আমরা যদি এখান থেকে বেঁচে ফিরি তাহলে মুজিববাদের কবর রচনা করেই ফিরব, না হয় ফিরব না। খুনি হাসিনার দালালরা আমাদের ওপরে আক্রমণ করেছে। পুলিশ দাঁড়িয়ে নাটক দেখছে, পিছু হটছে।
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে বুধবার দুপুর থেকে যেভাবে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে, তা যেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিভক্তি ও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া সন্ত্রাসের নগ্ন রূপ প্রকাশ করে দিয়েছে। দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে ফের একবার নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালায় এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর। ঘটনার সময় পুলিশ দাঁড়িয়ে কেবল ‘নাটক’ দেখেছে—এমন অভিযোগ এনসিপির নেতা-কর্মীদের।
এই হামলা ও ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে থেকেই এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ফেসবুকে এক জ্বালাময়ী পোস্টে লিখেছেন,
“আমরা যদি এখান থেকে বেঁচে ফিরি তাহলে মুজিববাদের কবর রচনা করেই ফিরব, না হয় ফিরব না। খুনি হাসিনার দালালরা আমাদের ওপরে আক্রমণ করেছে। পুলিশ দাঁড়িয়ে নাটক দেখছে, পিছু হটছে।”
তার এই আহ্বান মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি আরও লেখেন,
“সারা বাংলাদেশের মানুষ গোপালগঞ্জের দিকে ছুটে আসুন। গোপালগঞ্জের বিবেকবান ছাত্র-জনতা জেগে উঠুন। দালালদের কবর রচনা করার আজকেই শেষ দিন।”
এর আগেও একই দিনে গোপালগঞ্জ শহরে এনসিপির শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা ও সমাবেশে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে বারবার হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। মঞ্চের সাউন্ড বক্স, মাইক, চেয়ার—সব কিছুই ধ্বংস করে দেওয়া হয়। এনসিপির নেতাকর্মীরা এ ঘটনার জন্য সরাসরি ছাত্রলীগকে দায়ী করেছেন।
শেষ খবর অনুযায়ী, গোপালগঞ্জের রাস্তায় এখনও চলছে পুলিশ ও হামলাকারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে হামলাকারীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ বলেই অভিযোগ উঠছে।
পদযাত্রা নামের এই গণআন্দোলন যেন শাসকগোষ্ঠীর হৃদকম্প তৈরি করেছে, যার জবাব তারা দিচ্ছে হামলা আর দমননীতির চর্চায়। সারজিস আলমের পোস্ট এখন এক প্রতিরোধের বার্তা হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে দেশের আনাচে-কানাচে। রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে, আর এনসিপির দিকে তাকিয়ে আছে দেশের হাজারো তরুণ মুখ।
যদি বেঁচে ফিরি তাহলে মুজিববাদের কবর রচনা করেই ফিরব : সারজিস
Published on: 16 July, 2025
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে বুধবার দুপুর থেকে যেভাবে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে, তা যেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিভক্তি ও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া সন্ত্রাসের নগ্ন রূপ প্রকাশ করে দিয়েছে। দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে ফের একবার নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালায় এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর। ঘটনার সময় পুলিশ দাঁড়িয়ে কেবল ‘নাটক’ দেখেছে—এমন অভিযোগ এনসিপির নেতা-কর্মীদের।
এই হামলা ও ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে থেকেই এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ফেসবুকে এক জ্বালাময়ী পোস্টে লিখেছেন,
“আমরা যদি এখান থেকে বেঁচে ফিরি তাহলে মুজিববাদের কবর রচনা করেই ফিরব, না হয় ফিরব না। খুনি হাসিনার দালালরা আমাদের ওপরে আক্রমণ করেছে। পুলিশ দাঁড়িয়ে নাটক দেখছে, পিছু হটছে।”
তার এই আহ্বান মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি আরও লেখেন,
“সারা বাংলাদেশের মানুষ গোপালগঞ্জের দিকে ছুটে আসুন। গোপালগঞ্জের বিবেকবান ছাত্র-জনতা জেগে উঠুন। দালালদের কবর রচনা করার আজকেই শেষ দিন।”
এর আগেও একই দিনে গোপালগঞ্জ শহরে এনসিপির শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা ও সমাবেশে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে বারবার হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। মঞ্চের সাউন্ড বক্স, মাইক, চেয়ার—সব কিছুই ধ্বংস করে দেওয়া হয়। এনসিপির নেতাকর্মীরা এ ঘটনার জন্য সরাসরি ছাত্রলীগকে দায়ী করেছেন।
শেষ খবর অনুযায়ী, গোপালগঞ্জের রাস্তায় এখনও চলছে পুলিশ ও হামলাকারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে হামলাকারীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ বলেই অভিযোগ উঠছে।
পদযাত্রা নামের এই গণআন্দোলন যেন শাসকগোষ্ঠীর হৃদকম্প তৈরি করেছে, যার জবাব তারা দিচ্ছে হামলা আর দমননীতির চর্চায়। সারজিস আলমের পোস্ট এখন এক প্রতিরোধের বার্তা হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে দেশের আনাচে-কানাচে। রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে, আর এনসিপির দিকে তাকিয়ে আছে দেশের হাজারো তরুণ মুখ।
সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]
সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।
মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’
গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।
এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।
এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।
যদি বেঁচে ফিরি তাহলে মুজিববাদের কবর রচনা করেই ফিরব : সারজিস
Published on: 16 July, 2025
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে বুধবার দুপুর থেকে যেভাবে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে, তা যেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিভক্তি ও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া সন্ত্রাসের নগ্ন রূপ প্রকাশ করে দিয়েছে। দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে ফের একবার নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালায় এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর। ঘটনার সময় পুলিশ দাঁড়িয়ে কেবল ‘নাটক’ দেখেছে—এমন অভিযোগ এনসিপির নেতা-কর্মীদের।
এই হামলা ও ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে থেকেই এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ফেসবুকে এক জ্বালাময়ী পোস্টে লিখেছেন,
“আমরা যদি এখান থেকে বেঁচে ফিরি তাহলে মুজিববাদের কবর রচনা করেই ফিরব, না হয় ফিরব না। খুনি হাসিনার দালালরা আমাদের ওপরে আক্রমণ করেছে। পুলিশ দাঁড়িয়ে নাটক দেখছে, পিছু হটছে।”
তার এই আহ্বান মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি আরও লেখেন,
“সারা বাংলাদেশের মানুষ গোপালগঞ্জের দিকে ছুটে আসুন। গোপালগঞ্জের বিবেকবান ছাত্র-জনতা জেগে উঠুন। দালালদের কবর রচনা করার আজকেই শেষ দিন।”
এর আগেও একই দিনে গোপালগঞ্জ শহরে এনসিপির শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা ও সমাবেশে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে বারবার হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। মঞ্চের সাউন্ড বক্স, মাইক, চেয়ার—সব কিছুই ধ্বংস করে দেওয়া হয়। এনসিপির নেতাকর্মীরা এ ঘটনার জন্য সরাসরি ছাত্রলীগকে দায়ী করেছেন।
শেষ খবর অনুযায়ী, গোপালগঞ্জের রাস্তায় এখনও চলছে পুলিশ ও হামলাকারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে হামলাকারীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ বলেই অভিযোগ উঠছে।
পদযাত্রা নামের এই গণআন্দোলন যেন শাসকগোষ্ঠীর হৃদকম্প তৈরি করেছে, যার জবাব তারা দিচ্ছে হামলা আর দমননীতির চর্চায়। সারজিস আলমের পোস্ট এখন এক প্রতিরোধের বার্তা হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে দেশের আনাচে-কানাচে। রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে, আর এনসিপির দিকে তাকিয়ে আছে দেশের হাজারো তরুণ মুখ।
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য […]
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের স্বাভাবিক ও পারস্পরিক সম্পর্ক থাকা দরকার। তবে সেই সম্পর্ক হতে হবে মর্যাদা, ন্যায়, সমতা ও পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধার ভিত্তিতে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম।
শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের হলরুমে এনসিপির কক্সবাজার জেলা সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
বাংলাদেশের গণহত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়ে রেখেছে জানিয়ে সারজিস বলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাকে ফিরিয়ে দিয়ে বিচারিক প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একইভাবে হাদি হত্যাকাণ্ডের আসামিদেরও ফিরিয়ে দিতে হবে।
ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং প্রধানের আকস্মিক সফর এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর চীন সফরের পর ভারতের পক্ষ থেকে দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে এনসিপির এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে এখনই ভারতে যেতে হবে পরে গেলে ক্ষতি হবে-এ ধরনের বক্তব্য কোনো স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের প্রতি মর্যাদাপূর্ণ আচরণের প্রকাশ নয়।
এটা ভারতের ‘আধিপত্যবাদের স্টেটমেন্ট’ বলে মনে হয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্প্রতি যে দুটি শক্ত অবস্থানসম্পন্ন বিবৃতি দিয়েছে, তা সাধুবাদ জানাই। তবে, এসব অবস্থান শুধু বক্তব্যে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব কর্মকাণ্ডেও প্রতিফলিত হওয়া উচিত।
এসময় বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।
অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার, কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব এসএম সুজা উদ্দিন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম নেতা রিফাত রশিদ, আবু বাকের মজুমদারসহ এনসিপির কক্সবাজারের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক হতে হবে দুই দেশের জনগণ ও দুই রাষ্ট্রের পারস্পরিক মর্যাদা, সমতা, ন্যায় এবং সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে, কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয় বলেও উল্লেখ করেন সারজিস।
যদি বেঁচে ফিরি তাহলে মুজিববাদের কবর রচনা করেই ফিরব : সারজিস
Published on: 16 July, 2025
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে বুধবার দুপুর থেকে যেভাবে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে, তা যেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিভক্তি ও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া সন্ত্রাসের নগ্ন রূপ প্রকাশ করে দিয়েছে। দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে ফের একবার নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালায় এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর। ঘটনার সময় পুলিশ দাঁড়িয়ে কেবল ‘নাটক’ দেখেছে—এমন অভিযোগ এনসিপির নেতা-কর্মীদের।
এই হামলা ও ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে থেকেই এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ফেসবুকে এক জ্বালাময়ী পোস্টে লিখেছেন,
“আমরা যদি এখান থেকে বেঁচে ফিরি তাহলে মুজিববাদের কবর রচনা করেই ফিরব, না হয় ফিরব না। খুনি হাসিনার দালালরা আমাদের ওপরে আক্রমণ করেছে। পুলিশ দাঁড়িয়ে নাটক দেখছে, পিছু হটছে।”
তার এই আহ্বান মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি আরও লেখেন,
“সারা বাংলাদেশের মানুষ গোপালগঞ্জের দিকে ছুটে আসুন। গোপালগঞ্জের বিবেকবান ছাত্র-জনতা জেগে উঠুন। দালালদের কবর রচনা করার আজকেই শেষ দিন।”
এর আগেও একই দিনে গোপালগঞ্জ শহরে এনসিপির শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা ও সমাবেশে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে বারবার হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। মঞ্চের সাউন্ড বক্স, মাইক, চেয়ার—সব কিছুই ধ্বংস করে দেওয়া হয়। এনসিপির নেতাকর্মীরা এ ঘটনার জন্য সরাসরি ছাত্রলীগকে দায়ী করেছেন।
শেষ খবর অনুযায়ী, গোপালগঞ্জের রাস্তায় এখনও চলছে পুলিশ ও হামলাকারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে হামলাকারীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ বলেই অভিযোগ উঠছে।
পদযাত্রা নামের এই গণআন্দোলন যেন শাসকগোষ্ঠীর হৃদকম্প তৈরি করেছে, যার জবাব তারা দিচ্ছে হামলা আর দমননীতির চর্চায়। সারজিস আলমের পোস্ট এখন এক প্রতিরোধের বার্তা হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে দেশের আনাচে-কানাচে। রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে, আর এনসিপির দিকে তাকিয়ে আছে দেশের হাজারো তরুণ মুখ।
দুই দিনের সফরে নেপাল পৌঁছেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। মূলত নেপালের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং দুর্গত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনে আজ রোববার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়ে তিনি নেপালে পৌঁছান। দেশটির বিমানবন্দরে আল্লামা মামুনুল হককে অভ্যর্থনা জানান জমিয়তে উলামা নেপালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও […]
দুই দিনের সফরে নেপাল পৌঁছেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক। মূলত নেপালের সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং দুর্গত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনে আজ রোববার সকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়ে তিনি নেপালে পৌঁছান।
দেশটির বিমানবন্দরে আল্লামা মামুনুল হককে অভ্যর্থনা জানান জমিয়তে উলামা নেপালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও তাহাফফুজে খতমে নবুওয়ত নেপালের প্রেসিডেন্ট মাওলানা শফীকুর রহমান কাসেমী।
মামুনুল হকের সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুক্তরাজ্য শাখার সহসভাপতি মাওলানা শায়খ সালেহ আহমাদ হামিদী এবং জাতীয় উলামা কাউন্সিল বাংলাদেশের সহসভাপতি মুফতি মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান।
দুই দিনের সফর শেষে আগামী ৮ সেপ্টেম্বর আল্লামা মামুনুল হকের দেশে ফেরার কথা রয়েছে।
যদি বেঁচে ফিরি তাহলে মুজিববাদের কবর রচনা করেই ফিরব : সারজিস
Published on: 16 July, 2025
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে বুধবার দুপুর থেকে যেভাবে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে, তা যেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিভক্তি ও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া সন্ত্রাসের নগ্ন রূপ প্রকাশ করে দিয়েছে। দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে ফের একবার নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালায় এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর। ঘটনার সময় পুলিশ দাঁড়িয়ে কেবল ‘নাটক’ দেখেছে—এমন অভিযোগ এনসিপির নেতা-কর্মীদের।
এই হামলা ও ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে থেকেই এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ফেসবুকে এক জ্বালাময়ী পোস্টে লিখেছেন,
“আমরা যদি এখান থেকে বেঁচে ফিরি তাহলে মুজিববাদের কবর রচনা করেই ফিরব, না হয় ফিরব না। খুনি হাসিনার দালালরা আমাদের ওপরে আক্রমণ করেছে। পুলিশ দাঁড়িয়ে নাটক দেখছে, পিছু হটছে।”
তার এই আহ্বান মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি আরও লেখেন,
“সারা বাংলাদেশের মানুষ গোপালগঞ্জের দিকে ছুটে আসুন। গোপালগঞ্জের বিবেকবান ছাত্র-জনতা জেগে উঠুন। দালালদের কবর রচনা করার আজকেই শেষ দিন।”
এর আগেও একই দিনে গোপালগঞ্জ শহরে এনসিপির শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা ও সমাবেশে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে বারবার হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। মঞ্চের সাউন্ড বক্স, মাইক, চেয়ার—সব কিছুই ধ্বংস করে দেওয়া হয়। এনসিপির নেতাকর্মীরা এ ঘটনার জন্য সরাসরি ছাত্রলীগকে দায়ী করেছেন।
শেষ খবর অনুযায়ী, গোপালগঞ্জের রাস্তায় এখনও চলছে পুলিশ ও হামলাকারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে হামলাকারীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ বলেই অভিযোগ উঠছে।
পদযাত্রা নামের এই গণআন্দোলন যেন শাসকগোষ্ঠীর হৃদকম্প তৈরি করেছে, যার জবাব তারা দিচ্ছে হামলা আর দমননীতির চর্চায়। সারজিস আলমের পোস্ট এখন এক প্রতিরোধের বার্তা হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে দেশের আনাচে-কানাচে। রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে, আর এনসিপির দিকে তাকিয়ে আছে দেশের হাজারো তরুণ মুখ।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ‘বিক্রি করে’ কেউ কেউ ব্যক্তিগত সুবিধা নিচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন ময়মনসিংহ-১০ আসনের বিএনপিদলীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর…
সংবিধান নতুন করে লেখা হবে না, প্রয়োজন অনুযায়ী সংশোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন সংসদের সরকারি দলের প্রধান হুইপ নুরুল ইসলাম মণি। তিনি বলেন, সংবিধানের একটি অক্ষর পরিবর্তন করা হলেও সেটি…
চট্টগ্রামের সাগরিকা এলাকায় একটি চলন্ত ট্রেনে ধাক্কা দিয়েছে একটি পণ্যবোঝাই লরি। এতে একটি বগিসহ ট্রেনের ইঞ্জিন ও লরিটি রেললাইনের ওপর উল্টে পড়ে। লরিচাপায় এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর)…