রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

কারো সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতার সিদ্ধান্ত নেয়নি এনসিপি : সারজিস আলম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেছেন, কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নির্বাচনি জোট বা সমঝোতার সিদ্ধান্ত এখনো নেয়নি এনসিপি। তবে যদি নেয়, তা হবে কেবল সেই দলগুলোর সঙ্গে— যারা জুলাই সনদের সংস্কার বাস্তবায়ন, বিচার নিশ্চিতকরণ, শহীদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধাদের পুনর্বাসন, এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরোধিতা নিয়ে স্পষ্ট অবস্থান রাখবে। সোমবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় […]

কারো সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতার সিদ্ধান্ত নেয়নি এনসিপি : সারজিস আলম

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৮ অক্টোবর ২০২৫, ০৫:১০

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম বলেছেন, কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নির্বাচনি জোট বা সমঝোতার সিদ্ধান্ত এখনো নেয়নি এনসিপি। তবে যদি নেয়, তা হবে কেবল সেই দলগুলোর সঙ্গে— যারা জুলাই সনদের সংস্কার বাস্তবায়ন, বিচার নিশ্চিতকরণ, শহীদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধাদের পুনর্বাসন, এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরোধিতা নিয়ে স্পষ্ট অবস্থান রাখবে।

সোমবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় মানিকগঞ্জে এনসিপির জেলা সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা শহরের সিটি ড্রিম কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী জাহিদুর রহমান, এবং সঞ্চালনা করেন যুগ্ম সমন্বয়কারী এএইচএম মাহফুজ।

সারজিস আলম বলেন, “এনসিপি এখন পর্যন্ত কোনো দলের সঙ্গে ইলেক্ট্ররাল অ্যালায়েন্সে যায়নি। তবে যারা আগামীর বাংলাদেশে জুলাই সনদের প্রতিটি সংস্কার বাস্তবায়নে কাজ করবে, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করবে এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে, তাদের সঙ্গে আমরা আলোচনা করতে পারি।”

শাপলা প্রতীক নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশন এখনো পর্যন্ত শাপলা প্রতীক না দেওয়ার কোনো আইনগত কারণ দেখাতে পারেনি। যদি কমিশন ইচ্ছামতো আচরণ করে, তাহলে তারা একটি সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে পারবে না। এই কমিশনের ওপর জনগণের যেমন আস্থা থাকবে না, এনসিপিরও থাকবে না।” তিনি দাবি করেন, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করেই দেশের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বিশ্বাসযোগ্যতা ফেরাতে হবে।

নির্বাচনের সময়সীমা প্রসঙ্গে সারজিস বলেন, “ফেব্রুয়ারিতেও নির্বাচন হলে আমাদের কোনো সমস্যা নেই। তবে জুলাই সনদের আইনগত ভিত্তি দেওয়া, শহীদদের হত্যার বিচার শুরু করা এবং সংস্কারের দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখানো ছাড়া শুধু নির্বাচনের পরিকল্পনা জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না।”

তিনি বলেন, “জুলাই সনদে যেসব সংস্কারে ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলো দুই-তিন মাসের মধ্যে বাস্তবায়ন সম্ভব। দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারগুলো আগামী সংসদে গঠিত সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর অঙ্গীকার হিসেবে বাস্তবায়ন করতে হবে।”

ভারতীয় আধিপত্যবাদ ও আওয়ামী লীগবিরোধী রাজনীতি নিয়ে সারজিস বলেন, “এই লড়াই বিএনপি বা জামায়াত এককভাবে চালিয়ে যেতে পারবে না। এনসিপি ও তরুণ প্রজন্মকে এতে যুক্ত হতে হবে। কারণ আগামীর বাংলাদেশে দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলন ও জাতীয় স্বার্থরক্ষায় তরুণদের ভূমিকা অপরিহার্য।”

তিনি জানান, এনসিপি ইতোমধ্যে প্রত্যেক জেলায় সাংগঠনিক সমন্বয় সভা করছে, যাতে ডিসেম্বরের মধ্যে প্রতিটি ওয়ার্ডে আহ্বায়ক কমিটি গঠন সম্পন্ন করা যায়। “আমরা জুলাই পদযাত্রার মাধ্যমে জনআন্দোলনের যে ধারা তৈরি করেছি, এখন সেটিকে সাংগঠনিক শক্তিতে রূপ দিচ্ছি,” বলেন সারজিস।

তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, “এনসিপি ভবিষ্যতে একটি শক্তিশালী জাতীয় দল হিসেবে সংসদে জনগণের প্রতিনিধিত্ব করবে। আওয়ামী লীগ ও ভারতীয় আধিপত্যবাদের প্রশ্নে আমরা অতীতের মতো ভবিষ্যতেও আপসহীন থাকব।”

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন এনসিপির ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল্লাহ হায়দার, জেলা নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ের প্রতিনিধিরা।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৪১

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৪৩
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৪১

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৪৩