শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

তীব্র গরমের মধ্যে দফায় দফায় লোডশেডিং, বিপর্যস্ত মুন্সীগঞ্জের জনজীবন

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি তীব্র গরমের মধ্যে বিদ্যুৎ নিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন মুন্সীগঞ্জের বাসিন্দারা। দিনের কোনো নির্দিষ্ট সময় নয়, মধ্যরাত থেকে শুরু করে ভোর, সকাল ও দুপুরেও দফায় দফায় বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় ব্যাহত হচ্ছে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। জেলার বিভিন্ন এলাকায় দিনে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টার বেশি বিদ্যুৎ না পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। […]

তীব্র গরমের মধ্যে দফায় দফায় লোডশেডিং, বিপর্যস্ত মুন্সীগঞ্জের জনজীবন

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১১ আগস্ট ২০২৬, ১৭:২৯

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি

তীব্র গরমের মধ্যে বিদ্যুৎ নিয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন মুন্সীগঞ্জের বাসিন্দারা। দিনের কোনো নির্দিষ্ট সময় নয়, মধ্যরাত থেকে শুরু করে ভোর, সকাল ও দুপুরেও দফায় দফায় বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় ব্যাহত হচ্ছে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।

জেলার বিভিন্ন এলাকায় দিনে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টার বেশি বিদ্যুৎ না পাওয়ার অভিযোগ রয়েছে। এমনকি কোনো কোনো এলাকায় ২৪ ঘণ্টায় মাত্র ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়ার কথাও জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

গত কয়েক দিন ধরে মুন্সীগঞ্জ সদরসহ জেলার বিভিন্ন উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহের এমন অবস্থা চলছে। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় গরমের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়েছেন শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিরা। বিদ্যুৎ সংকটে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটছে।

পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য ও দৈনন্দিন কাজকর্মও স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। দিনের পাশাপাশি রাতে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় ঘুমের সমস্যায় পড়ছেন অনেক বাসিন্দা।

মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, তাঁদের এলাকায় গত এক সপ্তাহ ধরে দিনে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টার বেশি বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে না। বাংলাবাজার এলাকার গিয়াস উদ্দিন শেখ অভিযোগ করেন, প্রায় এক ঘণ্টা পরপর বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে।

শ্রীনগর উপজেলার রাঢ়িখাল ইউনিয়নের এক বাসিন্দার দাবি, তাঁদের এলাকায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র ৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। সিরাজদিখান উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের কাদির মাল জানিয়েছেন, তাঁদের এলাকায় দিনে রাতে মোট ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে।

লৌহজং উপজেলার মৌছা এলাকার এক বাসিন্দার ভাষ্য, তাঁদের এলাকায় সারাদিনে প্রায় ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া যায়।

শুধু উপজেলার গ্রামাঞ্চলেই নয়, মুন্সীগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকাতেও বিদ্যুৎ বিভ্রাটের অভিযোগ রয়েছে। শহরের ইদ্রাকপুর, দেওভোগ, হাটলক্ষ্মীগঞ্জ, পাঁচঘড়িয়াকান্দি ও কাটাখালিসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে ঘন ঘন বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন বাসিন্দারা।

টানা লোডশেডিংয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে গত ৩ আগস্ট মুন্সীগঞ্জ শহরের বাসস্ট্যান্ড এলাকার পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন শতাধিক গ্রাহক। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে তাঁদের বিক্ষোভ। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

বিক্ষোভকারীরা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের দাবি জানান। এ জন্য কর্তৃপক্ষকে ২৪ ঘণ্টার সময় বেঁধে দেন তাঁরা। তাঁদের অভিযোগ, অতিরিক্ত গরমের মধ্যেও প্রতিদিন দিনের বড় একটি সময় বিদ্যুৎ ছাড়া থাকতে হচ্ছে।

এতে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে আরও কঠোর কর্মসূচিতে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন বিক্ষোভকারীরা।

বিদ্যুৎ সংকটের কারণ হিসেবে সরবরাহ ঘাটতির কথা জানিয়েছেন মুন্সীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার শেখ মানোয়ার মোরশেদ। তাঁর ভাষ্য, বিদ্যুৎ সরবরাহে ঘাটতি থাকায় গ্রাহক পর্যায়ে লোডশেডিং করতে হচ্ছে।

শেখ মানোয়ার মোরশেদ জানান, বর্তমানে মুন্সিগঞ্জে বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৬৪ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ১১৪ মেগাওয়াট। অর্থাৎ চাহিদার তুলনায় সরবরাহে প্রায় ৫০ মেগাওয়াট ঘাটতি রয়েছে।

এই ঘাটতির কারণে প্রায় ৫০ মেগাওয়াট লোডশেডিং করতে হচ্ছে। জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ানো হলে পরিস্থিতির উন্নতি হবে বলে জানান তিনি।

এর আগে গত ২ আগস্টও মুন্সীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির একই কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, জেলার বিদ্যুতের চাহিদার তুলনায় প্রতিদিন গড়ে ১৫ থেকে ২০ মেগাওয়াট কম সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে।

বিশেষ করে সন্ধ্যার দিকে বিদ্যুতের চাহিদা বেড়ে যায়। ওই সময়ে জাতীয় গ্রিড থেকে প্রয়োজন অনুযায়ী সরবরাহ না পাওয়ার কারণে লোডশেডিং করতে হচ্ছে বলে জানিয়েছিলেন তিনি।

তবে কয়েক দিন ধরে বিদ্যুতের এমন ঘন ঘন আসা-যাওয়ায় তীব্র গরমের মধ্যে চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন মুন্সীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকার মানুষ।

দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় একদিকে যেমন শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের কষ্ট বাড়ছে, অন্যদিকে ব্যাহত হচ্ছে পড়াশোনা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।