মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সেতু, স্থায়ী বেড়িবাঁধ ও পাকা সড়কের অপেক্ষায় লক্ষাধিক মানুষ

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার দিঘীরপাড় ইউনিয়নের দক্ষিণাঞ্চল ও এর সঙ্গে সংযুক্ত বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলের বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়নের বৈষম্যের শিকার বলে অভিযোগ করেছেন। তাদের দাবি, প্রায় আড়াই দশক ধরে দিঘীরপাড়ে একটি সেতু নির্মাণ, নদীভাঙন রোধে স্থায়ী বেড়িবাঁধ এবং গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো পাকা করার দাবি জানিয়ে এলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য […]

সেতু, স্থায়ী বেড়িবাঁধ ও পাকা সড়কের অপেক্ষায় লক্ষাধিক মানুষ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ জুলাই ২০২৬, ০১:২৬

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ী উপজেলার দিঘীরপাড় ইউনিয়নের দক্ষিণাঞ্চল ও এর সঙ্গে সংযুক্ত বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলের বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়নের বৈষম্যের শিকার বলে অভিযোগ করেছেন। তাদের দাবি, প্রায় আড়াই দশক ধরে দিঘীরপাড়ে একটি সেতু নির্মাণ, নদীভাঙন রোধে স্থায়ী বেড়িবাঁধ এবং গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো পাকা করার দাবি জানিয়ে এলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি।

ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

দিঘীরপাড়ের দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে মুন্সিগঞ্জের চরবাংলাবাজার, শরীয়তপুর জেলার শিলই, নওপাড়া, চরআত্রা, কাঁচিকাটা, কুন্ডেরচর, কোরবি ও মনিরাবাজসহ বিভিন্ন চরাঞ্চল। এছাড়া চাঁদপুর ও কুমিল্লা জেলার কিছু চরাঞ্চলের মানুষও এই পথ ব্যবহার করেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রায় ১০টি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষের যাতায়াত ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড এই যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল।

তাদের মতে, একটি সেতু, স্থায়ী বেড়িবাঁধ ও পাকা সড়ক নির্মিত হলে শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে না, বরং শিক্ষা, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

গত ৭ জুন মুন্সিগঞ্জের জেলা প্রশাসক দিঘীরপাড় ইউনিয়নের কান্দারবাড়ি নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং ভাঙনের পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।

এরপর ১১ জুন উন্নয়নের বৈষম্য দূর করা এবং চার দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চরাঞ্চলের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে বিশাল মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এতে নারী-পুরুষ, শিক্ষার্থী, কৃষক, জেলে, ব্যবসায়ী, যুব সমাজ ও আলেম সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। বক্তারা বলেন, উন্নয়নের মূলধারা থেকে বিচ্ছিন্ন থাকায় চরাঞ্চলের মানুষ মৌলিক নাগরিক সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া এক অভিভাবক বলেন, “সেতু ও পাকা রাস্তার অভাবে সন্তানদের ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠানো কঠিন হয়ে পড়েছে। যাতায়াতের দুর্ভোগে অনেক শিক্ষার্থী মাঝপথে পড়াশোনা ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।”

কৃষক আব্বাস খালাসী বলেন, “উৎপাদিত ফসল বাজারে নিতে নদী পার হতে হয়। এতে অতিরিক্ত খরচ হয়, সময় নষ্ট হয়, অনেক সময় পণ্যও নষ্ট হয়ে যায়। সেতু ও পাকা রাস্তা হলে কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পাবেন।”

যুব প্রতিনিধি আক্তার গাজী বলেন, “প্রতিবছর নদীভাঙনে মানুষ ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে। স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ হলে এই দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে। আমরা আর আশ্বাস নয়, বাস্তবায়ন চাই।”

২১ জুন যুব সমাজ ও আলেম সমাজের উদ্যোগে মুন্সিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে স্মারকলিপি ও গণস্বাক্ষর জমা দেওয়া হয়। এতে সেতু, স্থায়ী বেড়িবাঁধ এবং পাকা সড়ক নির্মাণের দাবি তুলে ধরা হয়। জেলা প্রশাসক বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দেন।

পরবর্তীতে ৪ জুলাই মুন্সিগঞ্জ-২ (টঙ্গীবাড়ী-লৌহজং) আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল সালাম আজাদ দিঘীরপাড়ের কান্দারবাড়ি নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় যুব সমাজ ও আলেম সমাজের প্রতিনিধিরা তাঁর হাতে স্মারকলিপি ও গণস্বাক্ষর তুলে দেন।

তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরে বিষয়টি উপস্থাপন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। একই সময় সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ আলোও নদীভাঙন এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজখবর নেন।

স্থানীয়দের দাবি, যোগাযোগ অবকাঠামোর দুর্বলতার কারণে এ অঞ্চলে শিক্ষার হার আশঙ্কাজনকভাবে কম। শিক্ষার্থীদের নৌপথে দীর্ঘ সময় যাতায়াত করতে হওয়ায় নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। জরুরি রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়াও বড় চ্যালেঞ্জ।

অন্যদিকে কৃষিপণ্য বাজারজাত করতে অতিরিক্ত সময় ও পরিবহন ব্যয় হওয়ায় কৃষকরা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন। প্রতিবছরের নদীভাঙনে বহু পরিবার ঘরবাড়ি ও আবাদি জমি হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের এই দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে দিঘীরপাড় ও আশপাশের চরাঞ্চলকে উন্নয়নের মূলধারায় যুক্ত করা হবে। তাদের প্রশ্ন একটাই—আশ্বাসের পর আশ্বাস নয়, কবে বাস্তবে নির্মিত হবে দিঘীরপাড়ের সেতু, স্থায়ী বেড়িবাঁধ ও পাকা সড়ক? সেই উত্তর ও কার্যকর পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছে লক্ষাধিক মানুষ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। […]

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১২ জুন ২০২৬, ১০:২৮

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। কয়েকদিন আগেও এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল।

ঘটনার দিন রাফি একা মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় পথে কালু, পারভেজ ও তাদের কয়েকজন সহযোগী আড্ডা দিচ্ছিল। রাফিকে একা দেখে তারা তাকে থামানোর চেষ্টা করে। প্রথমে কালু তাকে আটকাতে ব্যর্থ হলে সামনে অবস্থান নেওয়া পারভেজ একটি বড় ইটের টুকরো দিয়ে রাফির মাথায় আঘাত করে। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন।

পরে অভিযুক্তরা আহত রাফিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর র‌্যাব-৪-এর আভিযানিক দল জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে বৃহস্পতিবার কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।