শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ে জনবল নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

নেত্রকোনা প্রতিনিধি: নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (নেবি) জনবল নিয়োগ কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগ ওঠেছে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি নিয়োগে একাধিক চাকুরী প্রত্যাশী এসব অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা দাবি করেন-লিখিত, ব্যবহারিক, শারীরিক ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রকৃত যোগ্য প্রার্থীদের চাকুরী দেওয়া হয়নি। ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে চাকরিবিধি লঙ্ঘন করে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ তাদের। এসব অভিযোগ ওঠেছে নেবি: […]

নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ে জনবল নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মে ২০২৬, ২২:৩৮

নেত্রকোনা প্রতিনিধি:

নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (নেবি) জনবল নিয়োগ কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগ ওঠেছে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি নিয়োগে একাধিক চাকুরী প্রত্যাশী এসব অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা দাবি করেন-লিখিত, ব্যবহারিক, শারীরিক ও মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রকৃত যোগ্য প্রার্থীদের চাকুরী দেওয়া হয়নি। ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে চাকরিবিধি লঙ্ঘন করে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ তাদের। এসব অভিযোগ ওঠেছে নেবি: ভিসি ও ট্রেজারারের বিরুদ্ধে। তবে ভিসির দাবী একটা পক্ষ অপপ্রচার করছে। 

চাকরি প্রার্থীদের দাবী, নিয়োগ প্রক্রিয়ার শেষ ধাপে ফলাফল প্রকাশে চরম অস্বচ্ছতা দেখা গেছে। অনেক ক্ষেত্রে পূর্ণাঙ্গ ফলাফল প্রকাশ না করে গোপনীয়ভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এটি সরকারি নিয়োগ বিধিমালার পরিপন্থী বলে দাবি তাদের। স্থানীয় সুশীল সমাজ ও চাকরিতে আবেদনকারীরা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে চলতি বছরের ১৬ জানুয়ারি থেকে ১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে বিভিন্ন বিভাগের ২৪ জন শিক্ষক, ৩ জন কর্মকর্তা ও ১২ জন কর্মচারী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সেখানে আবেদন জমার জন্য মাত্র ১৫ দিন সময় দেওয়া হয়। অভিযোগকারীরা উল্লেখ করেন সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে সাধারণত এক মাস সময় দেওয়ার বিধান রয়েছে। এছাড়াও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে আবেদনের শেষ সময় ১ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হয়।

কিন্তু পরদিন ২ফেব্রুয়ারি থেকেই ঢাকায় বিভিন্ন বিভাগের নিয়োগ বোর্ড অনুষ্ঠিত হয়। চাকরিবিধি ২০১৮ মোতাবেক বিভাগীয় পরিকল্পনা কমিটির মাধ্যমে আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন করে নিয়োগ পরীক্ষা বোর্ড আয়োজনের বিধান রয়েছে। কিন্তু এসব নিয়ম নীতি কাগজে কলমেই থেকে গেছে নেবি: নিয়োগের ক্ষেত্রে। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষক জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। নিয়োগপ্রাপ্তরা নির্দিষ্ট মতাদর্শের অনুসারী বলেও অভিযোগ তোলা হয়েছে। প্রশাসনিক কর্মকর্তা থেকে শুরু করে অফিস সহায়ক ও নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগেও পছন্দের লোক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগে আরও বলা হয়, সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ বোর্ড আয়োজনের আগে ন্যূনতম পাঁচ কর্মদিবস সময় দেওয়ার নিয়ম থাকলেও ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষের পরিচিত প্রার্থীদের দিয়ে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ঢাকায় নিয়োগ বোর্ড সম্পন্ন করা হয়। এমনকি ৯ ফেব্রুয়ারি রাতে সিন্ডিকেট সভা করে পরদিনই ১৯ জন শিক্ষককে যোগদান করানো হয়। এ সময় সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় চেয়ারম্যান ও মেডিকেল অফিসারকে নেত্রকোনা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের গাড়িতে ঢাকায় নেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ তাদের।

অভিযোগকারীদের ভাষ্য, দীর্ঘদিন পর দেশের মানুষ যখন ভোটাধিকার ফিরে পেয়ে উৎসবমুখর নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত, ঠিক তখনই রাতের আঁধারে ঘুষ বাণিজ্য ও স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। এপ্রিল অনুষ্ঠিত কয়েকটি পদে লিখিত, ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফলও প্রকাশ করা হয়নি।

জানা গেছে, কিছু নির্দিষ্ট শিক্ষককে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিয়ে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। বঞ্চিত করা হচ্ছে যোগ্য ও অভিজ্ঞ শিক্ষকদের। বিভিন্ন ক্লাব ও সংগঠনের কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ করে রাখা হয়েছে। সাংবাদিক সমিতিসহ লেখালেখি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন স্বক্রিয় হতে দিচ্ছে না বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। জাতীয় দিবস ও বিশ্ববিদ্যালয় দিবসসহ বিভিন্ন কর্মসূচির জন্য বাজেট থাকলেও সেগুলোর বাস্তবায়ন করা হয় না বলেও অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা।

নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া প্রার্থী আসিফুর রহমান বলেন, চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশে প্রশ্নবিদ্ধ ও সন্দেহজনক বিষয়। টাকা ছাড়া নেত্রকোনা বিশ্ববিদ্যালয়ে কাউকে চাকরি দেওয়া হয় না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দুর্নীতির শীর্ষে রয়েছে। ভিসি ও ট্রেজারের ঘুষ বাণিজ্য ও দুর্নীতির বিষয়ে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন করা হোক। তাহলে তাদের দুর্নীতির ফিরিস্তি বের হবে। 

প্রার্থী মো. আজহারুল ইসলাম বলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতি করা হয়েছে। দুর্নীতি দমন কমিশন-এর মাধ্যমে তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তিনি লিখিত, ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষার নম্বরপত্র, মূল্যায়ন প্রক্রিয়া এবং নিয়োগ বোর্ডের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া তদন্তের দাবি জানান।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী বলেন, নতুন শিক্ষক নিয়োগের পর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশের পরিবর্তে বৈরী পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এতে শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহত হচ্ছে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের নেতাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের হুমকি-ধামকি দেওয়া হয়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা নেয়নি।

অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড.খন্দকার মোহাম্মদ আশরাফুল মুনিম। তিনি বলেন, এসব অভিযোগ সত্য নয়। এর কোনো আইনগত ভিত্তি নেই। একটি পক্ষ বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।