বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয় টিটিসির ক্যাম্পাসে থাকায় ব্যহত হচ্ছে প্রশিক্ষণ

নেত্রকোনা প্রতিনিধি : টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসির) ক্যাম্পাসে “নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়” শুরু থেকে পাঠ দান সহ প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদনে জনশক্তি, শ্রম ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় টিটিসির ডরমেটরি ভবনের কক্ষ ব্যবহারের অনুমতি দেন। কিন্তু অনুমতি না পেলেও টিটিসি একাডেমিক ভবনের চতুর্থ তলায় শ্রেণী কক্ষ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবহার করে আসছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবী সমঝোতার মাধ্যমেই […]

নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয় টিটিসির ক্যাম্পাসে থাকায় ব্যহত হচ্ছে প্রশিক্ষণ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১০ নভেম্বর ২০২৫, ১৫:৫৮

নেত্রকোনা প্রতিনিধি :

টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (টিটিসির) ক্যাম্পাসে “নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়” শুরু থেকে পাঠ দান সহ প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদনে জনশক্তি, শ্রম ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় টিটিসির ডরমেটরি ভবনের কক্ষ ব্যবহারের অনুমতি দেন।

কিন্তু অনুমতি না পেলেও টিটিসি একাডেমিক ভবনের চতুর্থ তলায় শ্রেণী কক্ষ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবহার করে আসছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবী সমঝোতার মাধ্যমেই টিটিসির একাডেমিক ভবনে শ্রেণী কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

একই ভবনে টিটিসির প্রশিক্ষণ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পাঠ দান হওয়ায় প্রায়ই ঘটছে অপ্রীতিকর ঘটনা। এতে টিটিসির প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে। তবে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম গতিশীল করতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস সরিয়ে নিতে জনশক্তি, শ্রম ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের চিঠি পাঠিয়েছেন টিটিসি কর্তৃপক্ষ।

নেত্রকোনা টিটিসি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি নেত্রকোনা জেলার একটি জনগুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। প্রতি বছর এই প্রতিষ্ঠান হতে ১০টি উপজেলার কয়েক হাজার বিদেশগামী মহিলা ও পুরুষ কর্মী প্রি-ডিপার্চার ওরিয়েন্টেশন ও বিভিন্ন ট্রেডে দক্ষতার সনদ অর্জন করে বিদেশে কাজের জন্য যাচ্ছে।

দক্ষতা অর্জন করে তারা দেশের জন্য বিপুল পরিমাণ রেমিট্যান্স প্রেরণ করেন। এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রেটি জেলার বেকার যুবক ও যুব মহিলাদের জন্য কম্পিউটার, গ্রাফিক্স, সুইং মেশিন অপারেশন, ইলেকট্রিক্যাল, ওয়েল্ডিং, অটোক্যাড, প্লাম্বিং এন্ড পাইপ ফিটিং, ড্রাইভিং, টেইলারিং এন্ড ড্রেস মেকিং ও জাপানিজ ভাষা শিক্ষা কোর্সসমূহ চালু রয়েছে।

রাজস্ব বাজেটে এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থায়নে এসব কোর্স পরিচালিত হচ্ছে। প্রতিদিন টিটিসির ক্যাম্পাসে ১১টি ট্রেডে নিয়মিত ১হাজার ৬০জন প্রশিক্ষণার্থী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে আসেন। ২একরের এ ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রতিনিয়ত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, 

 ২০সেপ্টেম্বর ২০১৮ সালে তৎকালীন শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করার জন্য অস্থায়ী ভিত্তিতে ক্যাম্পাস বরাদ্দের জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে পত্র প্রেরণ করেন। পরে ১অক্টোবর ২০১৮ সালে জেলা প্রশাসক টিটিসির অধ্যক্ষকে ডরমেটরি ভবনের কক্ষ ব্যবহারের অনুমতি প্রদানের জন্য পত্র প্রেরণ করেন।

পরে টিটিসির অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) কক্ষ বরাদ্দের জন্য ২অক্টোবর ২০১৮ সালে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর মহাপরিচালকের চিঠি প্রেরণ করেন। ১৫অক্টোবর ২০১৮ সালে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো মহাপরিচালক অস্থায়ী ভিত্তিতে ডরমিটরীর ভবনের কয়েকটি কক্ষে ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদনের জন্য সচিব, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠান।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ২৮অক্টোবর ২০১৮ সালে ৩৪৩ নং স্মারকে টিটিসির ডরমিটরীর কয়েকটি কক্ষ ব্যবহারের অনুমতি প্রদান করা হয়। ওই সেশনে বাংলা, ইংরেজি, অর্থনীতি ও কম্পিউটার সাইন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে ১২০জন শিক্ষার্থী নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কার্যক্রম শুরু হয়।

বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরসহ ৭শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। ১২৫ জন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়ে প্রশাসনিক ও একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে বাস, মাইক্রোবাস ও এ্যাম্বুলেন্সসহ ১৩টি গাড়ি রয়েছে।  

টিটিসি ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা গেছে, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় হতে অনুমোদিত ডরমিটরীর ভবনের কক্ষ গুলোর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নিচ তলার অর্ধেক অংশ, ২য় তলার সকল কক্ষ এবং ৩য় তলার একটি কক্ষ বাদে সবকয়টি কক্ষ সবকটি দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যবহার করে আসছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ব্যতিত একাডেমিক ভবনের ৪র্থ তলার সবকয়টি ল্যাব ও ক্লাসরুম ব্যবহার করছেন। তাদের ব্যবহৃত সকল কক্ষ এবং কম্পিউটার ল্যাবের বিদ্যুৎ বিল টিটিসি পরিশোধ করছে। টিটিসির অনেক ফার্নিচার বিশ্ববিদ্যালয় ব্যবহার করছেন এবং প্রশিক্ষণার্থীদের ব্যবহারের জন্য ফার্নিচারসমূহ ২-৩ টি কক্ষে স্টোর করে রাখার কারণে এগুলো নষ্ট হচ্ছে।

টিটিসির প্রশিক্ষণার্থী ফরিদ শেখ, কামাল, হৃদয়, নাজমা আক্তার সহ অনেকেই বলেন, টিটিসিতে বিভিন্ন বয়সের লোকজন প্রশিক্ষণ নেন। বিশেষ করে পরিবারের হাল ধরতে অনেকেই প্রশিক্ষিত হয়ে বিদেশে গমন করেন। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কম বয়সের।

তাদের চাল চলনে অনেক প্রশিক্ষণার্থী বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে পড়েন। এমনকি প্রায় সময় প্রশিক্ষণার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। আমরা চাই দ্রুত বিশ্ববিদ্যালয় তাদের নিজস্ব ক্যাম্পাসে স্থানান্তর করা হোক। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী বলেন, টিটিসির ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থায়ী কার্যক্রম চলমান। ফলে আমরা স্বাধীন পরিবেশ পাচ্ছি না। প্রতিযোগিতার এ সময়ে লেখাপড়ারও পরিবেশ নেই। নেই গ্রন্থাগার। পাঠদানের উপযোগী করে নিজস্ব ক্যাম্পাসে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিফট করা প্রয়োজন। 

নেত্রকোনা টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) প্রকৌশলী গিয়াস উদ্দিন আহমেদ বলেন, টিটিসির ক্যাম্পাসে নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয় কার্যক্রম শুরু থেকে পরিচালিত হচ্ছে। দীর্ঘদিন বিশ্ববিদ্যালয় এখানে থাকায় টিটিসির প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ব্যহত হচ্ছে।

এ কারণে জাপানী ভাষার কোর্স চালু করতে পারছিনা। প্রায় সময়ই প্রশিক্ষণার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। এছাড়াও অনুমতি না পেলেও টিটিসির একাডেমি ভবনের ৪র্থ তলা ব্যবহার করছেন তারা। বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণী কক্ষের বিদ্যুৎ বিলও টিটিসি পরিশোধ করছে। বিশ্ববিদ্যালয় সরিয়ে নেওয়ার জন্য অধিদপ্তরের চিঠি পাঠিয়েছি। 

নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার হারুন-অর-রশিদ বলেন, ২০১৮-১৯ সেশনে বিশ্ববিদ্যালয় কার্যক্রম টিটিসি ক্যাম্পাসে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো অনুমোদন নিয়ে শুরু হয়। তবে টিটিসির একাডেমি ভবনের শ্রেনী কার্যক্রম উভয় পক্ষের সমঝোতার মাধ্যমেই শুরু হয়। 

বিদ্যুৎ বিলের বিষয়টি শিকার করে তিনি বলেন, একাডেমিক ভবনের বিদ্যুৎ বিল টিটিসি দিচ্ছে। অপরদিকে ডরমেটরী ভবনে টিটিসির স্টাফদের আবাসনের চতুর্থ তলার বিদ্যুৎ বিল বিশ্ববিদ্যালয় পরিশোধ করছে। 

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।