বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

খাসজমি দখল ও হামলার অভিযোগে বিএনপি নেতার জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

কলাপাড়া (পটুয়াখালী)প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ডালবুগঞ্জ ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর হাওলাদারের বিরুদ্ধে জমি দখল, বসতবাড়ির মাটি কেটে মাছের ঘের নির্মাণ এবং হামলা-লুটপাটের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আছিয়া বেগম নামের এক ভূক্তভোগী নারী। এমনকি মিথ্যা মামলা দিয়ে তার স্বামীকে কারাগারেও পাঠানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে এগারোটায় কলাপাড়া প্রেসক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুর রহমান […]

খাসজমি দখল ও হামলার অভিযোগে বিএনপি নেতার জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১:০৬

কলাপাড়া (পটুয়াখালী)প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ডালবুগঞ্জ ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর হাওলাদারের বিরুদ্ধে জমি দখল, বসতবাড়ির মাটি কেটে মাছের ঘের নির্মাণ এবং হামলা-লুটপাটের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আছিয়া বেগম নামের এক ভূক্তভোগী নারী। এমনকি মিথ্যা মামলা দিয়ে তার স্বামীকে কারাগারেও পাঠানো হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে এগারোটায় কলাপাড়া প্রেসক্লাবের ইঞ্জিনিয়ার তৌহিদুর রহমান মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় আছিয়া বেগমের মেয়ে মোসা: ঝুমুর ও পুত্রবধু সারমিন উপস্থিত ছিলেন।

ভুক্তভোগী আছিয়া বেগম লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করেন, উপজেলার ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের উত্তর মনসাতলী ও মেহেরপুর সীমান্তবর্তী এলাকায় প্রায় ৩০ বছর ধরে সরকারি খাসজমিতে বসবাস করে আসছেন তাদের পরিবার। তারা ভূমিহীন। তাদের প্রতিপক্ষ একই এলাকার জাহাঙ্গীর হাওলাদার তার স্বামী মোস্তফা হাওলাদারের বিরুদ্ধে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে একটি মিথ্যা মামলা দিয়ে গত ২৯ আগস্ট থানা পুলিশের মাধ্যমে গ্রেফতার করিয়ে জেল হাজতে পাঠান। গত ৩১ আগস্ট জাহাঙ্গীর ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে তার দুই ছেলে ও স্ত্রীকে নিয়ে আছিয়ার বেগমের বসতবাড়ির মাটি কেটে মাছের ঘের ও নতুন ঘরের নির্মাণ কাজ শুরু করে।

এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে আছিয়া ঘর নির্মান কাজে বাঁধা দিলে জাহাঙ্গীর তাদের খুন জখমের ভয় দেখিয়ে তাড়িয়ে দেয়। পরে উপায়ন্ত না পেয়ে তারা মহিপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসের ভূমি সহকারি কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবগত করেন। সে সরেজমিনে গিয়ে জাহাঙ্গীরকে খাস জমিতে সকল ধরনের নির্মাণ বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করেন। তারপরও সে ক্ষমতাসীন দলের ছত্রছায়ায় মাটি কাটা অব্যাহত রাখে। বিষয়টি নিয়ে তিনি ০৪ অক্টোবর কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। ইউএনও অভিযোগটি আমলে নিয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ প্রদান করেন।

আছিয়া বেগম আরো বলেন, এর আগে গত ৯ অক্টোবর দুপুরে জাহাঙ্গীর তার পরিবারের সদস্য এবং প্রভাবশালীদের নিয়ে আছিয়াকে সহ তার স্বজনদের মারধর ও স্বর্নালংকার লুট করেন। তাদের মারধরে তিনি গুরুতর আহত হয়ে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি হন। পরবর্তীতে জাহাঙ্গীর কর্তব্যরত চিকিৎসককে ম্যানেজ করে জোরপূর্বক তাকে হাসপাতাল থেকে নামিয়ে দেয়। এ ঘটনায় আছিয়া আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। বর্তমানে আছিয়ার স্বামী জেলে রয়েছেন। আর আছিয়া সহ তার পরিবারের অনন্য সদস্যরা প্রতিপক্ষ জাহাঙ্গীরের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। 

তিনি আরো বলেন, মহিপুর থানা বিএনপির সভাপতি জলিল হাওলাদারের ছত্র ছায়ায় জাহাঙ্গীর হাওলাদার তাদের ব্যাপক নির্যাতন চালিয়ে আসছে।

 এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর হাওলাদার বলেন, আমি বিদেশ থাকাকালীন সময়ে বারেক ভাইকে ৪লাখ টাকা ধার দেই। সেই টাকা চাওয়ায় তার সাথে বাকবিতণ্ডা হয় এক পর্যায়ে বারেক ও মোস্তফা হালাদার ও তাদের ছেলেরা আমাকে বেধড়ক মারধর করে, এতে আমি গুরুতর রক্তাক্ত জখম হই। পরে কলাপাড়া হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেই। পরবর্তীতে আমার নিরাপত্তার স্বার্থে অভিযুক্ত সকলের বিরুদ্ধে আমি মামলা দায়ের করি। মোস্তফা ভাইয়ের পরিবারের উচ্ছেদ ও জমি জমা নিয়ে আমার সাথে কোন বিরোধ নেই। তাদের উপর হামলাও করিনি। অথচ আমার বিরুদ্ধে আদালতে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। এছাড়া আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন উদ্দেশ্যপ্রণদিত।

মহিপুর থানা বিএনপির সভাপতি জলিল হাওলাদার বলেন, আছিয়াকে চিনিনা। তারা এ বিষয়টি নিয়ে আমার কাছে আসেনী। আমার ছত্রছায়ায় জাহাঙ্গীর এসব কাজ করেছে। এই অভিযোগের প্রমাণ তাদেরকে দেখাতে বলেন। আমাকে সামাজিকভাবে হয়েও প্রতিপন্ন করার জন্য আমার বিরুদ্ধে এসব মিথ্যা বানোয়াট অভিযোগ আনা হয়েছে।

মহিপুর থানার ওসি তদন্ত রাসেল আহমেদ বলেন, বিষয়টি আমরা অবগত নয়। খোজ খবর নিয়ে দেখা হচ্ছে।

সারাদেশ

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে। হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া […]

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে।

হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য থেকে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান ও বাড়ি ফেরার আগের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে এসব তথ্য জানা গেছে।

হোটেলের রেজিস্টার অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে কক্সবাজারের কলাতলীতে কুটুমবাড়ি-সংলগ্ন সড়কের শেষ মাথায় অবস্থিত একটি তিনতলা আবাসিক হোটেলের ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠে তাজমিন ও রিয়াজ। সেখানে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’ এবং বয়স ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়। রিয়াজের ঠিকানা হিসেবে বান্দরবানের লামা এলাকার তথ্য দেওয়া হয়। তার বাবার নাম লেখা হয় মনির আহমদ।

হোটেলের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এক রাত অবস্থানের পর ৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে তারা হোটেল ছেড়ে চলে যান। রেজিস্টারে রিয়াজের দুটি মুঠোফোন নম্বর ও একটি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও পাওয়া গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর হোটেল ছাড়ার পর রিয়াজ তাজমিনকে কুমিল্লাগামী একটি বাসে তুলে দেন। এরপর বাড়ি ফেরার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে তাজমিন। অভিযোগ অনুযায়ী, অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন।

পরদিন ৮ অক্টোবর সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ভোরালজগপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা হয়।

রিয়াজের এক সহকর্মীর দাবি, ঘটনার প্রায় ১৭ দিন আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে তাজমিন কক্সবাজারে গেলে তারা একসঙ্গে সময় কাটান।

তবে রিয়াজের ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সূত্রের দাবি, প্রায় পাঁচ মাস আগে তাদের পরিচয় হয়েছিল এবং এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

তাজমিনের বাড়ি ছাড়ার বিষয়ে জানা যায়, গত ৪ অক্টোবর এক বান্ধবীকে হাতঘড়ি দেওয়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর সে বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বান্ধবীর কাছে যায়।

সেখান থেকে মুঠোফোনে রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে কক্সবাজারে আসতে বলা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। যাতায়াতের খরচ হিসেবে রিয়াজ বিকাশের মাধ্যমে ৫০০ টাকা পাঠিয়েছিলেন বলেও জানা গেছে।

সহকর্মী জানান, কক্সবাজার থেকে ফেরার জন্য ‘আইকনিক এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি বাসের টিকিট কিনে তাজমিনকে তুলে দেন রিয়াজ। টিকিটের মূল্য ছিল ৯০০ টাকা।

ওই সহকর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিল্লায় পৌঁছে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠার পরও তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের মুঠোফোনে যোগাযোগ হচ্ছিল। এমনকি অটোরিকশাচালক সম্পর্কে কিছু তথ্যও রিয়াজকে জানিয়েছিল তাজমিন।

তবে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তাজমিনের মুঠোফোনের লাইভ লোকেশন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন ওই সহকর্মী।

পরদিন টেলিভিশনের সংবাদে তাজমিনের হত্যার খবর জানতে পেরে রিয়াজ হতবাক হয়ে পড়েন বলেও জানান তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রিয়াজের এক সহকর্মী আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশের পর রিয়াজ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এ সময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সহযোগিতা চান। তাজমিনের হত্যার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

ওই সহকর্মীর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াজ প্রায় তিন বছর ধরে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করছেন। ঘটনার পর তিনি কর্মস্থল থেকে ছুটিতে রয়েছেন।

এদিকে রিয়াজের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য সরাসরি জানা সম্ভব হয়নি।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তাজমিন হত্যার ঘটনায় মুঠোফোনের কললিস্টসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার আসামি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও পরিষ্কার হবে।

তবে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান, হোটেলের রেজিস্টারে ভিন্ন নাম ও বয়স ব্যবহার এবং রিয়াজের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়গুলো তদন্তে কীভাবে বিবেচিত হচ্ছে, তা এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

সারাদেশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি  নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম […]

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি 

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ ও সেনবাগ থানা পুলিশকে ঘটনাটি জানান।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, চোরেরা অফিস কক্ষে প্রবেশের পর দুটি স্টিলের আলমিরা ও একটি ফাইল কেবিনেটের তালা ভেঙে ফেলে। এরপর সেখান থেকে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সেনবাগ থানার ওসি (তদন্ত) মো. হযরত আলী মিলন গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি এবং এ ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।

সারাদেশ

মধুপুরে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকের কলা ও আনারস বাগানের বেহাল অবস্থা

মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান। কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক […]

মধুপুরে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকের কলা ও আনারস বাগানের বেহাল অবস্থা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২১

মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান।

কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক পুঁজি তিনি আনারস ও কলাবাগানে ব্যয় করেছেন। আকস্মিক এই ঝড়ে তার সব আশা-আকাঙ্ক্ষা যেন মুহূর্তেই শেষ হয়ে গেছে।

কৃষকদের কাছে কলাগাছের মাজা ভেঙে যাওয়া শুধু একটি গাছের ক্ষতি নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে তাদের পরিবারের স্বপ্ন ও জীবিকার হিসাব। আকস্মিক এই ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের এখন ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষা।