রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

দীর্ঘ লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত সখীপুর, ক্ষতির মুখে ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিক্ষা-স্বাস্থ্যসেবা

সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি : টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে চলমান ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন মারাত্মক দুর্ভোগে পড়েছে। দিনের পাশাপাশি রাতেও বারবার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং বিদ্যুৎনির্ভর ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠান। বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ার নির্ধারিত কোনো সময়সূচি না থাকায় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা দৈনন্দিন কাজের […]

দীর্ঘ লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত সখীপুর, ক্ষতির মুখে ব্যবসা-বাণিজ্য ও শিক্ষা-স্বাস্থ্যসেবা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ১৫:০৯

সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি :

টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে চলমান ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবন মারাত্মক দুর্ভোগে পড়েছে। দিনের পাশাপাশি রাতেও বারবার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং বিদ্যুৎনির্ভর ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠান। বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ার নির্ধারিত কোনো সময়সূচি না থাকায় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা দৈনন্দিন কাজের পরিকল্পনাও করতে পারছেন না।

গত কয়েকদিনে উপজেলার পৌরসভা, পাথারপুর, কীর্তনখোলা,সিলিমপুর,বেতুয়া, কচুয়া, আড়াইপাড়া, দামিয়াপাড়া, বানিয়ারছিটসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে দোকানপাট, ফটোকপি ও কম্পিউটার দোকান, মোবাইল সার্ভিসিং, ওয়েল্ডিং ও ফার্নিচার কারখানা, মোটরসাইকেল ও সিএনজির সিট তৈরির ওয়ার্কশপসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে কাজ বারবার বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।

অনেক প্রতিষ্ঠান বাধ্য হয়ে জেনারেটর ব্যবহার করলেও অতিরিক্ত জ্বালানি ব্যয়ে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। আর যাদের বিকল্প ব্যবস্থা নেই, তারা সরাসরি আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।

লোডশেডিংয়ের প্রভাব পড়েছে শিক্ষা কার্যক্রমেও। উপজেলার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অভিযোগ, সন্ধ্যার পর দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় পড়াশোনার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। অনেক শিক্ষার্থী চার্জলাইট, মোবাইলের ফ্ল্যাশলাইট এবং মোমবাতির আলোয় পড়তে বাধ্য হচ্ছে। আবার ভোর সকালেও বিদ্যুৎ থাকে না -তাহলে বাচ্চারা পড়বে কখন? 

বিদ্যুৎ বিভ্রাটে স্বাস্থ্যসেবাও ব্যাহত হচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, বেসরকারি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগীদের সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। কিছু প্রতিষ্ঠানে জেনারেটরের ব্যবস্থা থাকলেও ছোট ক্লিনিকগুলোতে বিকল্প বিদ্যুৎ না থাকায় রোগী ও স্বজনদের দুর্ভোগ বাড়ছে।

একই সঙ্গে চালকল, আইসক্রিম কারখানা, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, কাঠ ও আসবাবপত্র তৈরির কারখানাসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানে উৎপাদনও ব্যাহত হচ্ছে।

পাথারপুর এলাকার বাসিন্দা জনি সিকদার বলেন, দিনে রাত মিলিয়ে কয়েকবার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। নামাজের সময়েও চলে যাচ্ছে। প্রতিবারই দীর্ঘ সময় সরবরাহ বন্ধ থাকছে। প্রচণ্ড গরমে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিরা সবচেয়ে বেশি কষ্ট পাচ্ছেন।

আমি বিদেশে উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি হিসেবে আইইএলটিএসের পড়াশোনা করছি। কিন্তু অতিরিক্ত গরম ও ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে নিয়মিত পড়াশোনা করতে পারছি না।

উপজেলা সদরের মোটরসাইকেল ও সিএনজির সিট নির্মাতা নুরুল হক, ওয়েল্ডিং ওয়ার্কশপের মালিক নুরুল ইসলাম, কাপড় ইস্ত্রির কারিগর মধুসূদন দাস এবং মোবাইল মেকানিক আব্দুল্লাহ বলেন, ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে কাজ বন্ধ রেখে বসে থাকতে হচ্ছে।

সময়মতো অর্ডারের কাজ শেষ করা যাচ্ছে না, নতুন কাজও নেওয়া যাচ্ছে না। বিদ্যুৎনির্ভর এসব পেশায় প্রতিদিনই আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন তারা।

সখীপুর পৌর শহরের কাপড় ব্যবসায়ী রাসেল বলেন,ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় প্রচণ্ড গরমে ক্রেতারা বাজারে আসছেন না। ফলে বিক্রি প্রায় অর্ধেকে নেমে গেছে।

কালিয়া ইসলামিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক মোবারক হোসেন বলেন, দিনের বেশির ভাগ সময়ই বিদ্যুৎ থাকে না। প্রচণ্ড গরমে শিক্ষক-শিক্ষার্থী সবাই কষ্ট পাচ্ছেন। শ্রেণিকক্ষে স্বাভাবিক পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।

স্থানীয় গ্রিন লাইফ ক্লিনিকের ব্যবস্থাপক রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। রোগীদের সেবা সচল রাখতে জেনারেটর চালাতে হচ্ছে, আর বিদ্যুৎ না থাকলে অসহনীয় গরমে রোগীদের দুর্ভোগ কয়েকগুণ বেড়ে যায়।তিনি বলেন, কতক্ষণ আর জেনারেটর চালু রাখা যায়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি প্রতিমা বংকি গ্রামের হুরমুজ আলিও বিদ্যুৎ না থাকার কথা বলেন।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে (২৮ জুলাই) দেখা যায়, আউটডোরে যারা চিকিৎসা নিতে আসছেন সবাই গরমে হাসফাস করছেন। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক দিন ধরে এই পরিস্থিতি চলছে। তারা দ্রুত নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে সখীপুর উপজেলা বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ (বিপিডিবি) নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাব্বির হোসেন বলেন, টাঙ্গাইল গ্রিড থেকে ২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়ার কথা থাকলেও বর্তমানে প্রায় ১৫ মেগাওয়াট পাওয়া যাচ্ছে।

এছাড়া ভালুকা থেকে ৫–৬ মেগাওয়াট পাওয়ার কথা থাকলেও। সেখানে ৪ মেগাওয়াট লোডশেডিং দেওয়া লাগছে। গ্রিড থেকে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ বরাদ্দ পাওয়া যায়, সেটির ওপর নির্ভর করেই পুরো উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিচালনা করতে হচ্ছে আমাদের।

তবে আমরা আশাবাদী, আগামী এক থেকে দুই মাসের মধ্যে সমস্যার সমাধান হবে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক পর্যায়ে ফিরে আসবে।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।