সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

ধর্ষককে খোলা স্থানে প্রকাশ্যে শাস্তি দেওয়া উচিৎ

ধর্ষণ একটি ভয়াবহ অপরাধ, যা শুধুমাত্র ভুক্তভোগীর জীবনকেই ধ্বংস করে না, বরং পুরো সমাজের জন্য আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ধর্ষণের ঘটনায় বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে জনগণের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ বিরাজ করছে। অনেকেই মনে করেন, প্রচলিত বিচারব্যবস্থা যথেষ্ট কার্যকর নয় এবং ধর্ষকদের জন্য কঠোর শাস্তি না থাকায় তারা বারবার একই অপরাধ করে। এজন্য অনেকে দাবি করছেন, ধর্ষকদের […]

ধর্ষককে খোলা স্থানে প্রকাশ্যে শাস্তি দেওয়া উচিৎ

ছবি : সংগৃহিত

নিউজ ডেস্ক

০৯ মার্চ ২০২৫, ১৯:৩৭

ধর্ষণ একটি ভয়াবহ অপরাধ, যা শুধুমাত্র ভুক্তভোগীর জীবনকেই ধ্বংস করে না, বরং পুরো সমাজের জন্য আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ধর্ষণের ঘটনায় বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে জনগণের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে অসন্তোষ বিরাজ করছে।

অনেকেই মনে করেন, প্রচলিত বিচারব্যবস্থা যথেষ্ট কার্যকর নয় এবং ধর্ষকদের জন্য কঠোর শাস্তি না থাকায় তারা বারবার একই অপরাধ করে। এজন্য অনেকে দাবি করছেন, ধর্ষকদের প্রকাশ্যে শাস্তি দেওয়া উচিত, যাতে তারা আর কখনো এমন ঘৃণ্য অপরাধ করতে সাহস না পায়।

কঠোর শাস্তির পক্ষে যুক্তি
১. ভয় ও প্রতিরোধ সৃষ্টি: অনেকের মতে, ধর্ষকদের প্রকাশ্যে শাস্তি দিলে সমাজে একটি শক্তিশালী বার্তা যাবে যে, এ ধরনের অপরাধের জন্য কোনো ছাড় নেই। এটি অন্য অপরাধীদের জন্য একটি সতর্কবার্তা হিসেবে কাজ করবে এবং তারা অপরাধ করার আগে দুইবার চিন্তা করবে।

বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা এড়ানো: প্রচলিত আইনি প্রক্রিয়ায় ধর্ষণ মামলার বিচার দীর্ঘ সময় নেয় এবং অনেক সময় ভুক্তভোগী ন্যায়বিচার পান না। প্রকাশ্যে দ্রুত শাস্তি কার্যকর করলে বিচার ব্যবস্থার ওপর জনগণের আস্থা বাড়তে পারে।

ভুক্তভোগীর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা : ধর্ষণের শিকার নারীরা অনেক সময় সামাজিক লজ্জা, ভয় ও হুমকির কারণে ন্যায়বিচার পান না। প্রকাশ্যে শাস্তি কার্যকর হলে ভুক্তভোগী এবং তার পরিবার মনস্তাত্ত্বিকভাবে কিছুটা স্বস্তি পেতে পারে।

কঠোর শাস্তির বিপক্ষে যুক্তি
১. আইনের শাসনের পরিপন্থী: প্রকাশ্যে শাস্তি দেওয়ার প্রক্রিয়া যদি আইনসম্মত না হয়, তবে এটি এক ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে। বিচারব্যবস্থা প্রমাণ ছাড়া কাউকে দোষী সাব্যস্ত করতে পারে না, কিন্তু জনমতের ভিত্তিতে যদি প্রকাশ্যে শাস্তি কার্যকর করা হয়, তাহলে ভুল সিদ্ধান্তের ঝুঁকি থেকে যায়।

সহিংসতার সংস্কৃতি তৈরি: সমাজে যদি প্রকাশ্যে কঠোর শাস্তির প্রচলন হয়, তবে এটি জনসাধারণের মধ্যে হিংস্রতা বাড়িয়ে তুলতে পারে। ভবিষ্যতে অন্য অপরাধের ক্ষেত্রেও মানুষ নিজ হাতে আইন তুলে নেওয়ার প্রবণতা দেখাতে পারে, যা সামাজিক বিশৃঙ্খলা ডেকে আনতে পারে।

মানবাধিকার লঙ্ঘন: আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো সবসময় বলছে, প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড বা কঠোর শাস্তি দেওয়া নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। এটি একজন অপরাধীর মৌলিক মানবাধিকারের পরিপন্থী। এছাড়া, যদি কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি ভুলভাবে অভিযুক্ত হন, তবে তাকে প্রকাশ্যে শাস্তি দেওয়া হলে পরবর্তীতে সেই ভুল আর সংশোধনের সুযোগ থাকবে না।

প্রকাশ্যে শাস্তির দাবির পেছনে জনগণের মূল চাহিদা হলো কার্যকর ও দ্রুত বিচার। তাই ধর্ষণের মতো অপরাধের ক্ষেত্রে তদন্তের গতি বাড়ানো, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা, ভুক্তভোগীদের জন্য নিরাপদ ও সহানুভূতিশীল বিচারব্যবস্থা নিশ্চিত করা দরকার।

সর্বোপরি, কেবল কঠোর শাস্তি দিলেই ধর্ষণ বন্ধ হবে না। অপরাধ প্রতিরোধে শিক্ষা, সচেতনতা বৃদ্ধি, নারীদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন এবং কঠোর আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সংস্কার প্রয়োজন। ধর্ষণ একটি সামাজিক ব্যাধি, যার সমাধান শুধুমাত্র কঠোর শাস্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে পুরো সমাজকেই দায়িত্ব নিতে হবে।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।