বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মুন্সিগঞ্জে নিখোঁজের সন্ধান চেয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম

আক্কাছ আলী (মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি) রাজধানী ঢাকার ওয়ারীর বাসা থেকে মুন্সিগঞ্জে এসে নিখোঁজ হওয়া যুবক মো. সাইফুল ইসলাম লিখনের (৩৩) সন্ধান চেয়ে মানববন্ধন ও থানা ফটকে বিক্ষোভ করেছে নিহতের স্বজন ও স্থাণীয়রা। এ সময় তার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে। শনিবার (১ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১ টা থেকে সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত মুন্সিগঞ্জ শহরের মুন্সিগঞ্জ প্রেসক্লাবের […]

নিউজ ডেস্ক

০১ মার্চ ২০২৫, ১৭:৩৮

আক্কাছ আলী (মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি)

রাজধানী ঢাকার ওয়ারীর বাসা থেকে মুন্সিগঞ্জে এসে নিখোঁজ হওয়া যুবক মো. সাইফুল ইসলাম লিখনের (৩৩) সন্ধান চেয়ে মানববন্ধন ও থানা ফটকে বিক্ষোভ করেছে নিহতের স্বজন ও স্থাণীয়রা। এ সময় তার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়েছে।

শনিবার (১ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১ টা থেকে সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত মুন্সিগঞ্জ শহরের মুন্সিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে কামরখাড়া ইউনিয়নবাসীর ব্যানারে এ মানববন্ধন করে। পরে তারা সদর থানা ফটকে বিক্ষোভ করেন।

মানববন্ধনে, নিখোঁজ যুবকের স্বজনসহ এলাকাবাসী অংশ নেন। মানববন্ধনে যুবকের সন্ধান চেয়ে নানা শ্লোগান দেওয়া হয়। এ সময় স্বজনদের কান্নার রোল পড়ে যায়। পরে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে সদর থানা ফটকে অবস্থান গ্রহন করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। এ সময় যুবকের সন্ধান দিতে পুলিশ আশ্বাস দিলে তারা সরে আসেন।

নিখোঁজ লিখনের গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি উপজেলার কামরখাড়া গ্রামে। পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন ঢাকার ওয়ারীতে।

নিখোঁজ যুবক লিখনের বাবা মো. দুলাল হাওলাদার জানান, মুন্সিগঞ্জ শহরের দক্ষিন ইসলামপুর এলাকার বন্ধু সাদ্দাম হোসেন সম্রাটের নিমন্ত্রনে গত ৬ ফেব্রুয়ারী ঢাকার ওয়ারীর বাসা থেকে রওনা হন তার ছেলে।

মুন্সিগঞ্জ শহরে আসার পর ওইদিন রাত ৮ টার পর থেকে লিখন নিখোঁজ হয়। ২৩ দিন ধরে নিখোঁজ থাকলেও তার ছেলের কোনো সন্ধান পাচ্ছেন না।

বাবা দুলাল হাওলাদার আরো জানান, ছেলে নিখোঁজের ঘটনায় গত ৭ ফেব্রুয়ারী তিনি মুন্সিগঞ্জ সদর থানায় সাধারণ ডায়েরী করেন। এরপর তার সন্ধান না পেয়ে গত ১৩ ফেব্রুয়ারী সাদ্দাম হোসেন সম্রাটসহ ৬ বন্দুর নাম উল্লেখ করে অপহরন মামলা দায়ের করেন তিনি।

নিখোঁজ লিখনের বড় বোন ফাতেমা বলেন, আমার ভাই ২৫ দিন ধরে নিখোঁজ। এরআগেও আমরা মানববন্ধন করেছি পুলিশ কিছুই করতে পারে নাই।

আমরা সন্দেহ বাজন আসামিদের নাম দিয়েছি, তারা তাদেরও জিজ্ঞেসাবাদ করে নাই। আমরা পুলিশ প্রশাসনকে এখন ৪৮ ঘন্টা টাইম দিয়েছি, তানাহলে আবারও ঘেরাও কর্মসূচী করবো।

এ ব্যাপারে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল আলম বলেন, আমার থানার পুলিশ ও ডিবি যুবকের খোঁজে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রথমে নিখোঁজের ঘটনায় জিডি হয়।

পরবর্তীতে কিছু তথ্য প্রমান পেয়ে একটি অপহরন মামলা রুজু করেছি। ইনশাআল্লাহ আমরা যুবকের একটা খবর দিতে পারবো। তাকে ফিরত আমরা আনবো।

এ বিষয় মুন্সিগঞ্জ পুলিশ সুপার মুহম্মদ শামসুল আলম সরকার জানান, আমরা নিখোঁজের বিষয় তদন্ত করছি। তদন্তে যারা জরিত হবে, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।