মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

শিবিরের নির্দেশে কাজ করিনি, এটা নিছক মিথ্যাচার : নাহিদ ইসলাম

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্রশক্তির গঠনপ্রক্রিয়ায় ছাত্রশিবিরের ‘নির্দেশ’ ও ‘নেতৃত্ব’ থাকার দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব দাবিকে ‘মিথ্যাচার’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং কিছু প্রভাবশালী মুখের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিকৃতির অভিযোগ তোলেন। নাহিদ বলেন, সম্প্রতি একটি টকশোতে ছাত্রশিবির নেতা সাদিক কায়েম […]

নিউজ ডেস্ক

৩১ জুলাই ২০২৫, ১৬:২৮

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ছাত্রশক্তির গঠনপ্রক্রিয়ায় ছাত্রশিবিরের ‘নির্দেশ’ ও ‘নেতৃত্ব’ থাকার দাবি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

বৃহস্পতিবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব দাবিকে ‘মিথ্যাচার’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং কিছু প্রভাবশালী মুখের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিকৃতির অভিযোগ তোলেন।

নাহিদ বলেন, সম্প্রতি একটি টকশোতে ছাত্রশিবির নেতা সাদিক কায়েম দাবি করেন—ছাত্রশক্তি শিবিরের নির্দেশে পরিচালিত হয়েছে। এর জবাবে নাহিদ স্পষ্ট করে লেখেন, ছাত্রশক্তি গঠিত হয়েছে ‘গুরুবার আড্ডা’ পাঠচক্র, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদত্যাগী অংশ এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি স্টাডি সার্কেলের যৌথ উদ্যোগে। ক্যাম্পাসে দীর্ঘ সময় রাজনীতি করার সুবাদে বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ থাকলেও শিবির কোনোভাবেই তাদের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিল না।

তিনি বলেন, “যোগাযোগ বা সহযোগিতা থাকা মানে এই নয় যে আমরা কারও অধীন ছিলাম বা কারও নির্দেশে চলেছি। এটি একটি খাটো করার অপচেষ্টা।”

নাহিদের দাবি, সাদিক কায়েম কোনো দিনই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ছিলেন না। ৫ আগস্টের পর থেকেই তিনি এই পরিচয়ে সামনে আসতে শুরু করেন। গণঅভ্যুত্থানে শিবিরের অংশগ্রহণ থাকলেও, তাকে প্রেস ব্রিফিংয়ে বসানো হয়েছিল কেবল সেই রাজনৈতিক উপস্থিতির কারণে—not as a leader.

তবে তিনি আরও বলেন, “অভ্যুত্থানে শিবিরের অংশ ছিল, একক নেতৃত্ব ছিল না। শিবির কোনো ইনস্ট্রাকশন দেয়নি, আমাদের সিদ্ধান্ত হয়েছে সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে।”

জাতীয় সরকার নিয়ে বিএনপির বক্তব্যকে ‘মিথ্যা’ বললেন নাহিদ
নাহিদের দাবি, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল সম্প্রতি বলেছেন—জাতীয় সরকার গঠনের কোনো প্রস্তাব ছাত্রদের পক্ষ থেকে তারা পাননি, বরং অন্য মাধ্যমে পেয়েছেন। এই দাবি নাকচ করে নাহিদ বলেন, ৫ আগস্ট রাতেই প্রেস ব্রিফিংয়ে অন্তর্বর্তী জাতীয় সরকার গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়।

এরপর তারেক রহমানের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে প্রস্তাব করা হয় নতুন সংবিধান এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করার বিষয়ে। যদিও তারেক রহমান এতে সম্মত না হয়ে বিকল্প সাজেশন দেন।

পরে ৭ আগস্ট ভোরে বিএনপি মহাসচিবের বাসায় এই বিষয়ে পুনরায় আলোচনা হয় এবং উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের নাম নিয়ে পর্যালোচনা হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সামরিক ক্যু প্রসঙ্গ: ২ আগস্টের পরিকল্পনার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
নাহিদ আরও দাবি করেন, ২০২৪ সালের ২ আগস্ট রাতে জুলকারনাইন সায়ের ও তার ঘনিষ্ঠরা একটি সামরিক ক্যু’র পরিকল্পনা করেছিল। ছাত্রনেতাদের কথিত একটি ‘সেইফ হাউজ’-এ আটকে রেখে চাপ প্রয়োগ ও হুমকি দিয়ে সরকার পতনের একদফা ঘোষণা দিতে বলা হয়েছিল এবং তাদের মূল সমন্বয়কারীদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করতে বলা হয়।

তিনি বলেন, “আমরা প্রথম থেকেই বলেছি—ক্ষমতা সেনাবাহিনী বা তাদের অনুগত কোনো গোষ্ঠীর হাতে তুলে দেওয়া যাবে না। এতে নতুন করে এক-এগারো ঘটত এবং আওয়ামী লীগ ফিরে আসার সুযোগ পেত।”

সায়ের গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে পাল্টা নেতৃত্ব তৈরির অভিযোগ
নাহিদের বক্তব্যে উঠে এসেছে, ৫ আগস্টের অভ্যুত্থান সফল হওয়ার পর সায়ের গোষ্ঠী বারবার চেষ্টা করেছে তাদের বিরুদ্ধে বিকল্প নেতৃত্ব দাঁড় করাতে এবং সেই কাজে সাদিক কায়েমদের ব্যবহার করেছে। তিনি দাবি করেন, এই গোষ্ঠী এখনো অপপ্রচার, চরিত্রহনন, কল রেকর্ড ফাঁস, নজরদারি ইত্যাদি চালিয়ে যাচ্ছে।

“মিথ্যার ওপর কেউ বেশিদিন টিকে থাকতে পারে না। এরাও পারবে না”—এই লাইন দিয়ে নাহিদ ইসলাম তাঁর পোস্ট শেষ করেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩