সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

রোগীর চাপে হিমশিম গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স; ১০০ শয্যের দাবি

চলনবিল অধুষ্যিত গুরুদাসপুর উপজেলার একমাত্র স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। এটি চলনবিলের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত হওয়ায় সেখানে গুরুদাসপুর সহ বড়াইগ্রাম, চাটমোহর, সিংড়া, তাড়াশ উপজেলার শত শত রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন এই হাসপাতালে।  ভৌগলিক কারণে আশপাশের বৃহৎ একটি অংশ এই হাসপাতালের ওপর নির্ভরশীল। ফলে হাসপাতালটি ৫০ শয্যের হলেও রোগীর আনাগোনা হয় ১০০ শয্যের বেশি। প্রতিনিয়ত গুরুদাসপুর […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৪ অক্টোবর ২০২৫, ১৫:৪২

চলনবিল অধুষ্যিত গুরুদাসপুর উপজেলার একমাত্র স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। এটি চলনবিলের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত হওয়ায় সেখানে গুরুদাসপুর সহ বড়াইগ্রাম, চাটমোহর, সিংড়া, তাড়াশ উপজেলার শত শত রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন এই হাসপাতালে। 

ভৌগলিক কারণে আশপাশের বৃহৎ একটি অংশ এই হাসপাতালের ওপর নির্ভরশীল। ফলে হাসপাতালটি ৫০ শয্যের হলেও রোগীর আনাগোনা হয় ১০০ শয্যের বেশি।

প্রতিনিয়ত গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চলছে এমন পরিস্থিতি। দুর্ভোগ লাঘবে হাসপাতালটিকে ১০০ শয্যে উন্নীতের দাবি চিকিৎসক ও রোগীদের। হাসপাতাল সূত্র বলছে, ২০০৯ সালে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৩১ শয্য থেকে ৫০ শয্যে উন্নীত করা হয়। সুযোগ সুবিধা বাড়ায় তখন থেকেই রোগীর চাপ বাড়তে থাকে। 

জ¦র-সর্দি থেকে শুরু করে হৃদরোগ। রয়েছে স্বাভাবিক জন্মদান, সিজারিয়ান, হার্নিয়া অপারেশনও। এসব রোগ নিয়ে ২৪ ঘন্টা অনরগল হাসপাতালে আসছেন রোগীরা। রোগীর তুলনায় হাসপাতালের জনবল-অবকাঠামো কম হওয়ায় চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসকরা। দুর্ভোগ বাড়ছে রোগীরও।

হাসপাতালের হিসেব অনুযায় গেল বছরের জুন ২০২৪ থেকে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এক বছরে জরুরী, ভর্তি ও বহির্বিভাগ মিলিয়ে ২ লাখ ৮০ হাজার ৫১৯ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। একই সময়ে আল্ট্রা করিয়েছেন ২ হাজার ৬০০। 

এছাড়া ই সি জি ২২৬৩ ও বিভিন্ন ধরণের পরীক্ষা করিয়েছেন ১২ হাজার ৬৪৫ জন রোগী। তবে ৩৫৯টি এক্সের পর অকেজো হয়ে পড়ে আছে পুড়নো এক্স-রে মেশিন।

হিসেব মতে, এই সময়ে হাসপাতালে সিজারিয়ান অপারেশন করা হয়েছে অন্তত ২০০ প্রসূতির। হাসপাতালে ভর্তি হয়ে স্বাভাবিকভাবে সন্তান জন্ম দিয়েছেন ৬০০জন প্রসূতি।

হাসপাতালের কয়েকজন সেবিকা (নার্স) এর সাথে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তারা বলেন, প্রতি মাসে ১ হাজার থেকে ১হাজার ৫০০ পর্যন্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি থাকেন। ডায়রীয়া বা ঠান্ডাজণিত রোগের প্রকোপ বাড়লে হাসপাতালের বাড়ান্দায় রোগীদের বিছানা দিতে হয়।

তারা বলেন, হাসপাতালে ওষুধ এবং জনবল বরাদ্দ রয়েছে ৫০ শয্যের। কিন্তু রোগী বাড়ায় একই জনবল নিয়ে চিকিৎসা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। অনেক সময় সরকারি ওষুধ সংকট পড়ায় রোগীর স্বজনদের কাছে তিরস্কারের শিকারও হতে হচ্ছে। তারা চান রোগীর কথা বিবেচনায় এনে এই হাসপাতালটিকে ১০০ শয্যে উন্নীত করা হোক।  

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র জানিয়েছে, ৫০ শয্যের এই হাসপাতালে মোট ২৮ জন চিকিৎসকের পদ রয়েছে। হাসপাতালে রোগীর চাপ বাড়লেও সপ্তাহে দুইদিন হাসপাতালে রোগী দেখছেন হৃদরোগ, মেডিসিন, নাক-কান-গলা, গাইনী ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।

তাছাড়া ইউনানি চিকিৎসক দীর্ঘদিন ধরে ডেপুটেশনে আছেন। পর্যাপ্ত সেবীকা (নার্স) থাকলেও তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির জনবলও সংকট রয়েছে।

মেডিকেল অফিসার অহিদুজ্জামান রুবেল, চৈতি মুন্সি, রাজিব হোসেন বলেন, একজন চিকিৎসক প্রতিদিন অন্তত শতাধিক রোগীকে চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন।

বেশিরভাগ দিনেই দুপুর ৩টা পর্যন্ত রোগী দেখতে হচ্ছে। এছাড়া সিজারিয়ান অপারেশন রয়েছে। এতো রোগীকে চিকিৎসা সেবা দিতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন তারা। ৫০ শয্যের এই কাঠামো বদলে হাসপাতালটিকে ১০০ শয্য করার দাবি চিকিৎসকদেরও।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, হাসপাতালের বহির্বিভাগে রোগীদের দীর্ঘ লাইন। আন্তঃবিভাগেও শয্য না থাকায় মেঝে এবং বাড়ান্দায় রোগীদের বিছানা দেওয়া হয়েছে। এনসিডি কর্ণারেও শ’দুয়েক রোগী উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিকের চিকিৎসা নেওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন।

তাড়াশ থেকে চিকিৎসা নিতে আসা আনোয়ারা বেওয়া ও বড়াইগ্রামের আমেনা বেগম, সিংড়ার গুটিমহিষমাড়ির সেলেনা আক্তারসহ অন্তত ১০-১৫ জন রোগী ‘‘দৈনিক সকাল’’ কে জানান- আশপাশের অন্যান্য হাসপাতালের তুলনায় এখানে ভালো চিকিৎসা পাওয়া যায়।

একারণে তারা অনেক সকালে এসে লাইনে দাঁড়িয়েছেন। কষ্ট হলেও চিকিৎসা নিয়ে ফিরবেন। তবে রোগীদের স্বার্থে চিকিৎসক ও অন্যান্য সুবিধা বাড়ানোর দাবি করছেন তারা।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আলমাছ হোসেন ‘‘দৈনিক সকাল’’ কে বলেন, সীমিত জনবল নিয়ে বৃহৎ পরিসরে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। অন্য হাসপাতাল থেকে অ্যানেসথেশিয়া এনে সিজারিয়ান অপারেশন চালু রেখেছেন তিনি।

সার্বিকভাবে রোগীর চাপ বাড়ায় চিকিৎসকরা সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। সার্বিকভাবে বিবেচনা করলে হাসপাতালটি ১০০ শয্যে উন্নীত করা উচিত। ১০০ শয্যা ‍উন্নীত হলে চিকিৎসাসেবা সহ আরও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন চলনবিলের লাখো মানুষ। 

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।