শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বালুভর্তি ট্রাক দিয়ে সড়ক অবরোধ বিএনপির একাংশ, মিন্টুর শোডাউনে বাধা-হামলা

ফেনীর দাগনভূঞায় বালুভর্তি ট্রাক দিয়ে সড়ক অবরোধ করে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টুর গণসংযোগে বাধা সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে। এসময় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীর ওপর হামলা করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বিকেলে দাগনভূঞা উপজেলা শহরের জিরো পয়েন্ট এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি সেনাসদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল […]

বালুভর্তি ট্রাক দিয়ে সড়ক অবরোধ বিএনপির একাংশ, মিন্টুর শোডাউনে বাধা-হামলা

বালুভর্তি ট্রাক দিয়ে সড়ক অবরোধ বিএনপির একাংশ, মিন্টুর শোডাউনে বাধা-হামলা

নিউজ ডেস্ক

২৮ নভেম্বর ২০২৫, ১০:৩১

ফেনীর দাগনভূঞায় বালুভর্তি ট্রাক দিয়ে সড়ক অবরোধ করে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টুর গণসংযোগে বাধা সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে। এসময় বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মীর ওপর হামলা করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বিকেলে দাগনভূঞা উপজেলা শহরের জিরো পয়েন্ট এলাকায় এসব ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের পাশাপাশি সেনাসদস্যরা দায়িত্ব পালন করেন।


প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সিলোনীয়া বাজারে পথসভা শেষে তুলাতুলি এলাকায় যাওয়ার পথে প্রতিরোধের মুখে পড়ে মিন্টুর গাড়িবহর। ফেনী-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থিতা ঘোষণার পর প্রথমবারের মতো নিজ নির্বাচনি এলাকা সফরে যান আবদুল আউয়াল মিন্টু। আনুষ্ঠানিক প্রচারণাকে কেন্দ্র করে ফেনী-নোয়াখালী সড়কের দাগনভূঞা জিরো পয়েন্ট এলাকায় যানজট তৈরি হয়। সড়কে বালুভর্তি ট্রাক রেখে মিন্টুর গাড়িবহরে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মাহবুবুল হক রিপন, সাইফুর রহমান রতন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আবুল হাসেম বাহাদুর ও জেলা ছাত্রদলের বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি জামসেদুর রহমান ফটিক সমর্থকরা। এতে সড়কে দীর্ঘ যানজটে ভোগান্তিতে পড়ে মানুষ। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।

বাধার মুখে পড়ে মিন্টুকে প্রায় আধাঘণ্টার মতো উপজেলা গেটে গাড়িবহর নিয়ে সড়কে অপেক্ষায় থাকতে হয়। পরে সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় মিন্টুর গাড়িবহর তুলাতুলি বাজারে পৌঁছায়। এসময় তার বহরে থাকা সোনাগাজী উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক খুরশিদ আলমসহ বেশ কয়েকজনের ওপর হামলা করেন অবরোধকারীরা। একপর্যায়ে খুরশিদকে অপহরণের চেষ্টা করেন মাথায় হেলমেট পরা অবরোধের সমর্থনে সড়কে থাকা অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা। এসময় বেশ কয়েকটি গাড়িতে ভাঙচুর চালিয়ে বেগম খালেদা জিয়া, তারেক রহমান ও মিন্টুর ছবি সম্মলিত ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন বিরোধীরা।


পরে মিন্টু তুলাতুলি বাজারে পথসভা শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, তিনি বিএনপি ও ধানের শীষের প্রার্থী। তফসিল ঘোষণা ও প্রার্থী চূড়ান্ত করা হলে সব বিরোধ মিটে যাবে।

প্রতিবদ্ধকতার বিষয়ে মিন্টুর ছোট ভাই ও উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আকবর হোসেন বলেন, ‘বিএনপিতে কোনো সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজের স্থান নেই। এটি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের ঘোষণা।’

দাগনভূঞা পৌরসভা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাইফুর রহমান স্বপন বলেন, দলের প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টুর পক্ষে কাজ করতে তাদের কোনো আপত্তি নেই। তবে মিন্টুর ছোট ভাই আকবর হোসেনের বৃত্ত থেকে বের হতে হবে। ত্যাগীদের বাদ দিয়ে উপজেলা ও পৌর বিএনপির কমিটি নিয়েই মূল বিরোধ।

স্বপনের দাবি, মিন্টুর শোডাউনে অবরোধ নয়, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাইফুর রহমান রতন, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আবুল হাসেম বাহাদুর ও জেলা ছাত্রদলের বহিষ্কৃত সহ-সভাপতি জামসেদুর রহমান ফটিকের কারামুক্তি উপলক্ষে জনতার সংবর্ধনা সভা হয়েছে। মানুষের ভিড়ে গাড়িযট লেগেছে।


গত বছরের ২২ ডিসেম্বর ফেনী জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলালের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে সোনাগাজী ও দাগনভূঞা উপজেলা এবং পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। তারপর থেকেই এ কমিটি বাতিলের দাবিতে দফায় দফায় বিক্ষোভ মিছিলসহ নানা কর্মসূচি পালন করে আসছেন বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

সবশেষ ১৮ জানুয়ারি ফেনী প্রেসক্লাবের সামনের সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন এ দুই উপজেলা থেকে আসা নেতাকর্মীরা। ৫ আগস্ট দাগনভূঞায় বিএনপির বিজয় মিছিলে হামলা করেন আকবর বিরোধীরা। এ ঘটনায় আহত ইঞ্জিনিয়ার এনায়েত উল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলা জামিন নিতে গেলে আদালত তাদের কারাগারের পাঠানোর নির্দেশ দেন। আজ তাদের কারামুক্তি উপলক্ষে সংবর্ধনার আয়োজন করেন আকবর বিরোধীরা।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।