শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ধামইরহাটে বেতন ছাড়া২০ বছর চাকরি করে মৃত্যু হলো শিক্ষক মামুনের

ছাইদুল ইসলাম, ধামইরহাট প্রতিনিধি, নওগাঁ নওগাঁর ধামইরহাটে ২০ বছর ধরে বেতন না পেয়ে হতাশা আর বিনা চিকিৎসায় গত রোববার রাতে ধামইরহাট টেকনিক্যাল বিজনেস ম্যানেজম্যান্ট কলেজের এক শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে বলে স্বজনেরা জানান।তাঁর নাম আসাদুজ্জামান (মামুন) । তিনি উপজেলার রামনারায়নপুর গ্রামের মৃত্যু আব্বাস আলীর ছেলে।  শিক্ষক মামুনের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মামুন উপজেলার ধামইরহাট টেকনিক্যাল বিজনেস ম্যানজম্যান্ট কলেজে ২০০৫ […]

ধামইরহাটে বেতন ছাড়া২০ বছর চাকরি করে মৃত্যু হলো শিক্ষক মামুনের

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৬ জুন ২০২৫, ২৩:০০

ছাইদুল ইসলাম, ধামইরহাট প্রতিনিধি, নওগাঁ

নওগাঁর ধামইরহাটে ২০ বছর ধরে বেতন না পেয়ে হতাশা আর বিনা চিকিৎসায় গত রোববার রাতে ধামইরহাট টেকনিক্যাল বিজনেস ম্যানেজম্যান্ট কলেজের এক শিক্ষকের মৃত্যু হয়েছে বলে স্বজনেরা জানান।তাঁর নাম আসাদুজ্জামান (মামুন) । তিনি উপজেলার রামনারায়নপুর গ্রামের মৃত্যু আব্বাস আলীর ছেলে। 

শিক্ষক মামুনের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মামুন উপজেলার ধামইরহাট টেকনিক্যাল বিজনেস ম্যানজম্যান্ট কলেজে ২০০৫ সালে প্রদর্শক পদে যোগদান করেন । কিন্তু এত বছরেও প্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্ত না হওয়ায় তিনি বেতন না পাওয়ায় হতাশা আর জটিল রোগে ভুগতেন।

অবশেষে পারিবারিক ভাবে চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পারায় তাঁর স্ট্রোক হয়। ফলে পারিবারিক ভাবে সে আরো ভেঙ্গে পড়ে।গত রবিবার রাতে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান যুবক বয়সে শিক্ষক মামুন। আজ ১৬ জুন সোমবার সকাল ১১টায় তার নামাজের জানাজা অনুষ্ঠিত হয় তার নিজ গ্রাম রামনারায়নপুর গ্রামে।

ব্যক্তি জীবনে তিনি ২কন্যা সন্তানের জনক ছিলেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জন কারীকে হারিয়ে পরিবার সহ সন্তানেরা কি করবে এৃন প্রশ্ন মৃত্যুের স্বজনদের। 

কথা হয় ধামইরহাট টেকনিক্যাল বিজনেস ম্যানেজম্যান্ট কলেজের অধ্যক্ষ মো,হারুন অর রশিদ এর সঙ্গে, অধ্যক্ষ বলেন অত্র প্রতিষ্ঠান ধামইরহাট মেইন সদর থেকে মাত্র ১কি,মি দক্ষিনে অবস্থিত। স্থাপিত হয় ২০০১, স্বীকৃতি পায় ২০০৪ সাল।

শুরুতেই প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করা হয় ধামরহাট শহীদ জিয়া টেকনিক্যাল এন্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ। প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই ১৪ জন শিক্ষক কর্মচারী মিলে শুরু এই প্রতিষ্ঠান। দীর্ঘদিন বেতন ভাতা না পাওয়ায় ইতিমধ্যে দুইজন শিক্ষক অন্যত্র চাকরির সন্ধানে চলে গিয়েছে। আজকে মামুন সহ দুইজন মৃত্যুবরণ করল। 

শহীদ জিয়া নাম থাকায় দীর্ঘ দিন এমপিও ভুক্ত না হওয়ায় অবশেষে ২০১১ সালে প্রতিষ্ঠানের নাম করন করা হয় ধামইরহাট টেকনিক্যাল বিজনেস ম্যানজম্যান্ট কলেজ,কিন্তু বিগত সরকারের চোখে অত্র প্রতিষ্ঠান শহীদ জিয়া নাম হিসাবে আখ্যায়িত হওয়ার দরুন বার বার দেশের অন্য প্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্ত হলেও অজ্ঞাত কারণে এ প্রতিষ্ঠানটি এমপি ভুক্ত করা হয়নি। অথচ সরকারের নির্ধারিত ছাত্র-ছাত্রী বরাবরই বিদ্যমান অত্র প্রতিষ্ঠানে। ফলাফল বোর্ড নির্ধারিত হারে আছে। দীর্ঘদিন এমপি ভুক্ত না হওয়ায় শিক্ষক কর্মচারীদের মধ্যেও দেখা দিয়েছে অনেহা।

এমপিও ভুক্ত সম্পর্কে জগদল আদিবাসী স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মো,ইলিয়াস আলম বলেন দীর্ঘ দিন

একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও (MPO) ভুক্ত না হওয়ার আগেই যদি কোনো শিক্ষক মারা যান, তবে এটি একটি দুঃখজনক ঘটনা। এমপিও (MPO) বলতে “মান্থলি পে অর্ডার” বোঝায়, যা দ্বারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়। যখন কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্ত হয়, তখন সেখানকার শিক্ষক-কর্মচারীরা সরকার থেকে নিয়মিত বেতন-ভাতা পেয়ে থাকেন।

যদি কোনো প্রতিষ্ঠান এমপিও ভুক্ত না হয়, তাহলে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা নিজেদেরই জোগাড় করতে হয়। এমন পরিস্থিতিতে, শিক্ষকের মৃত্যু হলে তার পরিবার আর্থিক সংকটে পড়তে পারে। 

এমপিও (MPO) ভুক্ত না হওয়ার কারণে শিক্ষক-কর্মচারীরা নিয়মিত বেতন-ভাতা পান না, যা তাদের জীবনযাত্রাকে কঠিন করে তোলে। অনেক সময়, এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন করার পরেও দীর্ঘ সময় লেগে যায়, এবং এই সময়ের মধ্যে শিক্ষক-কর্মচারীরা নানা সমস্যা সম্মুখীন হন।

যদি কোনো শিক্ষক এমপিওভুক্ত হওয়ার আগেই মারা যান, তবে তার পরিবার সরকারের কাছ থেকে কোনো আর্থিক সহায়তা পায় না। এটি একটি বড় সমস্যা যা শিক্ষাখাতে কর্মরত অনেকের জীবনকে প্রভাবিত করে। 

এই সমস্যা সমাধানের জন্য, সরকারের উচিত দ্রুত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্ত করার ব্যবস্থা করা, যাতে শিক্ষক-কর্মচারীরা নিয়মিত বেতন-ভাতা পান এবং তাদের পরিবার আর্থিক নিরাপত্তা পায়। এছাড়াও, এমপিওভুক্তির জন্য আবেদন প্রক্রিয়া সহজ করা এবং দ্রুত সম্পন্ন করা প্রয়োজন। 

যদি কোনো শিক্ষক এমপিওভুক্ত হওয়ার আগে মারা যান, তবে সরকারের উচিত তার পরিবারের জন্য বিশেষ আর্থিক সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা করা। এতে করে শিক্ষকের পরিবার কিছুটা হলেও স্বস্তি পাবে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।