শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

জামায়াত যেসব যুক্তিতে পিআর দাবি করছে, সেগুলোর বাস্তবতা কতটুকু?

পিআর যে যুক্তিগুলো দেখে দাবি করা হচ্ছে তা বাস্তবসম্মত কতটুকু? জামায়াত বলে পিআর হলে মনোনয়ন বাণিজ্য কমবে, পেশিশক্তির ব্যবহার কমবে, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে। বাস্তবে এই যুক্তিগুলো শিশুসুলভ মনে হয় তার

নিউজ ডেস্ক

২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৩:১১

জাতীয় রাজনীতি এখন পিআর নামক এক ঝলমলে ইস্যুতে বিক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে। জামায়াতে ইসলামীর হয়ে এই দাবি সামনে রেখে যে তোলপাড় শুরু হয়েছে, তা নিয়েই সরব হয়েছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক জাহেদ উর রহমান। তিনি নিজের ইউটিউব চ্যানেল জাহেদস টেইক-এ এই প্রবণতাকে রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং সতর্ক করেছেন—পিআরকে কেন্দ্র করে এখনই যেভাবে আগ্রাসী ভঙ্গিতে এগোচ্ছে, সেটি শেষ পর্যন্ত জামায়াতকে পিছুটানও দিতে পারে।

জাহেদ উর রহমানের বিশ্লেষণ আপাতদৃষ্টিতে যে তর তর করে মিডিয়ায় জায়গা করে নিয়েছে, তা অস্বীকার করার নেই। টক শো, ইউটিউব, অনলাইন পোর্টাল ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘পিআর’ শব্দটির হাইপ সাম্প্রতিক সময়ে চোখে পড়ে। জামায়াত এই মিডিয়া কভারেজকে পছন্দ করছে এবং বিএনপিকে প্রেসার তৈরি করার একটি মাধ্যম হিসেবেই ব্যবহার করছে—তারা চাইছে বিএনপি জানুক, রাজনৈতিক সমীকরণে তাদেরও গুরুত্ব থাকতে হবে।

কিন্তু জাহেদ উর রহমান প্রশ্ন তুলেছেন—পিআর যে যুক্তিগুলো দেখে দাবি করা হচ্ছে তা বাস্তবসম্মত কতটুকু? জামায়াত বলে পিআর হলে মনোনয়ন বাণিজ্য কমবে, পেশিশক্তির ব্যবহার কমবে, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে। বাস্তবে এই যুক্তিগুলো শিশুসুলভ মনে হয় তার। পিআর পদ্ধতিতে যেখানে কেন্দ্রীয় তালিকাভিত্তিক মনোনয়ন প্রধান হয়ে দাঁড়ায়, সেখানে আসলে মনোনয়ন বাণিজ্যের মধ্যেই তীব্র প্রতিযোগিতা জন্ম নেবে। কেন্দ্রীয় স্তরে নাম লেখানোর দৌড়ঝাঁপ, গোষ্ঠীবিরোধ ও কল্পিত স্বার্থসংশ্লিষ্ট লেনদেন আরও জটিল ও অস্বচ্ছ হতে পারে।

আর সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হলো রাজনৈতিক বাস্তবতা উপেক্ষা করা। দলের মার্কা ধরে রাখতে প্রতিটি দল কঠোর হবে। ভোট চাইতেই হবে—এটি রাজনৈতিক জীবনের মূল সুত্র। যে ভাবনায় পিআর আসলেই সব সংঘাত ঝরে পড়বে, সেটি একেবারেই ধোঁয়াশা। যারা পিআরকে নস্যাৎ করলে নিজেদের রাজনৈতিক মর্যাদা হারাবে, সেই মনের আবেশেই এখন জামায়াত বেশি কড়া হলোও পরে এটি তাদের জন্য আত্মঘাতী কৌশল হতে পারে। বিশেষ করে নির্বাচন প্রায় চার মাস দূরে থাকলে এভাবে মোড় নেওয়া বিপজ্জনক।

জাহেদ উর রহমান আরও বলেছেন, জামায়াত যে পরিসংখ্যান নিয়ে দাবি করছে—দেশের ৭১ শতাংশ মানুষ পিআর চান—এ ধরনের কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য তারা দেখাতে পারেনি। গণভোট চাওয়ার ডাকটাও এখনো কোনো বাস্তব পরিকল্পনায় পরিণত হয়নি। যদি সময় বরাদ্দ করে রাজনৈতিক রিয়ালিটি মেনে ঢেলে সাজায়, তারা হয়ত মুখ রক্ষা করতে পারবে। নতুবা এক পর্যায়ে তাদের কণ্ঠেই ইগো কাজ করে সিদ্ধান্ত এনে দল নিজেই বিপদের মুখে পড়বে।

সংক্ষেপে বলা যায়, পিআর নিয়ে জোরালো প্রচারণা এখনই জামায়াতকে মিডিয়ার শীর্ষস্থানে তুলেছে, কিন্তু রাজনৈতিক বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ছাড়া এটি বড় বিপদে পরিণত হতে পারে। যে কেউ যদি দ্রুত বিকল্প কৌশল না নেয়, তবে পিআরকে কেন্দ্র করে করা অতিমাত্রার আক্রমণ আগামী নির্বাচনে তাদেরেই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করবে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৩৯

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৪৩
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৪৩

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৪৩