মেহেদী হাসান রাতুল ( সিলেট),
হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে।
এনসিপির অভিযোগ, হামলার ঘটনায় জড়িতদের মধ্যে রয়েছেন হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের ১ নম্বর সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আসিফুল ইসলাম ইমন, বৃন্দাবন সরকারি কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মুজাক্কির হোসেন ইমন, হবিগঞ্জ সদর থানা ছাত্রদলের সদস্যসচিব নাজমুল হাসান অনি এবং জিয়া সাইবার ফোর্সের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-প্রচার সম্পাদক আল সাইমুম।
এ বিষয়ে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে জিয়া সাইবার ফোর্সের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-প্রচার সম্পাদক আল সাইমুম অভিযোগ অস্বীকার করে ভিন্ন দাবি করেন। তিনি বলেন, আজমিরীগঞ্জ ও হবিগঞ্জে অনুষ্ঠিত সমাবেশে এনসিপির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিএনপি নেতা গউছ উদ্দিন
আহমদ, তাঁর সহধর্মিণী এবং বিএনপির নেতাকর্মীদের নিয়ে মিথ্যা ও অশালীন বক্তব্য দেন। এ কারণে নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হলেও হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক সবাইকে সংযত থাকার নির্দেশনা দেন।
আল সাইমুমের দাবি, সমাবেশ শেষে প্রায় এক কিলোমিটার দূরে এনসিপির মিডিয়া টিমের একটি গাড়ি দ্রুতগতিতে তাদের সামনে দিয়ে গেলে কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন গাড়িটিকে ধাওয়া করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এনসিপির নেতাকর্মীরাই প্রথমে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। এর পর ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের বাকবিতণ্ডার মধ্যে তৃতীয় একটি পক্ষ ঘটনাস্থলে প্রবেশ করে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।
তিনি আরও দাবি করেন, ওই সময় আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মীও জনতার ভিড়ে ঢুকে পরিস্থিতির সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করেন।