বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নামে এখনো যেসব মামলা বহাল

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নামে ২টি এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নামে এখনো ৪টি মামলা বহাল আছে।এরমধ্যে খালেদা জিয়ার নামে কুমিল্লায় একটি হত্যা ও একটি বিস্ফোরক মামলা রয়েছে।আর তারেক রহমানের নামে রয়েছে দুদকের করা জ্ঞাতআয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপনের মামলা, মানি লন্ডারিংয়ের মামলা ও ঢাকার বাইরে ২টি মানহানির মামলা। বিগত সেনাসমর্থিত […]

নিউজ ডেস্ক

২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৮:৪২

সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নামে ২টি এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নামে এখনো ৪টি মামলা বহাল আছে।এরমধ্যে খালেদা জিয়ার নামে কুমিল্লায় একটি হত্যা ও একটি বিস্ফোরক মামলা রয়েছে।আর তারেক রহমানের নামে রয়েছে দুদকের করা জ্ঞাতআয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপনের মামলা, মানি লন্ডারিংয়ের মামলা ও ঢাকার বাইরে ২টি মানহানির মামলা।

বিগত সেনাসমর্থিত ওয়ান-ইলেভেন সরকার এবং পতিত স্বৈরাচার আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সারা দেশে এখন পর্যন্ত ৩৭টি এবং তার ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সারা দেশে ৮৩টি মামলা করার তথ্য মিলেছে।ইতোমধ্যে খালেদা জিয়ার ৩৫টি ও তারেক রহমানের ৭৯টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। মামলাগুলোর মধ্যে অনেকগুলো খারিজ এবং কিছু মামলায় খালাস দেওয়া হয়। মামলা চলার মতো উপাদান না থাকায় কয়েকটি মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

পেন্ডিং মামলাগুলোর সঙ্গে বিবাদী পক্ষের সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা জানিয়েছেন, অবশিষ্ট ছয়টি মামলা থেকে অব্যাহতি পেলে একেবারে মামলামুক্ত হয়ে যাবেন ‘আপসহীন নেত্রী’ খ্যাত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং বিএনপির ‘চালিকাশক্তি’ হিসাবে সুপ্রতিষ্ঠিত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তারা আশাবাদী সব পক্ষ সক্রিয় থাকলে কম সময়ের ব্যবধানে বাকি মামলাগুলো থেকে নির্দোষ প্রমাণিত হয়ে একেবারে মুক্ত হবেন তারা।

বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ৩৭টি ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ৮৩টি মামলা করা হয়। এসব মামলার সঙ্গে উনাদের কোনো সম্পর্ক নেই। এর মধ্যে খালেদা জিয়ার ৩৫টি এবং তারেক রহমানের ৭৯টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে।

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সারা দেশে হওয়া ৩৭টি মামলার মধ্যে পাঁচটি দুর্নীতি মামলা, চারটি মানহানির ও একটি রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা। বাকিগুলো হত্যা, নাশকতা, অগ্নিসংযোগ, বোমা হামলা, মুক্তিযুদ্ধের শহিদদের নিয়ে কটাক্ষ, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, ‘মিথ্যা’ জন্মদিন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির অভিযোগে করা হয়। এর মধ্যে ঢাকায় ২৮টি আর ঢাকার বাইরে ৯টি মামলা হয়। ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এখন পর্যন্ত ৩৫টি মামলা নিষ্পত্তি হয়েছে। শুধু কুমিল্লায় করা তিনটির মামলার মধ্যে একটি হত্যা ও একটি বিস্ফোরক মামলা নিষ্পত্তির বাকি রয়েছে।

অপরদিকে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সারা দেশে করা ৮৪টি মামলার মধ্যে ৭৯টি মামলা ইতোমধ্যে নিষ্পত্তি হয়েছে। নিষ্পত্তি হতে বাকি রয়েছে দুদকের করা জ্ঞাতআয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপনের মামলা, মানি লন্ডারিংয়ের মামলা ও ঢাকার বাইরে ২টি মানহানির মামলা।

এদিকে এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব ব্যারিস্টার কায়সার কামাল আরও বলেন, ‘বিগত সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে এবং ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের বিরুদ্ধে প্রতিটি মামলায় অসৎ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দায়ের করা হয়। আমরা প্রথম থেকে বলে আসছিলাম আইন তার নিজস্ব গতিতে চললে, দেশে আইনের শাসন কায়েম হলে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ন্যায়বিচার পাবেন। আমরা শুকরিয়া, উনারা ন্যায়বিচার পাচ্ছেন।’

কায়সার কামাল বলেন, উনাদের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত ঈর্ষা থেকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এ মামলাগুলো করা হয় এবং দুঃখজনকভাবে কয়েকটিতে সাজা পর্যন্ত দেওয়া হয়েছিল। তবে এসব মামলা যে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে করা হয়েছিল তা এখন প্রমাণিত হচ্ছে। নিষ্পত্তি হওয়া প্রত্যেকটি মামলা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শেষ হয়েছে। এখানে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করা হয়নি। কিছু কিছু মামলা আদালতের মাধ্যমে বাতিল হয়েছে। কিছু কিছু মামলা খারিজ হয়েছে। এছাড়া কিছু মামলায় তারা বেকসুর খালাস পেয়েছেন।

খালেদা জিয়ার অবশিষ্ট ২ মামলা : একই বছরে বিএনপির টানা অবরোধ-হরতালের মধ্যে ২০১৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে একটি বাসে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপে আট যাত্রীর মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় খালেদা জিয়াকে হুকুমের আসামি করে চৌদ্দগ্রাম থানার তৎকালীন এসআই নুরুজ্জামান বাদী হয়ে পৃথকভাবে দুটি মামলা করেন। এরমধ্যে একটি বিশেষ ক্ষমতা আইনে, অপরটি হত্যা মামলা। এ দুটি মামলা এখন চার্জ গঠন শুনানির জন্য কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ মাহবুবুর রহমানের আদালতে আছে।

এ মামলায় খালেদা জিয়ার আইনজীবী কায়ুমুল হক রিংকু বৃহস্পতিবার বলেন, বিগত সরকারের আমলে কুমিল্লায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে তিনটি মামলা হয়। এর মধ্যে বাসে আগুন দেওয়ার ঘটনায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুটি মামলা করা হয়। এ মামলা দুটি চার্জ গঠন শুনানির জন্য আছে। আশা করছি, এ দুটি মামলা থেকেও তিনি অব্যাহতি পাবেন।

এর আগে ২০১৫ সালের ২৫ জানুয়ারি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রামের হায়দারপুল এলাকায় একটি কাভার্ডভ্যানে অগ্নিসংযোগ ও আশপাশের বেশকিছু গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে এবং নাশকতার অভিযোগে মামলা হয়। এ মামলায় চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি কুমিল্লার এক নম্বর অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আফরোজা শিউলি তাকে অব্যাহতি দেন। বিচার শুরু করার মতো প্রয়োজনীয় উপাদান না থাকায় প্রত্যেককে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

তারেক রহমানের বাকি ৪ মামলা : সিঙ্গাপুরে অর্থ পাচারের অভিযোগে মামলায় ২০১৩ সালের ১৭ নভেম্বর ঢাকার একটি আদালত তারেক রহমানকে খালাস দেন। ওই মামলায় তারেকের বন্ধু ও ব্যবসায়ী গিয়াসউদ্দিন আল মামুনকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বিচারিক আদালতের ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করে দুদক। ২০১৬ সালে বিচারিক আদালতের রায় বাতিল করে তারেক রহমানকে ৭ বছরের কারাদণ্ড দেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি ২০ কোটি টাকা জরিমানা করেন। মামলাটি হাইকোর্টে চূড়ান্ত নিষ্পত্তির অপেক্ষায় আছে।

এছাড়াও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) রাজধানীর কাফরুল থানায় একটি মামলা করা হয়। এ মামলায় তারেক রহমান, তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং শাশুড়ি ইকবাল মান্দ বানুকে আসামি করা হয়। তবে ইকবাল মান্দ বানু মারা যাওয়ায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এদিকে ২০২৩ সালের ২ আগস্ট ঢাকার একটি আদালত উল্লিখিত মামলায় রায় ঘোষণা করেন। রায়ে তারেক রহমানকে ৯ বছর এবং তার স্ত্রী জুবাইদা রহমানকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তারেক রহমানের প্রায় ৩ কোটি টাকার সম্পদ বাজেয়াপ্তের আদেশও দেওয়া হয়। তবে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সরকারের নির্বাহী আদেশে সেই রায় ২০২৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর স্থগিত করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগ থেকে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ডা. জুবাইদা রহমানের সাজা স্থগিতের বিষয়ে দাখিল করা আবেদন এবং আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের মতামতের আলোকে ফৌজদারি কার্যবিধির কোড, (আইন নং-ভি ১৮৯৮ সাল) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে আদালতে আত্মসমর্পণ করে আপিল দায়েরের শর্তে এক বছরের জন্য রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সাজা স্থগিত করা হয়েছে।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, তারেক রহমানের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলাগুলো নিষ্পত্তি হওয়া প্রায় শেষ। এখন সাজা দেওয়া দুটি মামলা ও মানহানির আরও দুটি মামলা নিষ্পত্তি বাকি আছে। একটা নিম্ন আদালতে আরেকটা হাইকোর্টের আপিল বিভাগে পেন্ডিং। প্রত্যেকটা মামলায় আইনি প্রক্রিয়ায় আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়েছে। যেগুলো বাকি আছে, সেগুলোও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই অব্যাহতি বা খালাস পেয়ে শেষ হবে বলে আশা করছি।

এছাড়া তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ঢাকার বাইরে দুটি মানহানির মামলা পেন্ডিং আছে। তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারেনি।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।