শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজধানী

সেফ এক্সিট কারা চাইছেন, শিগগিরই তালিকা প্রকাশ করবে এনসিপি

অন্তর্বর্তী সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা সেফ এক্সিট (নিরাপদ প্রস্থান) খুঁজছেন-এমন মন্তব্য করে এনসিপির (জাতীয় নাগরিক পার্টি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম রাজনীতির মাঠে যে ঝড় তুলেছেন তা এখনো বইছে। খোদ উপদেষ্টারাই এতে রসদ জোগাচ্ছেন। নানা মন্তব্য করে রীতিমতো ‘আগুনে ঘি’ ঢালছেন তারা। ইতোমধ্যে অন্তত পাঁচজন উপদেষ্টা নাহিদের বক্তব্যের সূত্র ধরে প্রকাশ্যে তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। বেশ কড়া ভাষায় সমালোচনাও […]

সেফ এক্সিট কারা চাইছেন, শিগগিরই তালিকা প্রকাশ করবে এনসিপি

সেফ এক্সিট কারা চাইছেন, শিগগিরই তালিকা প্রকাশ করবে এনসিপি

নিউজ ডেস্ক

১৪ অক্টোবর ২০২৫, ১০:২১

অন্তর্বর্তী সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা সেফ এক্সিট (নিরাপদ প্রস্থান) খুঁজছেন-এমন মন্তব্য করে এনসিপির (জাতীয় নাগরিক পার্টি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম রাজনীতির মাঠে যে ঝড় তুলেছেন তা এখনো বইছে। খোদ উপদেষ্টারাই এতে রসদ জোগাচ্ছেন। নানা মন্তব্য করে রীতিমতো ‘আগুনে ঘি’ ঢালছেন তারা। ইতোমধ্যে অন্তত পাঁচজন উপদেষ্টা নাহিদের বক্তব্যের সূত্র ধরে প্রকাশ্যে তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। বেশ কড়া ভাষায় সমালোচনাও করেছেন কেউ কেউ।

তবে এনসিপি বলছে, সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টাদের নামের তালিকা তাদের হাতে রয়েছে। কে কোন দলের সঙ্গে হাত মিলিয়ে নিরাপদে সরে পড়তে চাইছেন, তা অবিলম্বে জাতির সামনে তুলে ধরা হবে। প্রসঙ্গত, ৪ অক্টোবর একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘উপদেষ্টাদের অনেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে লিয়াজোঁ করে ফেলেছে, তারা নিজেদের সেফ এক্সিটের কথা ভাবছে।’ তার এ বক্তব্য বারুদের মতো ছড়িয়ে পড়ে। মন্তব্য ও ছবি দিয়ে তৈরি ফটোকার্ড নেটদুনিয়ায় মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায়।

বিতর্কের মুখে এনসিপি নেতারা বলছেন, সেফ এক্সিট নিয়ে নাহিদ ইসলাম যা বলেছেন তা অজানা গোপন কিছু নয়। বরং বিষয়গুলো একেবারেই দৃশ্যমান। যতই দিন যাচ্ছে কয়েকজন উপদেষ্টার ভূমিকা পরিষ্কার হচ্ছে। তারা রীতিমতো একটি রাজনৈতিক দলের আজ্ঞাবহ হয়ে উঠছেন। হয়তো তারা ধরেই নিয়েছেন নিশ্চিতভাবে তাদের পছন্দের দল ক্ষমতায় আসছে। অথচ তারা শত শত লাশের উপরে পা দিয়ে ক্ষমতার চেয়ারে বসেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলটির এক নেতা বলেন, এভাবে কিছু দলীয় আজ্ঞাবহ ব্যক্তিকে উপদেষ্টা পরিষদে নিয়ে আসা ঠিক হয়নি। বরং অভ্যুত্থানের অগ্রভাগে থাকা ছাত্র নেতৃত্ব নিয়ে সরকার গঠিত হলে আজকের পরিণতি দেখতে হতো না। তিনি বলেন, শুধু বিশেষ কোনো রাজনৈতিক দলকে ক্ষমতায় বাসানোর জন্য হাজারো ছাত্র-জনতা রাজপথে অকাতরে প্রাণ দেননি।

নাহিদ ইসলামের বক্তব্য প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্থা শারমিন সোমবার বলেন, আমাদের দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম উপদেষ্টাদের সেফ এক্সিট নিয়ে যা বলেছেন তা নিছক কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য নয়। তিনি (নাহিদ) নিজেও উপদেষ্টা পরিষদে ছিলেন। সরকারের ভেতর থেকে তিনি অনেকের ভূমিকা পর্যবেক্ষণের সুযোগ পেয়েছেন। তবে কোন কোন উপদেষ্টা সেফ এক্সিট চান তাদের নামের তালিকা হয়তো তার কাছে আছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তবে আমরা বাইরে থেকে যা দেখতে পাচ্ছি তা যথেষ্ট হতাশাজনক। অনেকের কোনো উদ্যোগী ভূমিকাও নেই। তাদের দেখে কোনোভাবেই মনে হচ্ছে না যে, একটি রক্তাক্ত অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তারা ক্ষমতায় বসেছেন।

এনসিপি’র নেতারা বলছেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের রেখে যাওয়া সেই মাফিয়া মিডিয়া এস্টাবলিসমেন্ট এখনো বহাল রয়েছে। তারা যে কোনো উপায়ে সরকারে থাকা দু’ছাত্র উপদেষ্টাকে টার্গেট করে সংবাদের শিরোনামে নিয়ে আসে। তারা সুযোগ পেলেই ছাত্র নেতৃত্বকে কোণঠাসা করতে মরিয়া। অথচ প্রকাশ্যে দেশজুড়ে চাঁদাবাজি, দখলবাজি চলছে। এ বিষয়ে তারা টুঁ শব্দ উচ্চারণ করে না।

এনসিপি নেতারা মনে করছেন, ২৪-এর জুলাই যোদ্ধারা পুরোনো রাজনৈতিক এস্টাবলিশমেন্টের হাতে রীতিমতো প্রতারিত হচ্ছে। রাজপথে রক্ত দিয়ে তারা নতুন সূর্যোদয়ের সূচনা করেছিল। কিন্তু খোদ অন্তর্বর্তী সরকারই পথ ভুলে বিপরীত দিকে হাঁটছে। শুধু একটি দল বা গোষ্ঠীকে ক্ষমতার মসনদে বসিয়ে দিতে সরকারের সব কর্মকাণ্ড চলছে। অথচ তরুণ নেতৃত্বের হাত ধরে দেশে বড় ধরনের পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি হয়েছিল।

নাহিদ ইসলামের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এ পর্যন্ত অন্তত পাঁচজন উপদেষ্টা প্রকাশ্যে তাদের প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। এদের মধ্যে আছেন প্রভাবশালী হিসাবে পরিচিত আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, সড়ক পরিবহণ ও সেতু উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন। এদের মধ্যে উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান বক্তব্যের স্বপক্ষে নাহিদ ইসলামকে তথ্য প্রমাণ তুলে ধরার আহ্বান জানান।

এদিকে নাহিদ ইসলামের মন্তব্যের সূত্র ধরে প্রায় একই ধরনের মন্তব্য করেছেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং জুলাই আন্দোলনের আরেক শীর্ষ নেতা সারজিস আলম। তিনি বলেছেন, ‘কিছু উপদেষ্টার মাঝে আমরা এই আচরণ দেখতে পাচ্ছি যে, তারা এখন কোনোভাবে দায়সারা দায়িত্বটা পালন করে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে এক্সিট নিতে পারলেই হলো। দেশে থাকুন আর দেশের বাইরে থাকুন; এই দায়সারা দায়িত্ব নেওয়ার জন্য অভ্যুত্থান-পরবর্তী একটি সরকার কাজ করতে পারে না।’

রাজধানী

আত্মহত্যার আগে ফেসবুকে আবেগঘন পোস্ট,‘তোমার অভাবেই শেষ হয়ে গেলাম’

রাজধানীর ডেমরা পুলিশ লাইন্সে সাইদুল ইসলাম (২১) নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) ভোরে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে জানিয়েছে পুলিশ। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় নয় মাস আগে বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে যোগ দেন সাইদুল। […]

আত্মহত্যার আগে ফেসবুকে আবেগঘন পোস্ট,‘তোমার অভাবেই শেষ হয়ে গেলাম’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৭ জুলাই ২০২৬, ১৭:৫৩

রাজধানীর ডেমরা পুলিশ লাইন্সে সাইদুল ইসলাম (২১) নামে এক পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (১৭ জুলাই) ভোরে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় নয় মাস আগে বাংলাদেশ পুলিশে কনস্টেবল হিসেবে যোগ দেন সাইদুল। তিনি ডেমরা পুলিশ লাইন্সের একটি বহুতল ভবনের নবম তলায় থাকতেন। বৃহস্পতিবার রাতে নিজ কক্ষে গলায় ফাঁস দেন বলে অভিযোগ। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যান।

ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে স্ত্রীকে নিয়ে কিছু পুরোনো ছবি সংযুক্ত করে একটি আবেগঘন পোস্ট করেছিলেন সাইদুল। ওই পোস্টে তিনি ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েন, মানসিক কষ্ট এবং পরিবারের কাছে ক্ষমা চাওয়ার কথা উল্লেখ করেন। পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মোহাম্মদ ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে এবং ঘটনার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানাকে অবহিত করা হয়েছে। পুলিশ মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ যদি আত্মহত্যার চিন্তা বা তীব্র মানসিক সংকটে ভুগে থাকেন, তাহলে বিশ্বস্ত পরিবারের সদস্য, বন্ধু বা একজন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করা গুরুত্বপূর্ণ। জরুরি ঝুঁকি থাকলে স্থানীয় জরুরি সেবার সহায়তা নেওয়া উচিত।

রাজধানী

‘লং মার্চে পাঁচ-ছয় হাজার গাড়ি থেকে কমিয়ে এক হাজারে নিয়ে এসেছি’: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চে পাঁচ থেকে ছয় হাজার গাড়ি অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনায় তা কমিয়ে প্রায় এক হাজারে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, […]

‘লং মার্চে পাঁচ-ছয় হাজার গাড়ি থেকে কমিয়ে এক হাজারে নিয়ে এসেছি’: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:২৩

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চে পাঁচ থেকে ছয় হাজার গাড়ি অংশ নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনায় তা কমিয়ে প্রায় এক হাজারে আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ এবং এর থেকে পরিত্রাণের পথ খুঁজতেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, মানুষের আহ্বানে সাড়া দেওয়ার একটি দায়িত্ব তাদের রয়েছে। সেই জায়গা থেকেই আগামী ৫ সেপ্টেম্বর লং মার্চ কর্মসূচি পালন করা হবে। সকাল ৭টায় ঢাকার শাপলা চত্বর থেকে কর্মসূচি শুরু হবে।

লং মার্চের কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি হতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে প্রথমেই পুলিশের মহাপরিদর্শককে (আইজিপি) চিঠি দেওয়া হয়েছিল এবং আলোচনা হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী গাড়িবহর সড়কের একটি লাইন ব্যবহার করবে। অন্য লাইনগুলোতে লং মার্চের কোনো গাড়ি থাকবে না।

তিনি আরও বলেন, কর্মসূচি ঘিরে বেশ কিছু পরিকল্পনা পরিবর্তন করা হয়েছে। তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে মানুষ এমনিতেই অস্বস্তিতে রয়েছে। দাবি আদায়ের কর্মসূচির কারণে যেন নতুন করে মানুষের ভোগান্তি না হয় এবং কোনো অ্যাম্বুলেন্স যাতে আটকে না পড়ে, সে বিষয়টি বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

গাড়িবহরের আকার প্রসঙ্গে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, “আমাদের লক্ষ্য ছিল পাঁচ-ছয় হাজার গাড়ি যাবে। সেটাও আমরা সংকুচিত করে প্রায় এক হাজার গাড়িতে নিয়ে এসেছি।”

লং মার্চের সূচি তুলে ধরে তিনি জানান, সকাল ৭টায় শাপলা চত্বরে নেতাকর্মীরা জড়ো হবেন। সকাল ৭টা থেকে ৮টা পর্যন্ত সেখানে উদ্বোধনী কর্মসূচি ও শীর্ষ নেতাদের বক্তব্য থাকবে। এরপর সিরিয়াল অনুযায়ী গাড়িগুলো চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করবে।

ঢাকা ছাড়ার পর প্রথম পথসভা হবে সিদ্ধিরগঞ্জের চিটাগাং রোড ট্রাক স্ট্যান্ডে। সকাল ৯টার দিকে সেখানে পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর দুপুর ১২টার দিকে কুমিল্লায় কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে অংশগ্রহণকারীদের দুপুরের খাবারের ব্যবস্থাও থাকবে।

পরবর্তী গন্তব্য ফেনীর মহিপাল। সম্ভাব্য সময় দুপুর ৩টা। সেখানে এনসিপির পাশাপাশি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, খেলাফত মজলিসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

এরপর গাড়িবহর মিরসরাইয়ে পৌঁছাবে। সেখানে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কর্মসূচি শেষে চট্টগ্রামের উদ্দেশে যাত্রা করা হবে। রাত ৯টার দিকে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড ময়দানে পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে বড় ধরনের জনসমাগম হবে বলে আশা প্রকাশ করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

দেশবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, লং মার্চের পথে সাধারণ মানুষের কথা শুনতে চান তারা। স্থানীয় মানুষের সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা জেনে রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম থেকে সেগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করা হবে।

সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির সমালোচনা করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, সরকার বিভিন্ন কর্মসূচিতে প্লেন ও হেলিকপ্টার ভাড়া করে লোকজন নিয়ে হল ভর্তি করে। অন্যদিকে তারা জনগণের প্রয়োজনেই মানুষের কাছে যাচ্ছেন।

সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির সদস্য সচিব ও রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন, দলের মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

রাজধানী

জাহাঙ্গীর গেইটের রাস্তায় লাশ , পাশে ভাঙাচোরা বাইক

রাজধানীর জাহাঙ্গীর গেইট এলাকার রাস্তায় এক ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। ঘটনাস্থলের পাশে একটি ভাঙাচোরা মোটরসাইকেল পড়ে থাকতে দেখা যায়। এতে ওই ব্যক্তির সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রোববার রাতে জাহাঙ্গীর গেইটের সড়কে লাশটি পড়ে থাকতে দেখা যায় বলে জানা গেছে। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা […]

জাহাঙ্গীর গেইটের রাস্তায় লাশ , পাশে ভাঙাচোরা বাইক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৯ আগস্ট ২০২৬, ০০:১৬

রাজধানীর জাহাঙ্গীর গেইট এলাকার রাস্তায় এক ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। ঘটনাস্থলের পাশে একটি ভাঙাচোরা মোটরসাইকেল পড়ে থাকতে দেখা যায়। এতে ওই ব্যক্তির সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

রোববার রাতে জাহাঙ্গীর গেইটের সড়কে লাশটি পড়ে থাকতে দেখা যায় বলে জানা গেছে। পরে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে আসে। ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা মোটরসাইকেলটির বিভিন্ন অংশ ভাঙাচোরা অবস্থায় ছিল।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কোনো দুর্ঘটনার পর ওই ব্যক্তি রাস্তায় পড়ে থাকতে পারেন। তবে কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে এবং নিহত ব্যক্তি মোটরসাইকেলটির চালক ছিলেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঘটনার খবর পেয়ে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন বলে জানা গেছে। নিহত ব্যক্তির পরিচয় এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানার চেষ্টা চলছে।