সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

বিতর্কিত উপদেষ্টাদের বলে দিতে চাই ‘মাত্রাতিরিক্ত সুশীলগিরি করবেন না’

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক কঠোর ভাষায় অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু উপদেষ্টার সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘সুশীলগিরি ভালো, তবে মাত্রাতিরিক্ত সুশীলগিরি করবেন না। অন্তর্বর্তী সরকারের বিতর্কিত উপদেষ্টারা আমাদের মব জাস্টিস বোঝানোর চেষ্টা করবেন না।’ মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে খেলাফত মজলিস রাজশাহী জেলা শাখা আয়োজিত গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। […]

বিতর্কিত উপদেষ্টাদের বলে দিতে চাই ‘মাত্রাতিরিক্ত সুশীলগিরি করবেন না’

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ০৯:১০

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মামুনুল হক কঠোর ভাষায় অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু উপদেষ্টার সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘সুশীলগিরি ভালো, তবে মাত্রাতিরিক্ত সুশীলগিরি করবেন না। অন্তর্বর্তী সরকারের বিতর্কিত উপদেষ্টারা আমাদের মব জাস্টিস বোঝানোর চেষ্টা করবেন না।’

মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে খেলাফত মজলিস রাজশাহী জেলা শাখা আয়োজিত গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মামুনুল হক আরও বলেন, ‘২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বাংলার মানুষ সেই মহা সুসংবাদ পেয়েছিল—দুপুর দুইটার দিকে শেখ হাসিনা পালিয়েছে। মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত একটাই দৃশ্য দেখা গেছে। কোনো নেতার ঘোষণা লাগেনি, কোনো আলেমের আহ্বানের প্রয়োজন হয়নি, টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত যত ভাস্কর্য বা মূর্তি ছিল, সব গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু মুসলমানদের জনপদ থেকে ভাস্কর্য সরালেও, হিন্দুদের মন্দির ও উপাসনালয়ের কোনো মূর্তির গায়ে একটা ফুলের টোকাও দেওয়া হয়নি। এ দুটি চিত্র বাংলাদেশের মানুষ মনে রাখবে।’

ভারতকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রতিবেশী দেশকে আমরা বলব—আমাদের এখান থেকে পলাতক শত শত খুনের মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি (শেখ হাসিনা), যার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে, সেই পলাতক আসামিকে আপনারা প্রশ্রয় দিয়েছেন। শুধু প্রশ্রয় নয়, তাকে বধূর মতো যত্ন করে রেখেছেন। কারণ, তিনি আপনাদের ১৬ বছর সার্ভিস দিয়েছেন এবং গোটা বাংলাদেশটাকে আপনাদের হাতে তুলে দিয়েছেন।’

এই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে মামুনুল হকের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা চলছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের ভূমিকা নিয়ে দেশজুড়ে বাড়তে থাকা বিতর্ক আরও গভীর হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে যদি এভাবেই নাক গলাতে থাকে বাংলার মানুষ আপনাদের সঙ্গে সৌজন্যতামূলক কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক রাখতে পারবে না। আপনাকে আমার দেশের পররাষ্ট্রনীতির প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করতে হবে। কূটনৈতিক সৌজন্য রক্ষা করতে হবে। আর যদি আমার বাংলাদেশকে মনে করেন আপনার ক্রীতদাসী আমলার মতো, আর বাংলাদেশের স্বাধীন পতাকায় আপনারা অগ্নিসংযোগ করবেন, আমার আগরতলার উপ-হাইকমিশনে এভাবেই আক্রমণের পর আক্রমণ চালিয়ে যাবেন- বাংলার শাহজালালের সন্তানরা নীরবে বসে থাকবে না।’

খেলাফত মজলিসের আমির বলেন, ‘কলকাতায় নির্বাসিত ইসলামবিরোধী, চরম বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিনের প্রতি বাংলার মাটিতে বসে পীরিত দেখান, মনে রাখেন এ দেশের মানুষ সহনশীল। কিন্তু দুর্বল নয়। আগস্ট বিপ্লবের পরে ফ্যাসিবাদবিরোধী বাংলার মাটিতে বসে এ দেশের মুসলমানদের বুকের উপর দাঁড়িয়ে তসলিমা নাসরিনের মতো কুখ্যাত লেখিকাকে আবার বাংলাদেশের মাটিতে প্রকাশ্যে পুনর্বাসনের চেষ্টা করবে এ দেশের মানুষ কোনো দিন বরদাস্ত করবে না।’

খেলাফত মজলিসের আমির আরও বলেন, ‘আমরা ২০১৩ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত রাজপথে রক্ত দিয়ে আজ এ পর্যন্ত দাঁড়িয়েছি। আপনাদের কোনো করুণার ভিখারি আমরা নই। যদি আমাদের করুণার পাত্র মনে করেন ওপেন চ্যালেঞ্জ ঘোষণা করলাম- আসুন আমাদের মোকাবিলা করে দেখুন, এত সহজ হবে না।’

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের এ নেতা বলেন, ‘এ দেশে আমরা ইসলাম ও এর গৌরব নিয়ে বাঁচব। মনে রাখতে হবে- ঐতিহাসিকভাবে বিগত ২৫০ বছরের ইতিহাস প্রমাণ করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও ইসলাম একই সূত্রে গাঁথা। যদি বাংলাদেশে ইসলাম আক্রান্ত হয়, তাহলে স্বাধীনতা বিপন্ন হবে। সুতরাং দেশে যারা ইসলামবিরোধী, তারাই স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তি। যারা ইসলামকে সহ্য করতে পারে না, তারাই স্বাধীনতার দুশমন। আমরা ছাড় দেব, কিন্তু ছেড়ে দিয়ে কথা বলব না।’

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।