শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

শিক্ষকের ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী

নেত্রকোনা প্রতিনিধি : নেত্রকোনার মদনে আমান উল্লাহ সাগর (৩০) নামের এক মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১২বছর বয়সী এক ছাত্রী কে ধর্ষণ করার অভিযোগ ওঠেছে। ধর্ষণের পর বর্তমানে মেয়েটি ৬মাসের অন্তঃসত্ত্বা। তাদেরকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে এলাকা ছাড়া করা হয়। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে একটি মহল পায়তারার চেষ্টা করছে। এদিকে এলাকা থেকে পালিয়ে গেছেন আমান উল্লাহ সাগর।  অভিযুক্ত শিক্ষক […]

শিক্ষকের ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২২ এপ্রিল ২০২৬, ২০:৩১

নেত্রকোনা প্রতিনিধি :

নেত্রকোনার মদনে আমান উল্লাহ সাগর (৩০) নামের এক মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১২বছর বয়সী এক ছাত্রী কে ধর্ষণ করার অভিযোগ ওঠেছে। ধর্ষণের পর বর্তমানে মেয়েটি ৬মাসের অন্তঃসত্ত্বা। তাদেরকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে এলাকা ছাড়া করা হয়। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে একটি মহল পায়তারার চেষ্টা করছে। এদিকে এলাকা থেকে পালিয়ে গেছেন আমান উল্লাহ সাগর। 

অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহাড় বড়বাড়ি গ্রামের মৃত শামসুদ্দিন মিয়ার ছেলে। তিনি ওই গ্রামের হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসার পরিচালক ও শিক্ষক।  

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আমান উল্লাহ সাগর মদন উপজেলার পাঁচাহাড় গ্রামে ২০২২ সালে হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। মাদ্রাসাতে তার স্ত্রীও শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত আছেন। এই মাদ্রাসায় আশেপাশে এলাকার মেয়েরা লেখাপড়া করেন। একই এলাকার স্বামী পরিত্যক্ত মহিলার একমাত্র মেয়ে ওই কিশোরী। জীবিকা নির্বাহের তাগিদে কিশোরীর মা সিলেটে গৃহ পরিচালিকার কাজ করেন। ওই মেয়েটি নানীর কাছে থেকে ওই মহিলা কওমি মাদ্রাসায় লেখাপড়া করতেন।

এর মধ্যে গত বছর নভেম্বর মাসে আমান উল্লাহ সাগর ওই মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন। ঘটনা কাউকে না জানাতে প্রাণনাশে ভয় দেন সাগর। পরে তার আরেক শিক্ষককে বলে মেয়েটিকে মাদ্রাসা থেকে বিতাড়িত করেন তিনি। পাঁচ মাস পার হওয়ার পর কিশোরী মেয়েটির শারীরিক পরিবর্তন আসে। সন্দেহ হলে মেয়েটির মা জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে সে হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক সাগরের ধর্ষণের স্বীকার হওয়ার বিষয়টি তার মাকে জানায়। ঘটনাটি জেনে কিশোরীর মা এলাকায় আসেন বিচার চাইতে। আমান উল্লাহর পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় বিচার না পেয়ে উল্টো তাদের হুমকির ধমকিতে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই মাদ্রাসার একজন শিক্ষক বলেন ফাতেমা তু জোহরা মাদ্রাসা পরিচালক ও শিক্ষক আমানুল্লাহ সাগরের নির্দেশে প্রায় পাঁচ মাস আগে ওই মেয়েটিকে কোন একটি অজুহাত দেখিয়ে মাদ্রাসা থেকে বের করে দেওয়া হয় মেয়েটির অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবরটি শুনে বুঝতে পেরেছি কেন তাকে তাকে বের করে দেওয়া হয়েছিল

অন্তঃসত্ত্বা মেয়েটির স্বজন পরিচয় গোপন রাখার শর্তে বলেন, শিশুটির উপর পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। নানার বাড়িতে থেকে সাগর হুজুরের মাদ্রাসায় লেখাপড়া করত। সাত-আট মাস আগেও তিনি মেয়েটিকে শারীরিকভাবে যৌন হয়রানি করেন আমান উল্লাহ। তারা এলাকার প্রভাবশালী, আমরা নিরীহ মানুষ। এলাকায় থাকতে হবে। তাদের বিরুদ্ধে কিছু করার সাহস সামর্থ্য কোনটাই আমাদের নেই। এরপর ৪-৫ মাস আগে মেয়েটিকে মাদ্রাসা থেকে তাড়িয়ে দেন সাগর। এখন তো সে প্রায় ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা। শিশু মেয়েটির উপর পাশ্ববিক নির্যাতনের বিচারের সুষ্ঠু বিচার হওয়া উচিত।

আমান উল্লাহ সাগরের বড় ভাই মামুন মিয়া জানান, আমাদের কাছে কেউ বিচার চাইতে আসেনি। কয়েকদিন আগে ওই মেয়েটির মা বাড়িতে এসেছিল। পরে মানুষের মুখে শুনেছি আমার ভাই সাগরের ধর্ষণে নাকি তার মেয়ে ছয় মাসে অন্তঃসত্তা। আমি দুইদিন আগে মেয়েটির নানার বাড়িতে গিয়ে খোঁজ নিয়েছিলাম। তারা এখানে নেই। তবে যদি ধর্ষণের কোন ঘটনা ঘটে থাকে তাহলে আমিও চাই সুষ্ঠু বিচার হোক। তবে এ ঘটনা প্রকাশ হওয়ার পর থেকে তার ভাই লোক লজ্জার ভয়ে বাড়ি থেকে চলে গেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে হযরত ফাতেমাতু যযাহরা মহিলা কওমি মাদ্রাসার একজন শিক্ষক বলেন, শুনেছি ওই এলাকার আমাদের মাদ্রাসার একটি কিশোরী মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে। গত চার পাঁচ মাস আগে মেয়েটিকে আমান উল্লাহ হুজুর কৌশলে মাদ্রাসা থেকে বিতাড়িত করেন।

কাইটাইল ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ সোহেল মিয়া বলেন, মানুষের মুখে শুনেছি মেয়েটির মা এলাকায় এসেছিল তার মেয়ের ধর্ষণের বিচার চাইতে। আমান উল্লাহ সাগরের ধর্ষণে নাকি ওই মেয়েটি অন্তঃসত্তা হয়েছে। মেয়েটির মা এলাকার অনেকের কাছেই বিচার চাইতে গিয়েছিল। কেউ এমন স্পর্শকাতর বিষয়ে কথা বলতে চায়নি।

এ বিষয়ে মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ হাসনাত জামান জানান, এরকম কোন ঘটনা আমি জানিনা। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।