মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মহিপুরে দন্ত চিকিৎসার আড়ালে ‘মৃত্যুফাঁদ’: স্বাস্থ্যসেবার ভোগান্তিতে প্রান্তিক মানুষ

কলাপাড়া,পটুয়াখালী প্রতিনিধি: প্রান্তিক জনপদে আধুনিক স্বাস্থ্যসেবার ছোঁয়া পৌঁছানোর কথা থাকলেও বাস্তবে সেখানে বেড়েই চলেছে অপচিকিৎসা, প্রতারণা ও অনিয়মের অভিযোগ।  পটুয়াখালীর মহিপুর থানা এলাকায় ‘এশিয়া ডেন্টাল কেয়ার’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে উঠেছে গুরুতর অভিযোগ। ভুল চিকিৎসার কারণে এক রোগীর মৃত্যুসহ একাধিক ভুক্তভোগীর দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক ক্ষতির দাবি। স্থানীয়দের অভিযোগ, ‘এশিয়া ডেন্টাল কেয়ার’ নামের এই অপচিকিৎসালয় দীর্ঘদিন ধরে […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ মে ২০২৬, ০১:২৩

কলাপাড়া,পটুয়াখালী প্রতিনিধি:

প্রান্তিক জনপদে আধুনিক স্বাস্থ্যসেবার ছোঁয়া পৌঁছানোর কথা থাকলেও বাস্তবে সেখানে বেড়েই চলেছে অপচিকিৎসা, প্রতারণা ও অনিয়মের অভিযোগ। 

পটুয়াখালীর মহিপুর থানা এলাকায় ‘এশিয়া ডেন্টাল কেয়ার’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে উঠেছে গুরুতর অভিযোগ। ভুল চিকিৎসার কারণে এক রোগীর মৃত্যুসহ একাধিক ভুক্তভোগীর দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক ক্ষতির দাবি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ‘এশিয়া ডেন্টাল কেয়ার’ নামের এই অপচিকিৎসালয় দীর্ঘদিন ধরে অপেশাদার ও অননুমোদিত চিকিৎসা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। একাধিক ভুক্তভোগী ভুল চিকিৎসার শিকার হলেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দৃশ্যমান স্থায়ী কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেই বলে দাবি এলাকাবাসীর।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কথিত দন্ত চিকিৎসক ডা. হারুন এর বিরুদ্ধে অতীতে ভুয়া চিকিৎসা দেওয়ার অভিযোগে কারাভোগের তথ্য রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, জেল থেকে বের হয়ে তিনি পুনরায় একই ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। এতে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

এছাড়া তার ভাই আব্দুল হাকিম কলাপাড়ায় দন্ত চিকিৎসক এবং মহিপুরে নিজেকে চক্ষু বিশেষজ্ঞ পরিচয় দিয়ে চিকিৎসা দিয়ে আসছেন। আরও অভিযোগ রয়েছে— ভাইয়ের অনুপস্থিতিতে এই ভূয়া চক্ষু বিশেষজ্ঞই হাতুড়ি-বাটাল নিয়ে রোগীদের দাঁতের চিকিৎসা করান, যা আইনি ও নৈতিকভাবে গুরুতর অপরাধ।

সরেজমিনে তদন্তে বেরিয়ে এসেছে লোমহর্ষক সব তথ্য:

জনৈক এক ভুক্তভোগীর প্রতিবেশী জানান, ভুল চিকিৎসার কারণে দাঁতে মারাত্মক ইনফেকশন হয়ে পচন ধরে, পরে অর্থের অভাবে উন্নত চিকিৎসা করাতে না পেরে ওই রোগী মৃত্যুবরণ করেন। একই অভিযোগ করেন কুয়াকাটার আরেক ভুক্তভোগী। তিনি জানান, ওই ডাক্তারের কাছ থেকে চিকিৎসা নেওয়ার পর দাঁতে ইনফেকশন হয়। পরে তিনি উন্নত চিকিৎসায় সুস্থ হয়।

এক ভুক্তভোগী জানান, ব্যথানাশক ইনজেকশন ছাড়াই বাটাল দিয়ে তার সুস্থ দাঁত তুলে ফেলা হয়েছে। শুধু তাই নয়, দন্ত চিকিৎসকের বদলে তার দাঁত তুলেছেন ভূয়া চক্ষু বিশেষজ্ঞ পরিচয় দেওয়া আঃ হাকিম, যা ছিল অত্যন্ত অমানবিক ও ঝুঁকিপূর্ণ। এনিয়ে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

আরেকজন বলেন, এই প্রতিষ্ঠানে চিকিৎসা নেওয়া অধিকাংশ মানুষই পরবর্তীতে জটিলতায় ভুগছেন। এমনকি এক পর্যায়ে ক্ষুব্ধ জনতা অভিযুক্ত চিকিৎসককে মারধরও করেন।

এক নারী ভুক্তভোগীর বাবা জানান, একটি দাঁত তোলার কথা থাকলেও তার মেয়ের তিনটি দাঁত তুলে ফেলা হয়—যা মেয়েটিকে দীর্ঘমেয়াদী শারীরিক সমস্যায় ফেলেছে।

আরেকজন জানান, একটি দাঁতে ক্যাপ বসানোর কথা থাকলেও দুটি দাঁতে ক্যাপ বসানো হয়, যার ফলে তিনি তীব্র ব্যথায় ভুগছেন এবং রাতে ঘুমাতে পারছেন না।

এতসব গুরুতর অভিযোগ থাকার পরেও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে স্থায়ী কোনো আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। প্রশ্ন উঠছে, স্বাস্থ্যখাতে নিয়ন্ত্রণ ও তদারকির দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকারিতা কোথায়?

ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা​ দ্রুত এই অপ-চিকিৎসকদের গ্রেফতার দাবি করে বলেন, একজন ভুয়া ডাক্তারের কারণে মানুষের জীবন বিপন্ন হবে, আর আইন প্রশাসন নীরব থাকবে, এটা মেনে নেওয়া যায় না। 

এমন লোমহর্ষক ঘটনার পরও বীরদর্পে চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছেন এই চক্র। স্বল্পমূল্যের চিকিৎসার আশায় নিম্নআয়ের মানুষ এসব প্রতিষ্ঠানের শরণাপন্ন হলেও স্থায়ীভাবে শারীরিক সক্ষমতা হারাচ্ছেন। এতে একদিকে যেমন বাড়ছে দীর্ঘ মেয়াদে শারীরিক ক্ষতি, অন্যদিকে আইন ও স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর মানুষের আস্থা কমছে।

ভুক্তভোগী ও স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত ভুয়া চিকিৎসকদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ করে যথাযথ তদন্ত চালাতে হবে, এবং ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে। প্রান্তিক এলাকায় স্বাস্থ্যসেবার ওপর কঠোর নজরদারি জোরদার করতে হবে।

এ বিষয়ে জানতে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এমনকি খুদেবার্তা (হোয়াটসঅ্যাপ) পাঠিয়েও তার কোনো সাড়া মেলেনি।

​কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. কাউছার হামিদ জানান, আমি বর্তমানে ছুটিতে আছি। অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মহোদয় বিষয়টি আমাকে জানিয়েছেন। কর্মস্থলে ফিরে আমি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে পারব।

​পটুয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মাদ খালেদুর রহমান মিয়া বলেন, “বিষয়টি আমি প্রশাসনকে অবহিত করেছি। তারা দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন।”

মহিপুরের এই ঘটনা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের অনিয়ম নয়—এটি প্রান্তিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার গভীর সংকটের এক বাস্তব চিত্র। এখনই কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে এ ধরনের অপচিকিৎসা আরও বিস্তৃত হয়ে সাধারণ মানুষের জীবনকে চরম ঝুঁকির মুখে ফেলবে।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। […]

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১২ জুন ২০২৬, ১০:২৮

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। কয়েকদিন আগেও এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল।

ঘটনার দিন রাফি একা মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় পথে কালু, পারভেজ ও তাদের কয়েকজন সহযোগী আড্ডা দিচ্ছিল। রাফিকে একা দেখে তারা তাকে থামানোর চেষ্টা করে। প্রথমে কালু তাকে আটকাতে ব্যর্থ হলে সামনে অবস্থান নেওয়া পারভেজ একটি বড় ইটের টুকরো দিয়ে রাফির মাথায় আঘাত করে। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন।

পরে অভিযুক্তরা আহত রাফিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর র‌্যাব-৪-এর আভিযানিক দল জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে বৃহস্পতিবার কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।