রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজধানী

সেফ এক্সিট কারা চাইছেন, শিগগিরই তালিকা প্রকাশ করবে এনসিপি

অন্তর্বর্তী সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা সেফ এক্সিট (নিরাপদ প্রস্থান) খুঁজছেন-এমন মন্তব্য করে এনসিপির (জাতীয় নাগরিক পার্টি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম রাজনীতির মাঠে যে ঝড় তুলেছেন তা এখনো বইছে। খোদ উপদেষ্টারাই এতে রসদ জোগাচ্ছেন। নানা মন্তব্য করে রীতিমতো ‘আগুনে ঘি’ ঢালছেন তারা। ইতোমধ্যে অন্তত পাঁচজন উপদেষ্টা নাহিদের বক্তব্যের সূত্র ধরে প্রকাশ্যে তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। বেশ কড়া ভাষায় সমালোচনাও […]

সেফ এক্সিট কারা চাইছেন, শিগগিরই তালিকা প্রকাশ করবে এনসিপি

সেফ এক্সিট কারা চাইছেন, শিগগিরই তালিকা প্রকাশ করবে এনসিপি

নিউজ ডেস্ক

১৪ অক্টোবর ২০২৫, ১০:২১

অন্তর্বর্তী সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টা সেফ এক্সিট (নিরাপদ প্রস্থান) খুঁজছেন-এমন মন্তব্য করে এনসিপির (জাতীয় নাগরিক পার্টি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম রাজনীতির মাঠে যে ঝড় তুলেছেন তা এখনো বইছে। খোদ উপদেষ্টারাই এতে রসদ জোগাচ্ছেন। নানা মন্তব্য করে রীতিমতো ‘আগুনে ঘি’ ঢালছেন তারা। ইতোমধ্যে অন্তত পাঁচজন উপদেষ্টা নাহিদের বক্তব্যের সূত্র ধরে প্রকাশ্যে তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। বেশ কড়া ভাষায় সমালোচনাও করেছেন কেউ কেউ।

তবে এনসিপি বলছে, সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টাদের নামের তালিকা তাদের হাতে রয়েছে। কে কোন দলের সঙ্গে হাত মিলিয়ে নিরাপদে সরে পড়তে চাইছেন, তা অবিলম্বে জাতির সামনে তুলে ধরা হবে। প্রসঙ্গত, ৪ অক্টোবর একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘উপদেষ্টাদের অনেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে লিয়াজোঁ করে ফেলেছে, তারা নিজেদের সেফ এক্সিটের কথা ভাবছে।’ তার এ বক্তব্য বারুদের মতো ছড়িয়ে পড়ে। মন্তব্য ও ছবি দিয়ে তৈরি ফটোকার্ড নেটদুনিয়ায় মুহূর্তে ভাইরাল হয়ে যায়।

বিতর্কের মুখে এনসিপি নেতারা বলছেন, সেফ এক্সিট নিয়ে নাহিদ ইসলাম যা বলেছেন তা অজানা গোপন কিছু নয়। বরং বিষয়গুলো একেবারেই দৃশ্যমান। যতই দিন যাচ্ছে কয়েকজন উপদেষ্টার ভূমিকা পরিষ্কার হচ্ছে। তারা রীতিমতো একটি রাজনৈতিক দলের আজ্ঞাবহ হয়ে উঠছেন। হয়তো তারা ধরেই নিয়েছেন নিশ্চিতভাবে তাদের পছন্দের দল ক্ষমতায় আসছে। অথচ তারা শত শত লাশের উপরে পা দিয়ে ক্ষমতার চেয়ারে বসেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলটির এক নেতা বলেন, এভাবে কিছু দলীয় আজ্ঞাবহ ব্যক্তিকে উপদেষ্টা পরিষদে নিয়ে আসা ঠিক হয়নি। বরং অভ্যুত্থানের অগ্রভাগে থাকা ছাত্র নেতৃত্ব নিয়ে সরকার গঠিত হলে আজকের পরিণতি দেখতে হতো না। তিনি বলেন, শুধু বিশেষ কোনো রাজনৈতিক দলকে ক্ষমতায় বাসানোর জন্য হাজারো ছাত্র-জনতা রাজপথে অকাতরে প্রাণ দেননি।

নাহিদ ইসলামের বক্তব্য প্রসঙ্গে জানতে চাইলে এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্থা শারমিন সোমবার বলেন, আমাদের দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম উপদেষ্টাদের সেফ এক্সিট নিয়ে যা বলেছেন তা নিছক কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য নয়। তিনি (নাহিদ) নিজেও উপদেষ্টা পরিষদে ছিলেন। সরকারের ভেতর থেকে তিনি অনেকের ভূমিকা পর্যবেক্ষণের সুযোগ পেয়েছেন। তবে কোন কোন উপদেষ্টা সেফ এক্সিট চান তাদের নামের তালিকা হয়তো তার কাছে আছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তবে আমরা বাইরে থেকে যা দেখতে পাচ্ছি তা যথেষ্ট হতাশাজনক। অনেকের কোনো উদ্যোগী ভূমিকাও নেই। তাদের দেখে কোনোভাবেই মনে হচ্ছে না যে, একটি রক্তাক্ত অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তারা ক্ষমতায় বসেছেন।

এনসিপি’র নেতারা বলছেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের রেখে যাওয়া সেই মাফিয়া মিডিয়া এস্টাবলিসমেন্ট এখনো বহাল রয়েছে। তারা যে কোনো উপায়ে সরকারে থাকা দু’ছাত্র উপদেষ্টাকে টার্গেট করে সংবাদের শিরোনামে নিয়ে আসে। তারা সুযোগ পেলেই ছাত্র নেতৃত্বকে কোণঠাসা করতে মরিয়া। অথচ প্রকাশ্যে দেশজুড়ে চাঁদাবাজি, দখলবাজি চলছে। এ বিষয়ে তারা টুঁ শব্দ উচ্চারণ করে না।

এনসিপি নেতারা মনে করছেন, ২৪-এর জুলাই যোদ্ধারা পুরোনো রাজনৈতিক এস্টাবলিশমেন্টের হাতে রীতিমতো প্রতারিত হচ্ছে। রাজপথে রক্ত দিয়ে তারা নতুন সূর্যোদয়ের সূচনা করেছিল। কিন্তু খোদ অন্তর্বর্তী সরকারই পথ ভুলে বিপরীত দিকে হাঁটছে। শুধু একটি দল বা গোষ্ঠীকে ক্ষমতার মসনদে বসিয়ে দিতে সরকারের সব কর্মকাণ্ড চলছে। অথচ তরুণ নেতৃত্বের হাত ধরে দেশে বড় ধরনের পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি হয়েছিল।

নাহিদ ইসলামের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এ পর্যন্ত অন্তত পাঁচজন উপদেষ্টা প্রকাশ্যে তাদের প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। এদের মধ্যে আছেন প্রভাবশালী হিসাবে পরিচিত আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, সড়ক পরিবহণ ও সেতু উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং ধর্ম উপদেষ্টা আ ফ ম খালিদ হোসেন। এদের মধ্যে উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান বক্তব্যের স্বপক্ষে নাহিদ ইসলামকে তথ্য প্রমাণ তুলে ধরার আহ্বান জানান।

এদিকে নাহিদ ইসলামের মন্তব্যের সূত্র ধরে প্রায় একই ধরনের মন্তব্য করেছেন এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক এবং জুলাই আন্দোলনের আরেক শীর্ষ নেতা সারজিস আলম। তিনি বলেছেন, ‘কিছু উপদেষ্টার মাঝে আমরা এই আচরণ দেখতে পাচ্ছি যে, তারা এখন কোনোভাবে দায়সারা দায়িত্বটা পালন করে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে এক্সিট নিতে পারলেই হলো। দেশে থাকুন আর দেশের বাইরে থাকুন; এই দায়সারা দায়িত্ব নেওয়ার জন্য অভ্যুত্থান-পরবর্তী একটি সরকার কাজ করতে পারে না।’

রাজধানী

পল্লবীতে ৭ বছরের শিশুকে গলা কেটে হত্যা: অভিযুক্ত সোহেল ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে (৩৪) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোস্তাক সরকার জানান, আসামিকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত জানানো হবে। এর আগে আজ বেলা সাড়ে ১১টার […]

নিউজ ডেস্ক

১৯ মে ২০২৬, ২২:৪৬

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিশু রামিসা আক্তারকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সোহেল রানাকে (৩৪) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোস্তাক সরকার জানান, আসামিকে বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

এর আগে আজ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মিরপুর–১১ নম্বরের সেকশনের বি ব্লকের সাত নম্বর সড়কের ৩৯ নম্বর বাড়ির তিনতলার একটি ফ্ল্যাট থেকে রামিসার খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। শিশুটিকে হত্যার পর তার মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়। বিচ্ছিন্ন মাথা শৌচাগারে পাওয়া যায়। শিশুটির শরীরের মূল অংশটি পাওয়া যায় খাটের নিচ থেকে।

পুলিশ জানায়, সোহেল রানা ওই কক্ষে দুই মাস আগে স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস শুরু করেন। ঘটনার পর তিনি শৌচাগারের গ্রিল ভেঙে পালিয়ে যান। তবে ওই বাসা থেকে তাঁর স্ত্রীকে তখনই আটক করা হয়।

পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, শিশুটির নিখোঁজের এক ঘণ্টার মধ্যেই পাশের ফ্ল্যাট থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়। শিশুটিকে হত্যা করা হয় আজ সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১১টার মধ্যে। ৯৯৯ নম্বরে সংবাদ পেয়ে বেলা ১১টার পর শিশুটির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ ও পরিবার জানায়, রামিসা আক্তার স্থানীয় একটি স্কুলে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ত। তাঁর বাবার নাম আবদুল হান্নান মোল্লা। তিনি একটি রিকুটিং এজেন্সিতে চাকরি করেন। মায়ের নাম পারভীন আক্তার। তাঁদের দুই মেয়ের মধ্যে রামিসা ছোট। বড় মেয়ে রাইসা আক্তার স্থানীয় একটি স্কুলের নবম শ্রেণিতে পড়ে।

পরিবারটি প্রায় ১৭ বছর ধরে পল্লবীর মিরপুর–১১ নম্বরের সেকশনের বি ব্লকের সাত নম্বর সড়কের ৩৯ নম্বর বাড়ির তিনতলার উত্তর
পাশের ফ্ল্যাটে বসবাস করছে। শিশুটির লাশ পাওয়া যায় পাশের ফ্ল্যাটের একটি কক্ষ থেকে।

রাজধানী

স্ত্রীকে নিয়ে নেপাল থেকে ঢাকা ফেরার পরপরই বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার ‘পিচ্চি রাজা’

ঢাকার শীর্ষ মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত ‘পিচ্চি রাজাকে’ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। স্ত্রীকে নিয়ে নেপাল থেকে ঢাকা ফেরার পরপরই বিমানবন্দর এলাকায় ওত পেতে থাকা পুলিশ দল তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মোহাম্মদপুর জোনের অতিরিক্ত […]

নিউজ ডেস্ক

১৯ মে ২০২৬, ২২:২৪

ঢাকার শীর্ষ মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত ‘পিচ্চি রাজাকে’ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। স্ত্রীকে নিয়ে নেপাল থেকে ঢাকা ফেরার পরপরই বিমানবন্দর এলাকায় ওত পেতে থাকা পুলিশ দল তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মোহাম্মদপুর জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) জুয়েল রানা। তিনি জানান, কিছু সময় আগে পিচ্চি রাজাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তাকে আইনি প্রক্রিয়া ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মোহাম্মদপুর থানায় আনা হচ্ছে।

এডিসি জুয়েল রানা অভিযানের বিবরণ দিয়ে জানান, পিচ্চি রাজা, তার স্ত্রী এবং শ্যালক নেপাল থেকে বিমানে করে দেশে ফিরছেন—এমন একটি সুনির্দিষ্ট ও গোপন খবর আসে পুলিশের কাছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের একটি বিশেষ দল আগে থেকেই বিমানবন্দর এলাকায় অবস্থান নেয়।

বিমান থেকে নামার পরপরই তাকে ও তার সহযোগীদের আটক করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এই শীর্ষ সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ২৫ থেকে ২৭টি মামলা রয়েছে।

পুলিশের নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা গেছে, পিচ্চি রাজা দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীতে বড় ধরনের মাদক সিন্ডিকেট ও কারবারের সঙ্গে জড়িত। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারিতে ছিলেন।

এর আগে ২০২৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বরও তাকে একবার গ্রেফতার করা হয়েছিল। সে সময় তার আস্তানা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছিল বলে জানিয়েছিল পুলিশ। জামিনে বেরিয়ে আবারও অপরাধ জগতে জড়িয়ে পড়া এই সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তারের ফলে রাজধানীর মাদক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বড় সাফল্য আসবে বলে মনে করছে পুলিশ।

রাজধানী

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূকম্পন অনুভূত

রোববার (৭ জুন) রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে এ কম্পন অনুভূত হয়। বিস্তারিত আসছে…

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূকম্পন অনুভূত

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৭ জুন ২০২৬, ২৩:৫৬

রোববার (৭ জুন) রাত ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে এ কম্পন অনুভূত হয়।

বিস্তারিত আসছে…