মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

তারেক রহমানকে টার্গেট করে ভয়ংকর স্লোগান দেওয়া , রাজনীতিতে এটা খুবই এলার্মিং

বর্তমান সরকারের ছাত্র উপদেষ্টারা, বিশেষ করে আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া। একেবারেই এনসিপি ধাঁচে কথা বলছেন। মিটফোর্ডে ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ডের পর তার স্ট্যাটাস ছিল, "প্রস্তর যুগে স্বাগতম", “ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নেয় না”—যা প্রতিধ্বনিত করে বিএনপিকে আক্রমণের জামায়াতি ভাষা

নিউজ ডেস্ক

১৫ জুলাই ২০২৫, ১৪:৩৯

বিএনপির দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম না থাকলে স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা এত দিনে দেশের ঘাড়ে শতভাগ বসে যেত, এমনটাই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের সদস্য ও বিশ্লেষক ডা. জাহেদ উর রহমান। তার স্পষ্ট মন্তব্য, আওয়ামী লীগ বছরের পর বছর ধরে যতভাবে চেষ্টা করেছে ভয় দেখিয়ে, লোভ দেখিয়ে—তবু বিএনপিকে ভাঙতে পারেনি, দমাতে পারেনি। বরং আজ সেই দলের নেত্রীকে টার্গেট করে ভয়াবহ স্লোগান দেওয়া হচ্ছে, যা এদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য এক জাগ্রত বিপদের সংকেত।

ডা. জাহেদ বলছেন, ২০২৪-এর জুলাইয়ের আগে থেকেই বিএনপির ধারাবাহিক আন্দোলনের কারণে শেখ হাসিনার একনায়কতন্ত্র পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হতে পারেনি। কম্বোডিয়ার স্বৈরশাসক হুম সেনের উদাহরণ টেনে তিনি জানান, তিনি বিরোধী দলকে গুঁড়িয়ে দিতে পেরেছিলেন বলেই শতভাগ দখল কায়েম করতে পেরেছিলেন। বাংলাদেশে সেই পথ রুদ্ধ করেছে কেবল বিএনপি, যারা এখনও আওয়ামী লীগের দমননীতি, দুঃশাসনের বিরুদ্ধে অবিচল।

সবচেয়ে আতঙ্কজনক বাস্তবতা হলো,

যে দলটা বছরের পর বছর ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জনগণকে জাগিয়ে রেখেছে, এখন তাদেরই আওয়ামী লীগের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে। এর পেছনে আছে এক গভীর ষড়যন্ত্র, এক চক্রান্ত। যারা বাংলাদেশকে স্থিতিশীল হতে দিতে চায় না, তারা সেই ষড়যন্ত্রে শরিক হয়েছে আর কেউ কেউ বুঝে হোক বা না বুঝে, সেই ফাঁদে পা দিচ্ছে।

সরকারি উপদেষ্টাদের ভূমিকা নিয়েও ডা. জাহেদ কড়া সমালোচনা করেছেন। তার মতে,

বর্তমান সরকারের ছাত্র উপদেষ্টারা—বিশেষ করে আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া—একেবারেই এনসিপি ধাঁচে কথা বলছেন। মিটফোর্ডে ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ডের পর তার স্ট্যাটাস ছিল, “প্রস্তর যুগে স্বাগতম”, “ইতিহাস থেকে কেউ শিক্ষা নেয় না”—যা প্রতিধ্বনিত করে বিএনপিকে আক্রমণের জামায়াতি ভাষা। প্রশ্ন উঠছে—প্রস্তর যুগ যদি সত্যিই হয়, তবে সেটা কার শাসনের ফসল? এর দায় তো সরাসরি বর্তমান সরকারের ঘাড়েই পড়ে।

আরেকটা ভয়ঙ্কর বাস্তবতা হলো—

সরকার এক বছর ক্ষমতায় থেকেও নিজের ব্যর্থতা আড়াল করতে এখনও বিএনপির বিরুদ্ধে মিছিল করে বেড়াচ্ছে। অথচ এমন হত্যাকাণ্ডের পর মিছিল হওয়ার কথা ছিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়ে। বাস্তবে দেখা যাচ্ছে উল্টো চিত্র—সরকারের মধ্য থেকেই উপদেষ্টারা জামায়াতি স্টাইলে কথা বলছে, যাদের এনসিপি ঘনিষ্ঠতা দেশের সবাই জানে।

অর্থনীতি নিয়েও ডা. জাহেদের পর্যবেক্ষণ ছিল ভয়াবহ। বাংলাদেশ ব্যাংক এখন নিলামে ডলার কিনছে বেশি দামে, অথচ বাজারে ডলারের দাম পড়ে যাচ্ছে। এটা অর্থনীতির সংকোচনের স্পষ্ট লক্ষণ। ডলারের চাহিদা কমে যাওয়া মানেই দেশের অর্থনীতি আর বাড়ছে না, বরং সংকুচিত হচ্ছে। এমন অবস্থায় রেমিট্যান্সও কমে যাচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক দাম ধরে রাখতে চাইলেও সেটার পেছনে বাস্তবতা নেই। ব্যবসায়ীরা আজ ধুঁকছে। তারা চান অবিলম্বে নির্বাচন হোক—কারণ এর বিকল্প তারা দেখছেন না।

তবে স্পষ্টভাবে বলতে গেলে, দেশে এখন দুই-তিনটা সুবিধাভোগী রাজনৈতিক দল এবং কিছু গোষ্ঠী ছাড়া বাকি সবাই নির্বাচনের পক্ষে। ক্ষমতার দড়ি টানাটানির এই খেলা হয়তো কিছু বিশৃঙ্খলা আনবে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত নির্বাচন হবেই—এটাই সময়ের দাবি।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০০

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩
বিষয়ঃ

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০০

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০০