সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

শহীদ ও বীরদের সম্মান এবং জবাবদিহিতার রাজনীতি নিশ্চিত করা হবে : মামুনুল হক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসনের দশ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের রিকশা প্রতীকের প্রার্থী ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূল, কিশোর গ্যাং সংশোধনসহ ১৩ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ঢাকা-১৩ সংসদীয় আসনের সকল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের অংশগ্রহণে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ ও আচরণবিধি প্রতিপালন সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে […]

শহীদ ও বীরদের সম্মান এবং জবাবদিহিতার রাজনীতি নিশ্চিত করা হবে : মামুনুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৭:০৩

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৩ আসনের দশ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের রিকশা প্রতীকের প্রার্থী ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূল, কিশোর গ্যাং সংশোধনসহ ১৩ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ঢাকা-১৩ সংসদীয় আসনের সকল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের অংশগ্রহণে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ ও আচরণবিধি প্রতিপালন সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে তিনি এসব দফা তুলে ধরেন।

তার ঘোষিত ১৩ দফা নির্বাচনী ইশতেহারের মূল বিষয়গুলো হলো—

১. দুর্নীতিমুক্ত ঢাকা-১৩
ভূমি, ট্রেড লাইসেন্স, জন্মনিবন্ধনসহ সব নাগরিক সেবায় ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু করে দালালচক্র উচ্ছেদ করা হবে। উন্নয়ন প্রকল্পের বাজেট, ঠিকাদার ও কাজের অগ্রগতি জনসম্মুখে প্রকাশ করে পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে।

২. সন্ত্রাস, মাদক নির্মূল ও কিশোর গ্যাং সংশোধন
সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ছিনতাই ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে। মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হবে। কিশোর গ্যাং সংশোধনে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে, ব্যর্থ হলে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

৩. নিরাপদ জনপথ ও আইনশৃঙ্খলা জোরদার
ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সিসিটিভি স্থাপন, পর্যাপ্ত সড়কবাতি এবং নিয়মিত পুলিশি টহল জোরদার করা হবে। বাজার, টার্মিনাল ও অফিস এলাকায় বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করা হবে। টেন্ডারবাজি ও রাজনৈতিক চাঁদাবাজি বন্ধ করা হবে।

৪. যানজট নিরসন ও আধুনিক নগর ব্যবস্থাপনা
অসমাপ্ত সড়ককাজ দ্রুত শেষ, ফুটপাত দখলমুক্ত, অবৈধ নির্মাণসামগ্রী অপসারণ এবং সড়ক দ্বীপে সবুজায়ন করা হবে। বেড়িবাঁধে এক্সপ্রেসওয়ে সংযোগ ও মেট্রোরেল সুবিধা সম্প্রসারণে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

৫. জলাবদ্ধতা নিরসন ও পরিবেশ সুরক্ষা
রামচন্দ্রপুর খালসহ সব খাল অবমুক্ত করে সমন্বিত ড্রেনেজ মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করা হবে। আধুনিক ও টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালু করা হবে।

৬. ব্যবসাবান্ধব ঢাকা-১৩
‘এক ছাতার নিচে সব সেবা’ নীতিতে লাইসেন্স প্রক্রিয়া সহজ করা হবে। স্থানীয় শিল্প, ক্ষুদ্র কারখানা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সমস্যা সমাধান এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে।

৭. শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন, শিক্ষক সংকট নিরসন ও আধুনিক ল্যাব স্থাপন করা হবে। কারিগরি ও ভোকেশনাল প্রশিক্ষণ, ফ্রিল্যান্সিং ও আইটি ট্রেনিং সেন্টার চালু করা হবে। বেদখল খেলার মাঠ পুনরুদ্ধার করা হবে।

৮. গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ সংকটের টেকসই সমাধান
সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার দুর্নীতি দূর করে ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করা হবে। ঢাকার অন্যান্য এলাকার সঙ্গে তুলনায় বৈষম্য দূর করে সমান সেবা প্রদান করা হবে।

৯. স্বাস্থ্য ও নাগরিক সেবা সম্প্রসারণ এবং বিহারী ক্যাম্প পুনর্বাসন
সরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের সক্ষমতা বৃদ্ধি, চিকিৎসক ও নার্স সংকট নিরসন এবং আধুনিক ডায়াগনস্টিক সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। টিসিবি ও সামাজিক ভাতা বিতরণে অনিয়ম বন্ধ করা হবে। জেনেভা ক্যাম্প ও বস্তিবাসীদের পুনর্বাসন করা হবে।

১০. ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সামাজিক সম্প্রীতি
সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা, অবকাঠামো উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা হবে। ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করে সামাজিক অবক্ষয় রোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

১১. সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও নাগরিক স্বাধীনতা
নিজ নিজ ধর্ম ও সংস্কৃতি পালনে পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে। স্বাধীনতা, বিজয় ও ভাষা দিবসসহ সব জাতীয় দিবস মর্যাদাপূর্ণভাবে ও সর্বজনীন অংশগ্রহণে উদযাপন করা হবে।

১২. নারী অধিকার ও শিশুর বিকাশ
নারী নিরাপত্তায় সিসিটিভি ও হটলাইন চালু করা হবে। ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পে নারীর কর্মসংস্থান বাড়ানো হবে। শিশুশ্রম বন্ধ এবং ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন করা হবে। পতিতা ও হিজড়া জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৩. শহীদ ও বীরদের সম্মান এবং জবাবদিহিতার রাজনীতি
মুক্তিযোদ্ধা, জুলাইযোদ্ধা ও শাপলার শহীদদের সম্মান, ভাতা ও অধিকার নিশ্চিত করা হবে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন করা হবে। নিয়মিত জনসংযোগ, উন্মুক্ত মতবিনিময় এবং জবাবদিহিমূলক রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করা হবে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১১

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১১

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৭

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১১