শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. জাহাঙ্গীর আলমের সফলতার এক বছর

আবু তাহের, ক্যাম্পাস সংবাদদাতা, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সপ্তম উপাচার্য হিসেবে বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম ২০২৪ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থির পরিবেশের মধ্যে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করে সফলতার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করছেন এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি হাতে নিয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে এগিয়ে নিচ্ছেন। তাঁর […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০১:৩৯

আবু তাহের, ক্যাম্পাস সংবাদদাতা, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সপ্তম উপাচার্য হিসেবে বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম ২০২৪ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অস্থির পরিবেশের মধ্যে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করে সফলতার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করছেন এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি হাতে নিয়ে প্রতিষ্ঠানটিকে এগিয়ে নিচ্ছেন। তাঁর নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক, প্রশাসনিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়েছে এবং সার্বিক পরিবেশে এসেছে শৃঙ্খলা।

দায়িত্ব গ্রহণের কিছুদিনের মধ্যেই তিনি ‘দ্বিতীয় প্রশাসনিক ভবন’ ও কর্মচারী কোয়ার্টার ‘বন্ধন’ উদ্বোধন করেন। নবনির্মিত কলা ভবন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ওয়েবসাইটও তাঁর উদ্যোগে উদ্বোধন করা হয়। নজরুল ভাস্কর্য ও কেন্দ্রীয় মসজিদের সংস্কারকাজ সম্পন্ন হয়; মসজিদে এয়ার কন্ডিশন স্থাপনসহ অন্যান্য কাজও গুরুত্বসহকারে শেষ করেন।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ, মেডিকেল সেন্টার, প্রথম ও দ্বিতীয় গেইট, টিএসসি ভবন, দশতলা ছাত্র হল ও ছাত্রী হল, দশতলা ইন্সটিটিউট ভবন এবং পাঁচতলা কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভবনের নির্মাণকাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের সামনে সৌন্দর্যবর্ধনে আলোকসজ্জা করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের (পিডিবি) সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করা হয় এবং আন্ডারগ্রাউন্ড বৈদ্যুতিক সংযোগের কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

দেশ-বিদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতার জন্য নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে আকিজ রিসোর্সের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি এবং মালয়েশিয়ার লিংকন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।

সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে জিএসটি গুচ্ছভুক্ত ভর্তি পরীক্ষা ও ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয় এবং ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামে নবীন শিক্ষার্থীদের হাতে একাডেমিক ক্যালেন্ডার তুলে দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের অংশগ্রহণে তৃতীয় গবেষণা মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মশালা, সেমিনার, আলোচনা সভা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। বাংলা নববর্ষ, জুলাই–আগস্ট ২০২৪ গণঅভ্যুত্থানের এক বছর পূর্তি, জুলাই ৩৬ কর্নার উদ্বোধন এবং জুলাই আন্দোলনে শহীদ ইনতিশারুল হকের কবর জিয়ারতসহ বিভিন্ন জাতীয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানেও তিনি এগিয়ে আসেন। চারুকলা বিভাগের আহত শিক্ষার্থী শাহজালাল আহমেদ জনি, জুলাই–আগস্ট অভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ ত্রিশালের মোফাজ্জল ও ক্যান্সার আক্রান্ত বাংলা বিভাগের তৌহিদসহ অসুস্থ শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।

কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী তীর্থ দাসের জন্য অটোমেটিক হুইলচেয়ার সরবরাহ করা হয়। শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে ছাত্র সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও গ্রহণ করেছেন।

একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি খেলাধুলায়ও গুরুত্ব দেন তিনি। প্রশাসনের সার্বিক সহায়তায় জুলাই–আগস্ট শহীদ স্মরণে আন্তঃবিভাগ ফুটবল, আন্তঃঅনুষদ ক্রিকেট, আন্তঃবিভাগ (ছাত্র) ও আন্তঃঅনুষদ (ছাত্রী) ক্রিকেট এবং স্বাধীনতা কাপ আন্তঃবিভাগ (ছাত্র–ছাত্রী) ভলিবল প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়।

শিক্ষার্থীদের জন্য ইনস্টিটিউট অব নজরুল স্টাডিজ বৃত্তি প্রদান, গবেষণা প্রকল্পে অনুদান, কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় স্কুলে সঠিক সময়ে পাঠ্যবই বিতরণ, বার্ষিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার ও বৃত্তি বিতরণ করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও গতিশীল করতে শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী নিয়োগ ও পদোন্নতির কাজ চলমান রয়েছে। প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের জন্য বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।

দায়িত্ব পালনের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রফেসর ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন,

“বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের সার্বিক সহযোগিতার মধ্য দিয়ে এই প্রতিষ্ঠানকে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। সংশ্লিষ্ট সকলের অব্যাহত সহযোগিতা ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়তন বৃদ্ধি ও সার্বিক উন্নয়নে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। বাজেট ঘাটতি থাকা সত্ত্বেও আমরা হিসাব-নিকাশ করে পরিচালনা করছি এবং সরকারের স্বল্প বরাদ্দের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করছি।”

শিক্ষাঙ্গন

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮। জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট […]

সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনি প্রতিকার চেয়ে শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডি করেন ঢাবি শিক্ষিকা মোনামি

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩১ আগস্ট ২০২৬, ০০:৩৯

ব্যক্তিগত সংবেদনশীল তথ্য অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া ও হুমকির মুখে থানায় জিডি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক শেহরীন আমিন ভূঁইয়া (মোনামি)।

রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে তিনি এই জিডি করেন। তার দায়ের করা এই জিডির নম্বর ২০৩৮।

জিডি সূত্রে জানা যায়, অনুমতি ছাড়া ফেসবুকে তার মোবাইল নম্বর, ইমেইল ঠিকানা ও বাসার ঠিকানা পোস্ট করা হয়। এর পর থেকেই বিভিন্ন অচেনা নম্বর থেকে কল করে তাকে নানাভাবে বাজে কথা বলা ও হুমকি প্রদান করা হচ্ছে। বাসা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় তিনি নিজের বাসভবনে অবস্থান করাকে অনিরাপদ মনে করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা ও বিষয়টির আইনি প্রতিকার চেয়ে তিনি শাহবাগ থানায় উপস্থিত হয়ে জিডিটি দায়ের করেন।

এ ঘটনায় শাহবাগ থানা পুলিশ জানায়, ঘটনাটির তদন্ত শুরু হয়েছে এবং বিষয়টির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।

শিক্ষাঙ্গন

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান। শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও […]

ঢাবি শিক্ষক তাসনিম সিরাজকে এবার লাল কার্ড দেখালেন শিক্ষার্থীরা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১২ অক্টোবর ২০২৬, ১৫:৪১

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক, অপমানজনক ও দ্বিচারিতাপূর্ণ আচরণের অভিযোগ তুলে লাল কার্ড দেখিয়েছেন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা। সোমবার (১২ অক্টোবর) তারা এ প্রতিবাদ জানান।

শিক্ষার্থীদের ভাষ্য, নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া এবং একই শ্রেণিকক্ষে ছয়জন ছাত্রকে এক বেঞ্চে বসতে দেখে তাঁদের ‘গে’ ও ‘গরিব’ বলে মন্তব্য করার অভিযোগের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। একই সঙ্গে এসব আচরণের সমর্থকদের বিরুদ্ধেও প্রতীকী প্রতিবাদ জানান তাঁরা।

কর্মসূচির মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘Red Card to Racist, Classist and Hypocrite’ এবং ‘Red Card to Those Who Support Discrimination, Humiliation and Bullying’। শিক্ষার্থীরা জানান, বৈষম্য, অপমান ও হয়রানির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি এসব আচরণকে সমর্থনকারীদেরও তাঁরা প্রত্যাখ্যান করছেন।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ নায়েম বলেন, তাসনিম সিরাজ মাহবুব ম্যাম ইংরেজি বিভাগের একজন শিক্ষার্থী নেকাব করায় তাকে Fundamentalist এবং সন্ত্রাসী বলে অবিহিত করেন। এছাড়াও, তিনি একই ক্লাসে ছেলেদের ৬ জন এক বেঞ্চে বসায় ‘গে’ এবং ‘গরিব’ বলে অবিহিত করেন। পরবর্তীতে তিনি তার ফেইসবুক লাইভে এগুলোর কোন কিছু এড্রেস না করে এক পাক্ষিক এআই নির্ভর বিবৃতি দেন৷

তিনি আরও বলেন, আমরা লক্ষ্য করেছি সামিনা লুৎফা, শিক্ষক নেটওয়ার্ক এবং তার অন্যান্য অনুসারী তাকে নির্লজ্জভাবে ডিফেন্ড করেছেন এবং শিক্ষার্থীদের মূল অপরাধী হিসেবে প্রোট্রে করার চেষ্টা করছেন। আজকের প্রতিকী প্রতিবাদ তাদের সকলের বিরুদ্ধে।

এ বিষয়ে ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. তাজিন আজিজ চৌধুরী বলেন, বিষয়টি এই মুহূর্তে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হচ্ছে না,আমি এই মূহুর্তে অফিসে নাই। তবে শিক্ষার্থীরা যদি এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ দিয়ে থাকে, তবে তা দেখে বিষয়টি সম্পর্কে জানা সম্ভব হবে। এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না।

উল্লেখ্য, গত ৭ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের একটি শ্রেণিকক্ষে নিকাব পরিহিত এক শিক্ষার্থীকে ‘ফান্ডামেন্টালিস্ট’ ও ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে সহকারী অধ্যাপক তাসনিম সিরাজ মাহবুবের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়। পরে ৮ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাঁকে সাময়িকভাবে সব ধরনের ক্লাস কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেয়।

শিক্ষাঙ্গন

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন। রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত […]

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মেসে অস্ত্র নিয়ে অজ্ঞাত যুবকের প্রবেশ ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:৩৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এক নারী শিক্ষার্থী নিজ মেসে হামলার শিকার হয়েছেন।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোররাত আনুমানিক ৪টার দিকে শাহজাদপুর পৌর এলাকার একটি ছাত্রী মেসে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী অনিকা তাবাসসুম বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অষ্টম ব্যাচের শিক্ষার্থী।

মেসের অন্যান্য শিক্ষার্থী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোররাতে অজ্ঞাত এক যুবক ধারালো অস্ত্র হাতে অনিকার কক্ষে প্রবেশ করে। অনৈতিক উদ্দেশ্যে যুবকটি এগোলে অনিকা সাহসিকতার সাথে বাধা দেন।

এ সময় উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। অনিকার আত্মরক্ষা ও চিৎকারের মুখে পরিস্থিতি প্রতিকূলে দেখে হামলাকারী যুবক দ্রুত স্থান ত্যাগ করে। ধস্তাধস্তির ফলে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর মুখ, গলা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক আঘাত ও ক্ষতের দাগ পড়েছে। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পরপরই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও শাহজাদপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিক তদন্তের অংশ হিসেবে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে একজনকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে। তবে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী অনিকার দেওয়া বিবরণ ও জবানবন্দির সাথে আটক ব্যক্তির চেহারার কোনো মিল না থাকায় যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, “ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বর্ণনা অনুযায়ী মূল অপরাধীকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।”

ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও নিরাপত্তার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা অতি দ্রুত মূল অপরাধীকে গ্রেফতার এবং মেস এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিশ্চিত করেছে যে, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর পাশে তারা রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।