মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

ইলেকশন যত দেরি হবে, বিএনপির জনপ্রিয়তা তত কমবে : সারোয়ার তুষার

জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেছেন, “বিএনপির একটা শংকা হচ্ছে, যত ইলেকশন দেরি হবে, বিএনপির মাঠ পর্যায়ে জনপ্রিয়তা তত কমবে।” সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন। সারোয়ার তুষার বলেন, “তার কারণ হচ্ছে, বিএনপির স্থানীয় পর্যায়ের নেতারা,যদিও কেন্দ্র থেকে একটা আন্তরিকতা দেখা যায়, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানসহ কেন্দ্র একটি আন্তরিক ভূমিকা রাখছে,তবুও […]

ইলেকশন যত দেরি হবে, বিএনপির জনপ্রিয়তা তত কমবে : সারোয়ার তুষার

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৮ এপ্রিল ২০২৫, ১৩:৪৬

জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেছেন, “বিএনপির একটা শংকা হচ্ছে, যত ইলেকশন দেরি হবে, বিএনপির মাঠ পর্যায়ে জনপ্রিয়তা তত কমবে।” সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন।

সারোয়ার তুষার বলেন, “তার কারণ হচ্ছে, বিএনপির স্থানীয় পর্যায়ের নেতারা,যদিও কেন্দ্র থেকে একটা আন্তরিকতা দেখা যায়, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানসহ কেন্দ্র একটি আন্তরিক ভূমিকা রাখছে,তবুও সারা দেশে যেভাবে বিচ্ছিন্ন ঘটনাগুলো ঘটছে, তাতে একটা উদ্বেগ আছে। এসব ঘটনা এত নিরবিচ্ছিন্নভাবে ঘটছে যে, বাস্তবতা হচ্ছে এগুলো মহামারি আকারে রূপ নিয়েছে।”

তিনি বলেন, “ফলে বিএনপির দিক থেকে একটা উদ্বেগ আছে যে, ইলেকশন দেরিতে হলে তাদের জনপ্রিয়তা হ্রাস পেতে থাকবে। কারণ, ইন দ্য মিনটাইম জামায়াতে ইসলামী কাজ করছে, এনসিপি নতুন দল হিসেবে এন্ট্রি নিয়েছে, গণঅধিকার পরিষদও সক্রিয়। ফলে এবারের ইলেকশন ‘গিভেন’ না। তারেক রহমান দুই-তিন মাস আগেই বলেছিলেন, এবার অনেক সুইং ভোট, অনেক হিসাব থাকবে। সেসব হিসেব থেকেই বিএনপির এই উদ্বেগ।”

সরকারের বক্তব্য প্রসঙ্গে সারোয়ার তুষার বলেন, “দেখুন, সরকার কিন্তু এটা বলেনি যে ডিসেম্বরে ইলেকশন হবে না। তারা বলছে, ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে যে কোনো সময় হবে—ডিসেম্বরও তো পড়ে এর মধ্যে।

আমাদের দিক থেকে বক্তব্য হচ্ছে, ডিসেম্বরে ইলেকশন করুক, উই ডোন্ট হ্যাভ এনি প্রবলেম। তবে আমরা যে কথাগুলো বলছি, এসিওরেন্স চাইছি কারণ এবারের ইলেকশনের এজেন্ডা হচ্ছে—সংস্কারের ভিত্তিতে নির্বাচন হবে। কিন্তু এই নির্বাচনটা করে ফেলাটাই এক ধরনের সংস্কার।”

সারোয়ার তুষার বলেন, “অনেকে বলছেন, নির্বাচিত সরকার এসে সংস্কার করবে। কিন্তু এটা নিয়ে দুই স্তরের সমস্যা আছে—একটা হচ্ছে কমিটমেন্ট, আরেকটা হচ্ছে পদ্ধতিগত।কিছু সংস্কার তো এই সরকার অধ্যাদেশ দিয়েই করতে পারে—যেগুলো সংবিধানের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।

পরবর্তী সরকার এসে সেগুলোকে অনুমোদন করবে।আর সংবিধান যেহেতু একটি মৌলিক নথি, আপনি এটা সংসদে গিয়ে সরাসরি পরিবর্তন করতে পারবেন না। সংবিধান সংস্কার করতে হলে গণভোট করতে হবে অথবা গণপরিষদ নির্বাচনে যেতে হবে—যেটা আমাদের জাতীয় ঐক্যমঞ্চের স্প্রেডশিটে বলা হয়েছে।”

তিনি বলেন, “আমাদের প্রস্তাব খুবই সহজ—আগামী নির্বাচিত বডি একযোগে গণপরিষদ এবং আইনসভা হিসেবে কাজ করবে। পৃথিবীর অনেক দেশে এটা ঘটেছে। এই অঞ্চলেও অনেক দৃষ্টান্ত রয়েছে।

দুর্ভাগ্যজনকভাবে, বিএনপির কাছ থেকে আমরা এ বিষয়ে খুব ইতিবাচক সাড়া পাইনি। তারা যে যুক্তি দিচ্ছে, তা ধোপে টেকে না। তারা বলছে, এটা তো একেবারে নতুন দেশ নয়, নতুন সংবিধান নয়—তাহলে কেন লাগবে?

আমরা বলছি, পৃথিবীতে অনেক দেশ আছে যারা প্রয়োজনে চার-পাঁচবার গণপরিষদ নির্বাচন করেছে। যদি মনে হয় এই কনস্টিটিউশনে আর কিছু হচ্ছে না, তাহলে করতেই হবে।”

তিনি বলেন, “৩১ দফার মধ্যে সংবিধানের প্রসঙ্গ তো স্পষ্টভাবে এসেছে। সেই সংবিধান কমিশন তো এখনো হয়নি। ফলে অন্তত একটি দফা তো বিএনপির বাতিল।

এই ৩১ দফা ফ্যাসিবাদের সময় এসেছে এবং বিএনপি এখন যেভাবে সংস্কারের ক্রেডিট নেওয়ার চেষ্টা করছে, সেটা ইতিহাসকে সরলীকরণ।

আমরা তো গণতন্ত্র মঞ্চ, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন এবং অনেক অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম। আমরা জানি কিভাবে সংস্কার প্রক্রিয়াটি এসেছে—প্রথমে গণতন্ত্র মঞ্চের ১৪ দফা, তারপর বিএনপির ২৭ দফা, তারপর ৩১ দফা, আবার গণতন্ত্র মঞ্চের নিজস্ব ৩১ দফা।

বিএনপি এখন বলছে, তারা সবার আগে সংস্কার বলেছে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, এ সমস্ত ছোট ছোট দলই আগে সংবিধান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। বিএনপি আগে কখনও এসব প্রশ্ন তোলে নাই।”

সারোয়ার তুষার বলেন, “গণসংহতি আন্দোলন, রাষ্ট্রচিন্তা, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, যাসদ (রব ভাইয়ের দল)—সবাই কিন্তু ৭২-এর সংবিধান নিয়ে অনেক সমালোচনামূলক প্রশ্ন তুলেছে।

মূল সমস্যা হচ্ছে—এক ব্যক্তির হাতে সকল ক্ষমতা। এটা শুধু গত ১৬ বছরে না, বরং ৭২-এর সংবিধানের গোড়ার সমস্যা। এখানে প্রধান নির্বাহীকে কোনোভাবেই আটকে রাখার ব্যবস্থা নেই।

ইলেকশন কমিশন ভাগ্য নির্ধারণ করে না। প্রধান নির্বাহীর হাতে কতটা ক্ষমতা, তার ইনটেনশন কী—সেই অনুযায়ী নির্বাচন পরিবর্তন হয়।”

তিনি বলেন, “মূল সংস্কারটাই যদি বিএনপি বিরোধিতা করে, তাহলে অন্য সব সংস্কারে একমত হয়েও লাভ নেই।

প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ কতদিন থাকবে, নারী আসন কয়টা থাকবে, জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল থাকবে কি না, নিয়োগ কে দেবে—এসব হচ্ছে খুবই মৌলিক প্রশ্ন।

যদি নিয়োগ আপনার হাতে থাকে, আপনি প্রধান নির্বাহী হন, তাহলে আপনি বললেন—আমি তো বিচার বিভাগের সংস্কার চাই, দুদকের সংস্কার চাই, ইসি সংস্কার চাই—কিন্তু প্রতিষ্ঠানগুলোর নিয়োগ যদি আপনার হাতেই থাকে, তাহলে সংস্কার টিকবে না।

সুতরাং, ফান্ডামেন্টাল সংস্কার হচ্ছে সংবিধান সংস্কার। এতে বিএনপি সম্মত না হলে, সংস্কারের দাবিও অমূলক হয়ে যায়।”

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৫

রাজনীতি

ঢাকা-৮ নিজ কেন্দ্রেই নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কাছে হারলেন মির্জা আব্বাস

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের […]

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:২৪

ঢাকা-৮ নির্বাচনী এলাকার শাহজাহানপুর মির্জা আব্বাস মহিলা কলেজ (মহিলা ভোটার কেন্দ্র-২) কেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে।

প্রাপ্ত ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শাপলা কলি প্রতীকে ৫২৩ ভোট পেয়ে ওই কেন্দ্রে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ৫১৬ ভোট। অত্যন্ত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের এই কেন্দ্রে মাত্র ৭ ভোটের ব্যবধানে জয়-পরাজয় নির্ধারিত হয়েছে।

কেন্দ্রটির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী কেফায়েত উল্লা (হাতপাখা) পেয়েছেন ১১ ভোট। এ ছাড়া বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা (কাস্তে) এবং গণ-অধিকার পরিষদের প্রার্থী মেঘনা আলম (ট্রাক) উভয়েই সমান ৭টি করে ভোট পেয়েছেন।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রার্থী এস এম সরওয়ার (মোমবাতি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জুবের আলম খান (লাঙ্গল) প্রত্যেকে ৫টি করে ভোট লাভ করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮১

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৮১

রাজনীতি

নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়ামন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে : আসিফ মাহমুদ

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ। তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯:০৩

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, নির্বাচনে পরাজিত হয়ে মনে মনে ক্রীড়া মন্ত্রী হয়ে বসে থাকা একজনের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। কথাগুলো বলতে চাইনি, তার কর্মকাণ্ডে না বলেও থাকা যাচ্ছে না।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন আসিফ।

তিনি বলেন, গত দেড় বছর ক্রীড়া ক্ষেত্রের জন্য কাজ করতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি বিরোধিতা এবং বাধার সম্মুখীন হয়েছি এই একজন থেকে। বারবার ব্যর্থ হয়েও থামেনি সে। এখন নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার ক্ষোভও আমার ওপর দেখাচ্ছে। ঢাকা-১৬ তে তো এনসিপিরও প্রার্থী ছিলো না!

তিনি আরও বলেন, প্রথমে এক ফ্যাসিবাদের দোসর সজীব ওয়াজেদ জয়ের বন্ধুকে নিয়ে বাফুফে দখল করতে চাইলো, ব্যর্থ হলো। তারপর থেকে ফুটবলের উন্নয়নে সকল কার্যক্রমে বর্তমান বাফুফে নেতৃত্ব এবং সরকারকে বাধা দিতে থাকলো।

তারপর বিসিবিতে একজন ক্রিকেটারকে সামনে রেখে নিজের আপন ভাইসহ নিজের ইচ্ছামতো একগাদা লোককে আনতে চাইলো। সেখানেও নির্বাচনে পরাজিত হয়ে পদে পদে অসহযোগিতা আর বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আরও বলেন, অথচ আমি পারস্পারিক সহযোগিতার মাধ্যমে কাজ করতে চেয়েছিলাম। এমনকি ক্রীড়াঙ্গনকে ঢেলে সাজাতে যে সার্চ কমিটি করা হয় সেখানেও তার পরামর্শে একজনকে অন্তর্ভুক্ত করেছিলাম শুরুর দিকে। পরবর্তীতে সার্চ কমিটির সদস্যপদ ব্যবহার করে সেই ব্যক্তি বিভিন্ন ফেডারেশনের কার্যালয় দখল করা শুরু করলে তাকে অপসারণ করা হয়। অপসারণ করার পর ওই ব্যক্তিকে দিয়ে আমার নামে মামলাও করানো হয়েছিল। সরকারে থেকেও মামলা খেয়েছি ক্রীড়াঙ্গনের মাফিয়াদের মাধ্যমে।

আসিফ মাহমুদ আরও অভিযোগ করেন, এখন স্পোর্টস মিডিয়াগুলো দখলে নিয়ে যাচ্ছেতাই নোংরামি করে বেড়াচ্ছে। আমরা ফুটবল, ক্রিকেটসহ স্পোর্টসের প্রায় সব ক্ষেত্রে যুগ যুগের মাফিয়াদের হটিয়েছি। যার ফলাফল দেশবাসী মাত্র দেড় বছরের মধ্যেই দেখতে পাচ্ছে।

এই মাফিয়াদের সাথে মিলে স্পোর্টস মিডিয়া দখলের মাধ্যমে যাচ্ছেতাই আক্রমণ চালানো হচ্ছে আমার বিরুদ্ধে (একটা নমুনা দিলাম নিচে)।

তিনি আরও বলেন, দেড় বছর ভদ্রতা এবং নীরবতার সাথে কাজ করে গেছি, আপনাদের অপকর্ম নিয়ে মুখ খুলিনি বলে ভাববেন না যে কথা বলতে পারি না। বাধ্য করবেন না, আপনাদের নোংরামিতে নিজেকে জড়াতে চাই না।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৫৫