শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

আজ বাংলার বাঘ শেরে বাংলা এ. কে.ফজলুল হকের জন্মদিন

শেকৃবি প্রতিনিধি আজ ২৬ অক্টোবর, বাংলার বাঘ নামে খ্যাত শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হকের জন্মদিন। ১৮৭৩ সালের এই দিনে বরিশাল জেলার সাতুরিয়া গ্রামে জন্ম নেন তিনি। রাজনীতি, শিক্ষা, কৃষি ও সমাজকল্যাণে তাঁর অসামান্য অবদান তাঁকে ইতিহাসের অবিনাশী স্থানে পৌঁছে দিয়েছে। শেরে বাংলার ছাত্রজীবন ছিল ব্যতিক্রমধর্মী। কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে গণিত, পদার্থ ও রসায়নে অনার্সসহ […]

আজ বাংলার বাঘ শেরে বাংলা এ. কে.ফজলুল হকের জন্মদিন

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৬ অক্টোবর ২০২৫, ২০:০২

শেকৃবি প্রতিনিধি

আজ ২৬ অক্টোবর, বাংলার বাঘ নামে খ্যাত শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হকের জন্মদিন। ১৮৭৩ সালের এই দিনে বরিশাল জেলার সাতুরিয়া গ্রামে জন্ম নেন তিনি। রাজনীতি, শিক্ষা, কৃষি ও সমাজকল্যাণে তাঁর অসামান্য অবদান তাঁকে ইতিহাসের অবিনাশী স্থানে পৌঁছে দিয়েছে।

শেরে বাংলার ছাত্রজীবন ছিল ব্যতিক্রমধর্মী। কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে গণিত, পদার্থ ও রসায়নে অনার্সসহ স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর তিনি আইনশাস্ত্রে পড়াশোনা করেন। কর্মজীবন শুরু করেন একজন দক্ষ আইনজীবী হিসেবে, তবে তাঁর লক্ষ্য ছিল মানুষের মুক্তি। সেই লক্ষ্যেই তিনি পা রাখেন রাজনীতির মঞ্চে।

বাংলার কৃষক, শ্রমজীবী ও দরিদ্র জনগণের উন্নয়ন ছিল তাঁর রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য। তিনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতেন—দেশের মাটির মানুষই জাতির মেরুদণ্ড। কৃষকের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা, ঋণমুক্তি এবং ফসলের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে তিনি যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেন।

কৃষি শিক্ষার উন্নয়নেও শেরে বাংলার ভূমিকা ছিল অবিস্মরণীয়। কৃষির উৎপাদনশীলতা বাড়াতে তিনি বৈজ্ঞানিক গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করেন। তাঁর প্রত্যক্ষ উদ্যোগে ১৯৩৮ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয় “The Bengal Agricultural Institute”, যা পরবর্তীতে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) নামে রূপান্তরিত হয়। আজও এই প্রতিষ্ঠান দেশের কৃষি শিক্ষা ও গবেষণার অগ্রযাত্রায় পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করছে।

১৯৩০-এর দশকে ব্রিটিশ সরকারের প্রণীত “Agricultural Education Scheme” বাস্তবায়নে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর চিন্তা ছিল—প্রতিটি অঞ্চলের কৃষি সমস্যা বোঝার জন্য স্থানীয় পর্যায়ে শিক্ষা ও গবেষণা কেন্দ্র স্থাপন করা। আজকের শেকৃবি তাঁর সেই দৃষ্টিভঙ্গির বাস্তব রূপ, যা দেশের কৃষিক্ষেত্রে অসাধারণ অবদান রাখছে।

শেরে বাংলার রাজনৈতিক জীবনও সমানভাবে উজ্জ্বল। তিনি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে জনগণের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। ‘লাহোর প্রস্তাব’-এর অন্যতম প্রণেতা হিসেবে তিনি ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে বিশেষ স্থান দখল করেন। তবে তাঁর দৃষ্টি সর্বদা ছিল মানবিক—শিক্ষা, খাদ্যনিরাপত্তা ও কৃষি উন্নয়ন ছিল তাঁর নীতির কেন্দ্রবিন্দু।

তাঁর আদর্শ ছিল অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক। তিনি বলতেন, “যে জাতি কৃষককে সম্মান দেয়, সে জাতিই অগ্রসর হয়।” এই দর্শন আজও বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নের মূল অনুপ্রেরণা।

আজ শেরে বাংলার জন্মদিনে জাতি শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে সেই মহান নেতাকে, যিনি রাজনীতি, শিক্ষা ও কৃষিকে একসূত্রে গাঁথে দিয়েছিলেন। শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি গাছ, শ্রেণিকক্ষ ও গবেষণাগার যেন আজও তাঁর প্রজ্ঞার সাক্ষী হয়ে আছে “বাংলার মাটি, বাংলার মানুষ—এই দুই-ই আমার জীবনের মূল প্রেরণা।”

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।