রবিবার, ১০ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

শিক্ষকের ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী

নেত্রকোনা প্রতিনিধি : নেত্রকোনার মদনে আমান উল্লাহ সাগর (৩০) নামের এক মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১২বছর বয়সী এক ছাত্রী কে ধর্ষণ করার অভিযোগ ওঠেছে। ধর্ষণের পর বর্তমানে মেয়েটি ৬মাসের অন্তঃসত্ত্বা। তাদেরকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে এলাকা ছাড়া করা হয়। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে একটি মহল পায়তারার চেষ্টা করছে। এদিকে এলাকা থেকে পালিয়ে গেছেন আমান উল্লাহ সাগর।  অভিযুক্ত শিক্ষক […]

শিক্ষকের ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২২ এপ্রিল ২০২৬, ২০:৩১

নেত্রকোনা প্রতিনিধি :

নেত্রকোনার মদনে আমান উল্লাহ সাগর (৩০) নামের এক মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১২বছর বয়সী এক ছাত্রী কে ধর্ষণ করার অভিযোগ ওঠেছে। ধর্ষণের পর বর্তমানে মেয়েটি ৬মাসের অন্তঃসত্ত্বা। তাদেরকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে এলাকা ছাড়া করা হয়। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে একটি মহল পায়তারার চেষ্টা করছে। এদিকে এলাকা থেকে পালিয়ে গেছেন আমান উল্লাহ সাগর। 

অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহাড় বড়বাড়ি গ্রামের মৃত শামসুদ্দিন মিয়ার ছেলে। তিনি ওই গ্রামের হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসার পরিচালক ও শিক্ষক।  

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আমান উল্লাহ সাগর মদন উপজেলার পাঁচাহাড় গ্রামে ২০২২ সালে হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। মাদ্রাসাতে তার স্ত্রীও শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত আছেন। এই মাদ্রাসায় আশেপাশে এলাকার মেয়েরা লেখাপড়া করেন। একই এলাকার স্বামী পরিত্যক্ত মহিলার একমাত্র মেয়ে ওই কিশোরী। জীবিকা নির্বাহের তাগিদে কিশোরীর মা সিলেটে গৃহ পরিচালিকার কাজ করেন। ওই মেয়েটি নানীর কাছে থেকে ওই মহিলা কওমি মাদ্রাসায় লেখাপড়া করতেন।

এর মধ্যে গত বছর নভেম্বর মাসে আমান উল্লাহ সাগর ওই মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন। ঘটনা কাউকে না জানাতে প্রাণনাশে ভয় দেন সাগর। পরে তার আরেক শিক্ষককে বলে মেয়েটিকে মাদ্রাসা থেকে বিতাড়িত করেন তিনি। পাঁচ মাস পার হওয়ার পর কিশোরী মেয়েটির শারীরিক পরিবর্তন আসে। সন্দেহ হলে মেয়েটির মা জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে সে হযরত ফাতেমা তুজ্জহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক সাগরের ধর্ষণের স্বীকার হওয়ার বিষয়টি তার মাকে জানায়। ঘটনাটি জেনে কিশোরীর মা এলাকায় আসেন বিচার চাইতে। আমান উল্লাহর পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় বিচার না পেয়ে উল্টো তাদের হুমকির ধমকিতে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই মাদ্রাসার একজন শিক্ষক বলেন ফাতেমা তু জোহরা মাদ্রাসা পরিচালক ও শিক্ষক আমানুল্লাহ সাগরের নির্দেশে প্রায় পাঁচ মাস আগে ওই মেয়েটিকে কোন একটি অজুহাত দেখিয়ে মাদ্রাসা থেকে বের করে দেওয়া হয় মেয়েটির অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবরটি শুনে বুঝতে পেরেছি কেন তাকে তাকে বের করে দেওয়া হয়েছিল

অন্তঃসত্ত্বা মেয়েটির স্বজন পরিচয় গোপন রাখার শর্তে বলেন, শিশুটির উপর পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। নানার বাড়িতে থেকে সাগর হুজুরের মাদ্রাসায় লেখাপড়া করত। সাত-আট মাস আগেও তিনি মেয়েটিকে শারীরিকভাবে যৌন হয়রানি করেন আমান উল্লাহ। তারা এলাকার প্রভাবশালী, আমরা নিরীহ মানুষ। এলাকায় থাকতে হবে। তাদের বিরুদ্ধে কিছু করার সাহস সামর্থ্য কোনটাই আমাদের নেই। এরপর ৪-৫ মাস আগে মেয়েটিকে মাদ্রাসা থেকে তাড়িয়ে দেন সাগর। এখন তো সে প্রায় ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা। শিশু মেয়েটির উপর পাশ্ববিক নির্যাতনের বিচারের সুষ্ঠু বিচার হওয়া উচিত।

আমান উল্লাহ সাগরের বড় ভাই মামুন মিয়া জানান, আমাদের কাছে কেউ বিচার চাইতে আসেনি। কয়েকদিন আগে ওই মেয়েটির মা বাড়িতে এসেছিল। পরে মানুষের মুখে শুনেছি আমার ভাই সাগরের ধর্ষণে নাকি তার মেয়ে ছয় মাসে অন্তঃসত্তা। আমি দুইদিন আগে মেয়েটির নানার বাড়িতে গিয়ে খোঁজ নিয়েছিলাম। তারা এখানে নেই। তবে যদি ধর্ষণের কোন ঘটনা ঘটে থাকে তাহলে আমিও চাই সুষ্ঠু বিচার হোক। তবে এ ঘটনা প্রকাশ হওয়ার পর থেকে তার ভাই লোক লজ্জার ভয়ে বাড়ি থেকে চলে গেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে হযরত ফাতেমাতু যযাহরা মহিলা কওমি মাদ্রাসার একজন শিক্ষক বলেন, শুনেছি ওই এলাকার আমাদের মাদ্রাসার একটি কিশোরী মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে। গত চার পাঁচ মাস আগে মেয়েটিকে আমান উল্লাহ হুজুর কৌশলে মাদ্রাসা থেকে বিতাড়িত করেন।

কাইটাইল ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ সোহেল মিয়া বলেন, মানুষের মুখে শুনেছি মেয়েটির মা এলাকায় এসেছিল তার মেয়ের ধর্ষণের বিচার চাইতে। আমান উল্লাহ সাগরের ধর্ষণে নাকি ওই মেয়েটি অন্তঃসত্তা হয়েছে। মেয়েটির মা এলাকার অনেকের কাছেই বিচার চাইতে গিয়েছিল। কেউ এমন স্পর্শকাতর বিষয়ে কথা বলতে চায়নি।

এ বিষয়ে মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ হাসনাত জামান জানান, এরকম কোন ঘটনা আমি জানিনা। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।