শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত দপ্তর চলছে ভারপ্রাপ্ত ও অতিরিক্ত দায়িত্বে

রাফি হোসেন কুবি প্রতিনিধি: প্রতিষ্ঠার ১৯ বছর পেরিয়ে গেলেও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় এখনও স্থায়ী কর্মকর্তার অভাব কাটেনি। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ৩টি দপ্তরে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, দুইটি দপ্তরে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পরিচালক পদ শূন্য রেখে দপ্তর প্রধানের মাধ্যমে এবং রেজিস্ট্রার ও জনসংযোগ দপ্তর অতিরিক্ত দায়িত্বে পরিচালিত হচ্ছে। রেজিস্ট্রার দপ্তর সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ […]

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাত দপ্তর চলছে ভারপ্রাপ্ত ও অতিরিক্ত দায়িত্বে

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ নভেম্বর ২০২৫, ১৮:০০

রাফি হোসেন কুবি প্রতিনিধি:

প্রতিষ্ঠার ১৯ বছর পেরিয়ে গেলেও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় এখনও স্থায়ী কর্মকর্তার অভাব কাটেনি। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ ৩টি দপ্তরে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, দুইটি দপ্তরে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পরিচালক পদ শূন্য রেখে দপ্তর প্রধানের মাধ্যমে এবং রেজিস্ট্রার ও জনসংযোগ দপ্তর অতিরিক্ত দায়িত্বে পরিচালিত হচ্ছে।

রেজিস্ট্রার দপ্তর সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব দপ্তর, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ দপ্তর, আইসিটি সেল, জনসংযোগ দপ্তর, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তর, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ও রেজিস্টার দপ্তরসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে স্থায়ী কর্মকর্তা না থাকায় ভারপ্রাপ্ত ও অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে নিয়মিত কার্যক্রম।

বর্তমানে এসব দপ্তরে দায়িত্বে রয়েছেন— অর্থ ও হিসাব দপ্তরে কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া, যিনি ২৯ মে ২০১৮ থেকে ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরে মোহাম্মদ নুরুল করিম চৌধুরী, যিনি ৯ অক্টোবর ২০১৮ থেকে ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক হিসেবে দায়িত্বে আছেন।

আইসিটি সেলে আইসিটি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ মেহেদী হাসান, যিনি গত ০৮ সেপ্টেম্বর থেকে ভারপ্রাপ্ত পরিচালকের দায়িত্ব পেয়েছেন। জনসংযোগ দপ্তরে মোহাম্মদ এমদাদুল হক, যিনি ২০১৭ সালের ২৯ নভেম্বর থেকে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তরে ড. মো. শাহাবুদ্দীন, যিনি গত ০৬ অক্টোবর থেকে দপ্তরপ্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন এবং লাইব্রেরিতে মোঃ মুহিউদ্দীন আলম, যিনি গত বছরের ০২ অক্টোবর থেকে পরিচালকের শূন্য পদে দপ্তরপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এছাড়া রেজিস্ট্রার দপ্তরের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।

রেজিস্ট্রার দপ্তর সূত্রে আরও জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কিছু দপ্তর গত ৭ থেকে ৮ বছর ধরে ভারপ্রাপ্ত ও অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে।

ডেপুটি লাইব্রেরিয়ান মোঃ মুহিউদ্দীন আলম বলেন, ‘আমি ১২ বছর ধরে ডেপুটি লাইব্রেরিয়ান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। কাজের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হচ্ছে না, তবে আমার কোনো হেল্পিং হ্যান্ড না থাকায় পরামর্শ বা প্রশাসনিক কাজে সব একাই করতে হয়। প্রশাসনকে বিষয়টি জানিয়েছি।’

পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ নুরুল করিম চৌধুরী বলেন, ‘আমি দপ্তরের শুরু থেকেই আছি, প্রায় ৭ বছরের বেশি সময় ধরে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। কাজের দিক থেকে সমস্যা নেই, তবে ব্যক্তিগতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি। স্থায়ী পরিচালক নিয়োগ দিলে তা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্যও উপকারী হবে।’

দপ্তর প্রধান (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) উপ-পরিচালক ড. মোঃ শাহাবুদ্দীন বলেন, ‘কাজে কোনো সমস্যা হচ্ছে না, তবে পরিচালক পদে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি হলেও এখনো তা কার্যকর হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ণতা আনতে দ্রুত নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন।’

ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, ‘আমি ৩২ বছরের বেশি সময় ধরে অর্থ ও হিসাব বিভাগে কাজ করছি। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭ বছরের বেশি সময় ধরে ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি এবং অতিরিক্তভাবে রেজিস্ট্রারের দায়িত্বও পালন করছি। অভিজ্ঞতা থাকা সত্ত্বেও এখনো স্থায়ী নিয়োগ দেওয়া হয়নি।’

আইসিটি সেলের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক ড. মেহেদী হাসান বলেন, ‘আমি কয়েক মাস হলো দায়িত্ব পেয়েছি। সব কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্নের চেষ্টা করছি।’

জনসংযোগ কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, ‘আমি উপাচার্য দপ্তরের সহকারী রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্বে আছি, পাশাপাশি জনসংযোগ দপ্তরের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছি। এককভাবে সব কাজ করতে হচ্ছে, এমনকি ছুটির দিনেও কাজ করতে হয়। যদি এখানে জনসংযোগ ও তথ্য কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়, তাহলে আমি আমার কাজে ফিরে যেত পারব।’

এই বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী বলেন, ‘আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা আছে এবং এই কাজগুলো কঠিন; তবুও আমরা চেষ্টা করছি শীঘ্রই চারটি দপ্তরে নিয়োগ দেওয়ার জন্য। কাজ প্রক্রিয়াধীন আছে, তবে নিশ্চিত করে বলতে পারছি না কতটুকু করতে পারব।

২০ বছর ধরে পরিচালক নেই তারাও পারেনি; কিছু জটিলতা আছে। লাইব্রেরিয়ান নিয়োগের ক্ষেত্রে অনেক শর্ত থাকে, যেগুলো পূরণ করে এমন কাউকে পাওয়া যায় না। তাই এখানে এখনো নিয়োগ হয়নি।’

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।