বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

‘ছবিতে বাংলাদেশ’— ইবিতে চারুকলার প্রথম বৃহৎ উন্মুক্ত শিল্পকর্ম প্রদর্শনী

ইরফান উল্লাহ, ইবি প্রতিনিধি: মহান বিজয় দিবস ২০২৫ উপলক্ষে ‘ছবিতে বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রথম বৃহৎ উন্মুক্ত শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর আয়োজন করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) চারুকলা বিভাগ। প্রদর্শনীতে অংশ নেন বিভাগটির বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা প্রাঙ্গণে ফিতা কেটে প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপাচার্য নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২১:৫৪

ইরফান উল্লাহ, ইবি প্রতিনিধি:

মহান বিজয় দিবস ২০২৫ উপলক্ষে ‘ছবিতে বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রথম বৃহৎ উন্মুক্ত শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর আয়োজন করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) চারুকলা বিভাগ। প্রদর্শনীতে অংশ নেন বিভাগটির বিভিন্ন শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা প্রাঙ্গণে ফিতা কেটে প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপাচার্য নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম,

রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক, প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলামসহ চারুকলা বিভাগের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। উদ্বোধন শেষে অতিথিরা প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন এবং শিক্ষার্থীদের শিল্পকর্মের প্রশংসা করেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, প্রদর্শনীস্থলে চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের হাতে তৈরি নানান শিল্পকর্মে সাজানো ছিল পুরো প্রাঙ্গণ। দর্শনার্থীদের জন্য স্থাপন করা হয় একাধিক স্টল। এতে ২০ টাকার বিনিময়ে ক্যারিক্যাচার বা ব্যঙ্গচিত্র অঙ্কন করে দেওয়া হয়, অন্য স্টলে দর্শনার্থীদের শরীরে ফ্ল্যাগ, কলকা কিংবা পছন্দ অনুযায়ী নকশা অঙ্কন করা হয়।

পাশাপাশি ছিল লাইভ পোর্ট্রেটের ব্যবস্থা। এছাড়া অনুষ্ঠানে অতিথিদের স্বাগত জানাতে হাতে তৈরি প্রাকৃতিক ফুল দিয়ে বানানো তোড়া ব্যবহার করা হয়। পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল বিজয় দিবসের উৎসবমুখর আবহ ও পরিবেশবান্ধব সংস্কৃতি প্রচারের বার্তা।

দর্শনার্থীদের প্রধান আকর্ষণ ছিল বিভাগের প্রথম থেকে চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীদের আঁকা শতাধিক শিল্পকর্ম। এসব চিত্রে লোকজ শিল্প, গ্রামবাংলার ঐতিহ্য, মুক্তিযুদ্ধ এবং জুলাই বিপ্লবের চিত্র গুরুত্বের সঙ্গে ফুটিয়ে তোলা হয়। চারুকলা বিভাগ প্রতিষ্ঠার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের খোলা প্রাঙ্গণে এটিই ছিল প্রথম বড় পরিসরের প্রদর্শনী।

প্রদর্শনীর স্টলে বিভাগের শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমরা চারুকলার শিক্ষার্থীরা আমাদের নিজ নিজ শিল্পকর্ম এখানে তুলে ধরেছি। পাশাপাশি বাচ্চাদের জন্য ফ্ল্যাগ, কলকা এবং দর্শনার্থীদের চাহিদা অনুযায়ী নকশা এঁকে দিচ্ছি। এখানে ক্যারিক্যাচার ও লাইভ পোর্ট্রেটের ব্যবস্থাও রয়েছে।’

বিভাগের শিক্ষার্থী ইফতিয়াক আহমেদ জানান,‘আমি এখানে ক্যারিক্যাচার অঙ্কন করছি। ক্যারিক্যাচারের মাধ্যমে যে কেউ নিজের চেহারার একটি কার্টুন সংস্করণ দেখতে পারবে। সরাসরি মডেল সামনে রেখে এই চিত্রকর্ম তৈরি করছি। সবাইকে এই প্রদর্শনী ঘুরে দেখার আমন্ত্রণ।’

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘এমন বড় আয়োজনে আমরা সবাই খুব আনন্দিত। দর্শনার্থীদের আগ্রহ দেখে ভবিষ্যতে প্রদর্শনীর সময় আরও বাড়ানোর চিন্তা রয়েছে।’

চারুকলা বিভাগের শিক্ষক মো. রায়হান উদ্দিন ফকির বলেন,‘এই প্রদর্শনীতে গ্রামবাংলার ঐতিহ্য, লোকজ সংস্কৃতি, ক্যাম্পাসের দৃশ্য এবং মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই বিপ্লবের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এটি চারুকলা বিভাগ প্রতিষ্ঠার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে প্রথম বড় আয়োজন। প্রশাসনের সহযোগিতা পেলে ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে বার্ষিক প্রদর্শনীর আয়োজন করা সম্ভব হবে।’

চারুকলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান বলেন, ‘নৈতিকতার আদর্শ ও আলোকিত চেতনার মধ্য দিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় বিজয় দিবস পালন করছে। এর অংশ হিসেবে ‘ছবিতে বাংলাদেশ’ শিল্পকর্ম প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে।

প্রশাসনের সর্বাত্মক সহযোগিতায় এ আয়োজন সম্ভব হয়েছে। এই প্রদর্শনী আমাদের দেশপ্রেমকে আরও শাণিত করবে এবং আগামীর সম্ভাবনাময় বাংলাদেশ গঠনে ভূমিকা রাখবে। আমরা প্রমাণ করতে চেয়েছি ছবি কেবল ছবি নয়।’

উদ্বোধনী বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ‘এই প্রদর্শনীর মাধ্যমে শৈল্পিক উপায়ে পুরো বাংলাদেশকে তুলে ধরা হয়েছে। এসব চিত্রকর্ম শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশপ্রেম জাগ্রত করবে। ছবি শুধু শিল্প নয় এর ভেতরেও জীবন, রাষ্ট্র ও বাংলাদেশকে খুঁজে পাওয়া যায়।’ পরে তিনি ফিতা কেটে প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন এবং চারুকলা বিভাগকে এই উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানান।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।