আমরা যদি এখান থেকে বেঁচে ফিরি তাহলে মুজিববাদের কবর রচনা করেই ফিরব, না হয় ফিরব না। খুনি হাসিনার দালালরা আমাদের ওপরে আক্রমণ করেছে। পুলিশ দাঁড়িয়ে নাটক দেখছে, পিছু হটছে।
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে বুধবার দুপুর থেকে যেভাবে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে, তা যেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিভক্তি ও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া সন্ত্রাসের নগ্ন রূপ প্রকাশ করে দিয়েছে। দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে ফের একবার নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালায় এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর। ঘটনার সময় পুলিশ দাঁড়িয়ে কেবল ‘নাটক’ দেখেছে—এমন অভিযোগ এনসিপির নেতা-কর্মীদের।
এই হামলা ও ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে থেকেই এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ফেসবুকে এক জ্বালাময়ী পোস্টে লিখেছেন,
“আমরা যদি এখান থেকে বেঁচে ফিরি তাহলে মুজিববাদের কবর রচনা করেই ফিরব, না হয় ফিরব না। খুনি হাসিনার দালালরা আমাদের ওপরে আক্রমণ করেছে। পুলিশ দাঁড়িয়ে নাটক দেখছে, পিছু হটছে।”
তার এই আহ্বান মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি আরও লেখেন,
“সারা বাংলাদেশের মানুষ গোপালগঞ্জের দিকে ছুটে আসুন। গোপালগঞ্জের বিবেকবান ছাত্র-জনতা জেগে উঠুন। দালালদের কবর রচনা করার আজকেই শেষ দিন।”
এর আগেও একই দিনে গোপালগঞ্জ শহরে এনসিপির শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা ও সমাবেশে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে বারবার হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। মঞ্চের সাউন্ড বক্স, মাইক, চেয়ার—সব কিছুই ধ্বংস করে দেওয়া হয়। এনসিপির নেতাকর্মীরা এ ঘটনার জন্য সরাসরি ছাত্রলীগকে দায়ী করেছেন।
শেষ খবর অনুযায়ী, গোপালগঞ্জের রাস্তায় এখনও চলছে পুলিশ ও হামলাকারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে হামলাকারীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ বলেই অভিযোগ উঠছে।
পদযাত্রা নামের এই গণআন্দোলন যেন শাসকগোষ্ঠীর হৃদকম্প তৈরি করেছে, যার জবাব তারা দিচ্ছে হামলা আর দমননীতির চর্চায়। সারজিস আলমের পোস্ট এখন এক প্রতিরোধের বার্তা হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে দেশের আনাচে-কানাচে। রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে, আর এনসিপির দিকে তাকিয়ে আছে দেশের হাজারো তরুণ মুখ।
যদি বেঁচে ফিরি তাহলে মুজিববাদের কবর রচনা করেই ফিরব : সারজিস
Published on: 16 July, 2025
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে বুধবার দুপুর থেকে যেভাবে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে, তা যেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিভক্তি ও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া সন্ত্রাসের নগ্ন রূপ প্রকাশ করে দিয়েছে। দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে ফের একবার নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালায় এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর। ঘটনার সময় পুলিশ দাঁড়িয়ে কেবল ‘নাটক’ দেখেছে—এমন অভিযোগ এনসিপির নেতা-কর্মীদের।
এই হামলা ও ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে থেকেই এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ফেসবুকে এক জ্বালাময়ী পোস্টে লিখেছেন,
“আমরা যদি এখান থেকে বেঁচে ফিরি তাহলে মুজিববাদের কবর রচনা করেই ফিরব, না হয় ফিরব না। খুনি হাসিনার দালালরা আমাদের ওপরে আক্রমণ করেছে। পুলিশ দাঁড়িয়ে নাটক দেখছে, পিছু হটছে।”
তার এই আহ্বান মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি আরও লেখেন,
“সারা বাংলাদেশের মানুষ গোপালগঞ্জের দিকে ছুটে আসুন। গোপালগঞ্জের বিবেকবান ছাত্র-জনতা জেগে উঠুন। দালালদের কবর রচনা করার আজকেই শেষ দিন।”
এর আগেও একই দিনে গোপালগঞ্জ শহরে এনসিপির শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা ও সমাবেশে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে বারবার হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। মঞ্চের সাউন্ড বক্স, মাইক, চেয়ার—সব কিছুই ধ্বংস করে দেওয়া হয়। এনসিপির নেতাকর্মীরা এ ঘটনার জন্য সরাসরি ছাত্রলীগকে দায়ী করেছেন।
শেষ খবর অনুযায়ী, গোপালগঞ্জের রাস্তায় এখনও চলছে পুলিশ ও হামলাকারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে হামলাকারীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ বলেই অভিযোগ উঠছে।
পদযাত্রা নামের এই গণআন্দোলন যেন শাসকগোষ্ঠীর হৃদকম্প তৈরি করেছে, যার জবাব তারা দিচ্ছে হামলা আর দমননীতির চর্চায়। সারজিস আলমের পোস্ট এখন এক প্রতিরোধের বার্তা হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে দেশের আনাচে-কানাচে। রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে, আর এনসিপির দিকে তাকিয়ে আছে দেশের হাজারো তরুণ মুখ।
সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]
সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।
খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।
মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।
খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।
ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।
ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।
উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।
যদি বেঁচে ফিরি তাহলে মুজিববাদের কবর রচনা করেই ফিরব : সারজিস
Published on: 16 July, 2025
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে বুধবার দুপুর থেকে যেভাবে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে, তা যেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিভক্তি ও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া সন্ত্রাসের নগ্ন রূপ প্রকাশ করে দিয়েছে। দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে ফের একবার নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালায় এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর। ঘটনার সময় পুলিশ দাঁড়িয়ে কেবল ‘নাটক’ দেখেছে—এমন অভিযোগ এনসিপির নেতা-কর্মীদের।
এই হামলা ও ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে থেকেই এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ফেসবুকে এক জ্বালাময়ী পোস্টে লিখেছেন,
“আমরা যদি এখান থেকে বেঁচে ফিরি তাহলে মুজিববাদের কবর রচনা করেই ফিরব, না হয় ফিরব না। খুনি হাসিনার দালালরা আমাদের ওপরে আক্রমণ করেছে। পুলিশ দাঁড়িয়ে নাটক দেখছে, পিছু হটছে।”
তার এই আহ্বান মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি আরও লেখেন,
“সারা বাংলাদেশের মানুষ গোপালগঞ্জের দিকে ছুটে আসুন। গোপালগঞ্জের বিবেকবান ছাত্র-জনতা জেগে উঠুন। দালালদের কবর রচনা করার আজকেই শেষ দিন।”
এর আগেও একই দিনে গোপালগঞ্জ শহরে এনসিপির শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা ও সমাবেশে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে বারবার হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। মঞ্চের সাউন্ড বক্স, মাইক, চেয়ার—সব কিছুই ধ্বংস করে দেওয়া হয়। এনসিপির নেতাকর্মীরা এ ঘটনার জন্য সরাসরি ছাত্রলীগকে দায়ী করেছেন।
শেষ খবর অনুযায়ী, গোপালগঞ্জের রাস্তায় এখনও চলছে পুলিশ ও হামলাকারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে হামলাকারীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ বলেই অভিযোগ উঠছে।
পদযাত্রা নামের এই গণআন্দোলন যেন শাসকগোষ্ঠীর হৃদকম্প তৈরি করেছে, যার জবাব তারা দিচ্ছে হামলা আর দমননীতির চর্চায়। সারজিস আলমের পোস্ট এখন এক প্রতিরোধের বার্তা হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে দেশের আনাচে-কানাচে। রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে, আর এনসিপির দিকে তাকিয়ে আছে দেশের হাজারো তরুণ মুখ।
সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]
সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।
মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’
গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।
এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।
এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।
যদি বেঁচে ফিরি তাহলে মুজিববাদের কবর রচনা করেই ফিরব : সারজিস
Published on: 16 July, 2025
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে বুধবার দুপুর থেকে যেভাবে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে, তা যেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিভক্তি ও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া সন্ত্রাসের নগ্ন রূপ প্রকাশ করে দিয়েছে। দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে ফের একবার নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালায় এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর। ঘটনার সময় পুলিশ দাঁড়িয়ে কেবল ‘নাটক’ দেখেছে—এমন অভিযোগ এনসিপির নেতা-কর্মীদের।
এই হামলা ও ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে থেকেই এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ফেসবুকে এক জ্বালাময়ী পোস্টে লিখেছেন,
“আমরা যদি এখান থেকে বেঁচে ফিরি তাহলে মুজিববাদের কবর রচনা করেই ফিরব, না হয় ফিরব না। খুনি হাসিনার দালালরা আমাদের ওপরে আক্রমণ করেছে। পুলিশ দাঁড়িয়ে নাটক দেখছে, পিছু হটছে।”
তার এই আহ্বান মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি আরও লেখেন,
“সারা বাংলাদেশের মানুষ গোপালগঞ্জের দিকে ছুটে আসুন। গোপালগঞ্জের বিবেকবান ছাত্র-জনতা জেগে উঠুন। দালালদের কবর রচনা করার আজকেই শেষ দিন।”
এর আগেও একই দিনে গোপালগঞ্জ শহরে এনসিপির শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা ও সমাবেশে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে বারবার হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। মঞ্চের সাউন্ড বক্স, মাইক, চেয়ার—সব কিছুই ধ্বংস করে দেওয়া হয়। এনসিপির নেতাকর্মীরা এ ঘটনার জন্য সরাসরি ছাত্রলীগকে দায়ী করেছেন।
শেষ খবর অনুযায়ী, গোপালগঞ্জের রাস্তায় এখনও চলছে পুলিশ ও হামলাকারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে হামলাকারীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ বলেই অভিযোগ উঠছে।
পদযাত্রা নামের এই গণআন্দোলন যেন শাসকগোষ্ঠীর হৃদকম্প তৈরি করেছে, যার জবাব তারা দিচ্ছে হামলা আর দমননীতির চর্চায়। সারজিস আলমের পোস্ট এখন এক প্রতিরোধের বার্তা হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে দেশের আনাচে-কানাচে। রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে, আর এনসিপির দিকে তাকিয়ে আছে দেশের হাজারো তরুণ মুখ।
আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]
আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।
সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।
টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।
তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।
যদি বেঁচে ফিরি তাহলে মুজিববাদের কবর রচনা করেই ফিরব : সারজিস
Published on: 16 July, 2025
গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে বুধবার দুপুর থেকে যেভাবে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে, তা যেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক বিভক্তি ও রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া সন্ত্রাসের নগ্ন রূপ প্রকাশ করে দিয়েছে। দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে ফের একবার নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালায় এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর। ঘটনার সময় পুলিশ দাঁড়িয়ে কেবল ‘নাটক’ দেখেছে—এমন অভিযোগ এনসিপির নেতা-কর্মীদের।
এই হামলা ও ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে থেকেই এনসিপির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ফেসবুকে এক জ্বালাময়ী পোস্টে লিখেছেন,
“আমরা যদি এখান থেকে বেঁচে ফিরি তাহলে মুজিববাদের কবর রচনা করেই ফিরব, না হয় ফিরব না। খুনি হাসিনার দালালরা আমাদের ওপরে আক্রমণ করেছে। পুলিশ দাঁড়িয়ে নাটক দেখছে, পিছু হটছে।”
তার এই আহ্বান মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি আরও লেখেন,
“সারা বাংলাদেশের মানুষ গোপালগঞ্জের দিকে ছুটে আসুন। গোপালগঞ্জের বিবেকবান ছাত্র-জনতা জেগে উঠুন। দালালদের কবর রচনা করার আজকেই শেষ দিন।”
এর আগেও একই দিনে গোপালগঞ্জ শহরে এনসিপির শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা ও সমাবেশে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে বারবার হামলা, ককটেল বিস্ফোরণ এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। মঞ্চের সাউন্ড বক্স, মাইক, চেয়ার—সব কিছুই ধ্বংস করে দেওয়া হয়। এনসিপির নেতাকর্মীরা এ ঘটনার জন্য সরাসরি ছাত্রলীগকে দায়ী করেছেন।
শেষ খবর অনুযায়ী, গোপালগঞ্জের রাস্তায় এখনও চলছে পুলিশ ও হামলাকারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে দাবি করা হলেও বাস্তবে হামলাকারীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ বলেই অভিযোগ উঠছে।
পদযাত্রা নামের এই গণআন্দোলন যেন শাসকগোষ্ঠীর হৃদকম্প তৈরি করেছে, যার জবাব তারা দিচ্ছে হামলা আর দমননীতির চর্চায়। সারজিস আলমের পোস্ট এখন এক প্রতিরোধের বার্তা হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে দেশের আনাচে-কানাচে। রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে, আর এনসিপির দিকে তাকিয়ে আছে দেশের হাজারো তরুণ মুখ।
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি : মোঃ তানসেন আবেদীন নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহবায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেছেন, "বিগত আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের টাকা লুট করে বিদেশে লক্ষ লক্ষ ডলার পাচার করেছে। ছাত্র…
নাটোর জেলা প্রতিনিধিঃ তারুণ্যের উৎসব ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষ্যে জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট বালক অনুর্ধ ১৭ ও জাতীয় গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট বালিকা অনুর্ধ ১৭ শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (২১…