সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

আগামী সংসদে কারা যাবে সেটা নির্ধারণ করবে এনসিপি : সারজিস আলম

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারা সংসদে যাবে, তা নির্ধারণে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে দাবি করেছেন দলটির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমাদের দলই হবে পরবর্তী সংসদের গঠনে অন্যতম নির্ধারক শক্তি। নির্বাচন কমিশন হয় আমাদের ‘শাপলা’ প্রতীক বরাদ্দ দেবে, না হলে কেন দিচ্ছে না—তার আইনি ব্যাখ্যা […]

আগামী সংসদে কারা যাবে সেটা নির্ধারণ করবে এনসিপি : সারজিস আলম

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২২ অক্টোবর ২০২৫, ১১:২৪

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কারা সংসদে যাবে, তা নির্ধারণে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে দাবি করেছেন দলটির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম।

বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমাদের দলই হবে পরবর্তী সংসদের গঠনে অন্যতম নির্ধারক শক্তি। নির্বাচন কমিশন হয় আমাদের ‘শাপলা’ প্রতীক বরাদ্দ দেবে, না হলে কেন দিচ্ছে না—তার আইনি ব্যাখ্যা দিতে হবে।

তিনি অভিযোগ করেন, এনসিপির নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের যেকোনো স্বেচ্ছাচারী আচরণ গ্রহণযোগ্য নয়। আইনগতভাবে কোনো বাধা না থাকা সত্ত্বেও প্রতীক ব্যবহারে ইচ্ছাকৃত বাধা দিলে কমিশনের নিরপেক্ষতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।

এ বিষয়ে প্রয়োজনে এনসিপি আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি রাজপথেও আন্দোলনে নামবে বলে ঘোষণা দেন সারজিস আলম।

সারজিস আলম বলেন, এনসিপি বিশ্বাস করে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাই রাজনীতির চালিকা শক্তি। জুলাই সনদে যেসব প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তার বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ না দেখে আমরা কোনো কাগজে সই করব না।

তার ভাষায়, আমরা দলীয় সুবিধা চাই না। আমরা চাই জনগণের পক্ষে দেওয়া অঙ্গীকারগুলো বাস্তবে রূপ পাক। নির্বাচনে অংশগ্রহণ বা কিছু আসন পাওয়া আমাদের লক্ষ্য নয়; আমাদের লক্ষ্য জনগণের বিশ্বাস অর্জন করা।

এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক আরও বলেন, আসন্ন নির্বাচনে শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তোলার মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করবে এনসিপি। জয়পুরহাটসহ উত্তরাঞ্চলের উন্নয়ন, অবহেলা দূরীকরণ ও সাধারণ মানুষের স্বার্থরক্ষাকেই তারা রাজনৈতিক অগ্রাধিকারে রাখবে।

তার বক্তব্যে উঠে আসে, জনগণের স্বার্থ রক্ষা করতে পারলেই দেশের স্বার্থ রক্ষা সম্ভব। এনসিপি সেই বিশ্বাস থেকেই রাজনীতি করছে।

ইলেক্টোরাল এলায়েন্স বা জোট গঠনের বিষয়ে সারজিস আলম বলেন, এখন পর্যন্ত এনসিপি কোনো দলের সঙ্গে জোটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়নি।

যদি কোনো রাজনৈতিক দল জুলাই সনদের প্রতিটি পয়েন্ট বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে আন্তরিক থাকে এবং গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যার বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়—তাহলে আমরা জোট নিয়ে ভাবতে পারি। নইলে এনসিপি নিজস্ব পরিচয় ও প্রতীক নিয়েই নির্বাচনে অংশ নেবে।

সারজিস আলম স্পষ্টভাবে বলেন, আগামীর রাজনীতি হতে হবে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিতার ওপর ভিত্তি করে। এনসিপি সেই দিকেই এগোচ্ছে। কিন্তু যদি নির্বাচন কমিশন আইন উপেক্ষা করে আমাদের প্রতীক আটকে দেয়, আমরা কেবল আইনি পথে নয়, রাজপথেও লড়াই করব।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪২০

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪২০
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩২৮

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪২০