা জানান, কয়েকদিন আগে গজালিয়া বাজারে ব্রিজের এপ্রোচ সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু হয়। কাজ শুরুর পর থেকেই নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। এ কারণে কাজ বন্ধের জন্য

গণঅধিকার পরিষদের গজালিয়া ইউনিয়ন কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান আল মামুন বাধা দেন। অন্যদিকে কবির হোসেন নামে আরেক ব্যক্তি গণঅধিকার পরিষদের নেতা পরিচয়ে কাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, কবির হোসেন প্রথমে নিম্নমানের ইট ব্যবহারের কারণে কাজ বন্ধ করেছিলেন। পরে তার নির্দেশেই আবার নিম্নমানের ইট দিয়ে কাজ শুরু হয়। এরপর হাসান আল মামুন এসে পুনরায় কাজে বাধা দেন।

এক পক্ষের বাধায় কাজ বন্ধ এবং অন্য পক্ষের নির্দেশে কাজ চালু হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দার অভিযোগ, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নিয়ে কাজ বন্ধ ও চালুর বিষয়ে প্রভাব বিস্তার করা হচ্ছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে কবির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এলজিইডি সূত্রে জা২০২১-২২ অর্থবছরে ৫ কোটি ৪৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ৫১ মিটার ব্রিজ ও এপ্রোচ সড়ক নির্মাণের কাজের ওয়ার্ক অর্ডার দেওয়া হয়। কাজটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় পটুয়াখালীর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মহিউদ্দিন আহমেদ। ব্রিজ নির্মাণ করা হলেও দীর্ঘদিন এপ্রোচ সড়ক নির্মাণ না হওয়ায় সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী ছিল। সম্প্রতি এপ্রোচ সড়ক নির্মাণের কাজ শুরু করা হয়।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নির্মাণকাজে নিম্নমানের ইট ব্যবহার করা হচ্ছে। ট্রলারযোগে ইট এনে প্রকল্প এলাকায় স্তূপ করে রাখা হয়েছে এবং সেগুলো দিয়ে সড়কের নির্মাণকাজ চলছে। ব্রিজের এক পাশে এপ্রোচ সড়কের পাশেই রয়েছে বড় একটি ডোবা। সেখানে সড়কের নিরাপত্তার জন্য কোনো গাইড ওয়াল নির্মাণ করা হয়নি। গাছের ডাল দিয়ে কোনো রকমে রাস্তার মাটি ধরে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

স্থানীয় একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেও নির্মাণকাজে নিম্নমানের ইট ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তাদের অভিযোগ, কাজ চলাকালে এলজিইডির কোনো প্রতিনিধি বা প্রকৌশলীকে নিয়মিতভাবে প্রকল্প এলাকায় দেখা যাচ্ছে না। ফলে নির্মাণকাজের মান নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে গণঅধিকার পরিষদের গজালিয়া ইউনিয়ন কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান আল মামুন বলেন, “আমরা স্থানীয় জনগণ হিসেবে নিম্নমানের ইট দিয়ে কাজ করায় বাধা দিয়েছি। রাস্তায় নিম্নমানের ইট ব্যবহার করা যাবে না। কেউ গণঅধিকার পরিষদের নেতা পরিচয়ে নিম্নমানের কাজ চালানোর নির্দেশ দিলে সেটা মানা হবে না। আর কবির হোসেনের কোনো পদ-পজিশন নেই। তিনি একবার বাধা দিয়ে এখন কেন কাজ চালাতে বলছেন, তা জানি না।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে নিম্নমানের ইট দিয়ে কাজ করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।

অভিযোগের বিষয়ে কবির হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি নাদিম বলেন, “কিছু ইট নিম্নমানের রয়েছে। সেগুলো ভালো ইটের সঙ্গে মিশিয়ে কাজ হচ্ছে। প্রায় ৩০ শতাংশ ইট খারাপ হতে পারে, বাকি ইট ভালো।” তিনি জানান, কাজ বন্ধের বিষয়টি বারবার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে কাজ বন্ধের জন্য তাকে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা উপসহকারী প্রকৌশলী রিপন দাস বলেন, “নিম্নমানের ইট দিয়ে কাজের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। ইতোমধ্যে আমরা কাজ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছি। কিন্তু ঠিকাদারের ম্যানেজার কথা শুনছেন না। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাস্তা থেকে নিম্নমানের ইট সরাতে ঠিকাদারকে বাধ্য করা হবে।”

এ বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

এলাকাবাসীর দাবি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে নির্মাণকাজের মান যাচাই, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী অপসারণ এবং প্রকল্পের নির্ধারিত নকশা ও মানদণ্ড অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন করার ব্যবস্থা নেবে। পাশাপাশি প্রকল্প বাস্তবায়নে কোনো অনিয়ম বা আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।না গেছে, ডিপ-২ প্রকল্পের আওতায়

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।