সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী সব অপরাধের বিচার হতেই হবে

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা দিয়েছেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর ভারতে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের সম্মুখীন হতে হবে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম স্কাই নিউজের এশিয়া সংবাদদাতা কর্ডেলিয়া লিঞ্চকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এই কঠোর বার্তা দেন। স্কাই নিউজ বুধবার (৫ মার্চ) এই সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করে, যেখানে […]

শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী সব অপরাধের বিচার হতেই হবে

ছবি: সংগৃহিত

নিউজ ডেস্ক

০৫ মার্চ ২০২৫, ১১:২২

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা দিয়েছেন, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর ভারতে পালিয়ে যাওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের সম্মুখীন হতে হবে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম স্কাই নিউজের এশিয়া সংবাদদাতা কর্ডেলিয়া লিঞ্চকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এই কঠোর বার্তা দেন।

স্কাই নিউজ বুধবার (৫ মার্চ) এই সাক্ষাৎকারটি প্রকাশ করে, যেখানে ড. ইউনূস দ্ব্যর্থহীনভাবে বলেন, “শেখ হাসিনার বিচার হবে, তিনি দেশে থাকুন বা না থাকুন— এটি অনিবার্য।” তিনি আরও বলেন, “শুধু হাসিনা নন, তার পরিবারের সদস্য, রাজনৈতিক সহযোগী, মদদদাতা— সকলকেই আইনের আওতায় আনা হবে।”

শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যেসব গুরুতর অভিযোগ রয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হলো জোরপূর্বক গুমের নেটওয়ার্ক পরিচালনা করা, যেখানে হাজারো বিরোধী নেতাকর্মী, ছাত্রনেতা, মানবাধিকার কর্মী এবং সাংবাদিকদের নির্যাতনের মাধ্যমে নিখোঁজ করা হয়েছে। এছাড়া, গত বছরের জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় বর্বর গণহত্যার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন তিনিই।

সাক্ষাৎকারে অধ্যাপক ইউনূস দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, “শেখ হাসিনার বিচার হবে— এটি কোনো প্রতিশোধ নয়, এটি ইতিহাসের দায়।” তিনি ব্যাখ্যা করেন, আওয়ামী লীগ শাসনামলে অবৈধভাবে বন্দিশালা পরিচালনা করা হয়েছে, যেখানে নির্যাতন, গুম, হত্যা ছিল নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা।

তিনি আরও জানান, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের আদালত ইতোমধ্যে দুইটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে এবং তার প্রত্যর্পণের জন্য ভারত সরকারকে আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হয়েছে। তবে নয়াদিল্লি এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “আমরা পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছি— শেখ হাসিনার বিচার ঠেকানো যাবে না। তিনি নিজে দেশে ফিরে আসুন, অথবা আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের মুখোমুখি হোন— আইনের হাত দীর্ঘ, কেউ রেহাই পাবে না।”

সম্প্রতি, অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশে ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিত গোপন কারাগার পরিদর্শন করেছেন অধ্যাপক ইউনূস। এটি সেই বন্দিশালা, যেখানে গত এক দশকে হাজারো নিরপরাধ মানুষকে আটক রেখে নির্মম নির্যাতন চালানো হয়েছে। এই ভয়ংকর অভিজ্ঞতা সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমি যা দেখেছি, তা বর্ণনাতীত। এটি মানবসভ্যতার অন্যতম কলঙ্কজনক অধ্যায়।”

শেখ হাসিনার ক্ষমতার অপব্যবহার ও রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “তার পুরো প্রশাসনই ছিল এক ভয়ংকর দমনযন্ত্র। যেখানে পুলিশ, র‍্যাব, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে নির্যাতনের অস্ত্রে পরিণত করা হয়েছিল। এটি ছিল রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত ভয়ংকর মানবাধিকার লঙ্ঘনের নীলনকশা।”

অপরাধীদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “পুরো প্রশাসন এতে জড়িত ছিল। এখন আমাদের কাজ হচ্ছে— কে সরাসরি অপরাধ সংঘটিত করেছে, কে আদেশ দিয়েছে, আর কে নীরব সমর্থন দিয়েছে— তা বের করে তাদের বিচারের আওতায় আনা।”

এদিকে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রধান প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, চলতি মাসেই শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাসহ গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে। এক থেকে দেড় মাসের মধ্যেই বিচার শুরু হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

তিনি বলেন, “আমরা আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বজায় রেখে, নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করব। তবে অপরাধীরা ছাড় পাবে না। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা সর্বোচ্চ কঠোরতা অবলম্বন করব।”

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এটি এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিচার শুধু বাংলাদেশ নয়, আন্তর্জাতিক মহলেও ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই বিচার মানবাধিকার লঙ্ঘন ও রাষ্ট্রীয় অপরাধ দমনে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৪

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৪

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩