সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

চীন বাংলাদেশের সকল গুরুত্বপূর্ণ খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী : রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশে টেক্সটাইল, ক্লিন এনার্জি, ইলেকট্রিক যানবাহন এবং ডিজিটাল প্রযুক্তিসহ গুরুত্বপূর্ণ শিল্প খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে চীন। ঢাকায় এক সেমিনারে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে চীনের আরও গভীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বেইজিংয়ের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। তিনি জানান, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের আগে দেশটিকে সকল করযোগ্য পণ্যে […]

চীন বাংলাদেশের সকল গুরুত্বপূর্ণ খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে আগ্রহী : রাষ্ট্রদূত

ছবি: সংগৃহিত

নিউজ ডেস্ক

১২ মার্চ ২০২৫, ০০:৫৬

বাংলাদেশে টেক্সটাইল, ক্লিন এনার্জি, ইলেকট্রিক যানবাহন এবং ডিজিটাল প্রযুক্তিসহ গুরুত্বপূর্ণ শিল্প খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে চীন। ঢাকায় এক সেমিনারে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে চীনের আরও গভীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বেইজিংয়ের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন।

তিনি জানান, বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের আগে দেশটিকে সকল করযোগ্য পণ্যে শূন্য-শুল্ক সুবিধা প্রদানের পরিকল্পনা করছে চীন। পাশাপাশি চীনা বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশকে আরও আকর্ষণীয় করতে উভয় দেশের যৌথ অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

রাষ্ট্রদূত জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে ইতোমধ্যে ১৪টি চীনা সংস্থা বাংলাদেশে মোট ২৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে, যা দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও গভীর হওয়ার ইঙ্গিত দেয়।

সেন্টার ফর অল্টারনেটিভস আয়োজিত এই সেমিনারে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতিতে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। অংশগ্রহণকারী বিশিষ্টজনরা বলেন, বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব আরও ভারসাম্যপূর্ণ এবং টেকসই করতে কৌশলগত নীতি গ্রহণ জরুরি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ, বাংলাদেশ ফরেন সার্ভিস একাডেমির সাবেক রেক্টর মাশফি বিনতে শামস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আমেনা মহসিন এবং স্বাধীন গবেষক সৈয়দ শাহনাওয়াজ মহসিন।

রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন দুই দেশের অংশীদারিত্ব আরও দৃঢ় করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমরা চীন-বাংলাদেশ অংশীদারিত্বের মাধ্যমে একটি প্রাণবন্ত ও শক্তিশালী ভবিষ্যৎ গড়তে চাই, যেখানে কৌশলগত সহযোগিতার বাস্তব ফলাফল নিশ্চিত হবে।” তিনি আরও বলেন, চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক জনগণকেন্দ্রিক এবং স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার মতো খাতগুলোতে চীন তার সহযোগিতা সম্প্রসারণ করছে।

কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে চীন নতুন উদ্যোগ হিসেবে প্রথম ধাপে বাংলাদেশি রোগী ও চিকিৎসকদের চীনে পাঠানোর পরিকল্পনার কথাও জানান রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, বাংলাদেশি নাগরিকদের চীনে ভ্রমণ, শিক্ষাগ্রহণ ও ব্যবসার প্রতি আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে, যা দুই দেশের অর্থনৈতিক সংযোগকে আরও দৃঢ় করছে।

বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে প্রতি সপ্তাহে ৫৮টি সরাসরি ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে, যা বাণিজ্য ও পর্যটনের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা পদ্ধতিকে আরও সহজতর করতে চীন সুশৃঙ্খল নীতিমালা বাস্তবায়ন করছে বলেও জানান তিনি।

সেমিনারে বক্তারা বাংলাদেশের শিল্প ও প্রযুক্তি খাতে চীনের ক্রমবর্ধমান বিনিয়োগ এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের মাধ্যমে টেকসই অবকাঠামো উন্নয়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন। আলোচনায় আঞ্চলিক কূটনীতিতে চীনের ভূমিকা, বিশেষ করে রোহিঙ্গা সংকটে আরও সক্রিয় পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে আলোচনা হয়।

সেমিনারে সেন্টার ফর অল্টারনেটিভসের উদ্যোগে “বাংলাদেশে চীনের জাতীয় ভাবমূর্তি” শীর্ষক একটি জরিপ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়, যেখানে চীন-বাংলাদেশ বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতি ব্যাপক জনসমর্থনের চিত্র উঠে আসে। জরিপে দেখা গেছে, ৯৯ শতাংশ বাংলাদেশি অংশগ্রহণকারী চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ককে ইতিবাচকভাবে দেখেন, যা দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার প্রতি জনগণের আস্থার প্রতিফলন।

২০২২ সালে যেখানে ৬০.১ শতাংশ বাংলাদেশি চীন সম্পর্কে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করতেন, ২০২৪ সালে তা বেড়ে ৬৬.৭ শতাংশে পৌঁছেছে। একইভাবে, চীনের অর্থনীতি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়নকে স্বীকৃতি দেওয়া বাংলাদেশিদের হার ২০২২ সালে ৫০ শতাংশ থাকলেও ২০২৪ সালে তা বেড়ে ৮৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

এই পরিসংখ্যান প্রমাণ করে যে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, কূটনৈতিক ও সামাজিক সম্পর্ক দিন দিন আরও দৃঢ় হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে এ সম্পর্ক আরও সম্প্রসারিত হবে।

২০ জুন ২০২৫
poll_title
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?

মোট ভোট: ৫১২৫

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।