মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

বারবার সংকটে পড়া বাংলাদেশকে বিএনপি উদ্ধার করেছে: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, অতীতে বারবার সংকটে পড়া বাংলাদেশকে বিএনপি উদ্ধার করেছে। এবারও দেশের গভীর সংকট থেকে উত্তরণে বিএনপিই নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের পুরাতন রেলস্টেশন এলাকায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। দীর্ঘ […]

বারবার সংকটে পড়া বাংলাদেশকে বিএনপি উদ্ধার করেছে: অর্থমন্ত্রী আমির খসরু

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫০

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, অতীতে বারবার সংকটে পড়া বাংলাদেশকে বিএনপি উদ্ধার করেছে। এবারও দেশের গভীর সংকট থেকে উত্তরণে বিএনপিই নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের পুরাতন রেলস্টেশন এলাকায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের পর দলের অনেক পরিচিত নেতাকর্মীকে আবার একসঙ্গে দেখতে পাওয়ার কথা উল্লেখ করে আমির খসরু বলেন, তাদের অনেকে আন্দোলনের সময় রাজপথে ছিলেন, কারাগারে গেছেন এবং নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। কেউ প্রাণ হারিয়েছেন, আবার কেউ পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। তাদের ত্যাগের বিনিময়েই বিএনপি আজকের অবস্থানে এসেছে।

তিনি বলেন, সরকারি দায়িত্ব পালনের কারণে অনেক সময় নেতাকর্মীদের আগের মতো সময় দেওয়া সম্ভব হয় না। তবে দীর্ঘদিন পর পরিচিত মুখগুলোকে একসঙ্গে দেখতে পেরে তিনি আনন্দিত।

দেশের বর্তমান সংকট মোকাবিলায় দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের প্রতি ভালোবাসা থাকলে সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে কাজ করতে পারেন। দেশকে সংকট থেকে বের করে আনতে মন্ত্রী-এমপি হওয়ার প্রয়োজন নেই। কিছুটা সময় লাগলেও ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে বিএনপি, দলের নেতৃত্ব এবং তারেক রহমান দেশকে এগিয়ে নিতে পারবেন।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক আদর্শ তুলে ধরে আমির খসরু বলেন, তিনি দেশপ্রেম, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি অঙ্গীকার, রাজনৈতিক শৃঙ্খলা এবং উন্নয়ন ও উৎপাদনের রাজনীতির শিক্ষা দিয়েছেন। একই সঙ্গে জাতীয়তাবাদী শক্তির ব্যানারে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজনীতি করার পথ দেখিয়েছেন।

তিনি বলেন, দলের চেয়ে দেশ বড়—এ শিক্ষাই জিয়াউর রহমান দিয়েছেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াও নিজের জীবন দিয়ে সেই আদর্শের শিক্ষা দিয়েছেন। অসংখ্য নেতাকর্মীর আত্মত্যাগ ও কারাবরণের বিনিময়ে আজ দেশের জন্য কাজ করার সুযোগ এসেছে। এখন সেই ত্যাগকে দেশ গঠনের কাজে লাগাতে হবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যেও বড় বাজেট দেওয়ার সাহস দেখিয়েছে বিএনপি সরকার। এই বাজেট পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। দেশের মানুষের সমস্যাকে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সমস্যা হিসেবে নয়, সামগ্রিক জনগণের সমস্যা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা হবে।

তিনি আরও বলেন, অনেক ত্যাগের বিনিময়ে দেশে একটি গণতান্ত্রিক নির্বাচন, নির্বাচিত সংসদ ও সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এখন জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করাই সরকারের প্রধান দায়িত্ব।

দেশের উন্নয়ন ও সরকারি কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত করার যেকোনো অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে আমির খসরু বলেন, উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করলে দেশের মানুষ তাদের ক্ষমা করবে না। এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ ও দখলদারদের বিষয়ে স্থানীয় মানুষ জানেন। তাই শুধু পুলিশের ওপর নির্ভর না করে তাদের আইনের আওতায় আনতে সহযোগিতা করতে হবে।

তিনি বলেন, দেশের উন্নয়ন ও সরকারি কর্মকাণ্ড ব্যাহত করতে বিভিন্ন অপশক্তি সক্রিয় হতে পারে। তাদের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। শহীদ জিয়াউর রহমান, বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান যে বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ। সঞ্চালনা করেন মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব নাজিমুর রহমান। এ সময় বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন নেতা বক্তব্য দেন।

সমাবেশে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন। পরে সেখান থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি নগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কোতোয়ালি হয়ে লালদীঘি এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।

এর আগে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিকে ঘিরে দুপুর থেকেই নগরের বিভিন্ন থানা, ওয়ার্ড ও ইউনিট থেকে নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে সমাবেশস্থলে জড়ো হতে থাকেন। মহানগর বিএনপির পাশাপাশি যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, শ্রমিক দল, মহিলা দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরাও পৃথক মিছিল নিয়ে কর্মসূচিতে যোগ দেন।

এ সময় দলীয় পতাকা, ব্যানার, ফেস্টুন ও বিভিন্ন স্লোগানে পুরাতন রেলস্টেশন ও আশপাশের এলাকা মুখর হয়ে ওঠে। ‘শুভ শুভ শুভ দিন, বিএনপির জন্মদিন’, ‘এক জিয়া লোকান্তরে, লক্ষ জিয়া ঘরে ঘরে’—এমন বিভিন্ন স্লোগান দেন নেতাকর্মীরা। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।