রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

ফেসবুকে মুজিব, আ’লীগ ও ছাত্রলীগ নিয়ে কটূক্তি, বহিষ্কৃত হয়েছিলেন ইবির তিন শিক্ষার্থী

ইরফান উল্লাহ, (ইবি প্রতিনিধি): ২০২০ সালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ, শেখ মুজিব এবং আ’লীগ নেতাকে নিয়ে মন্তব্য করায় ৩ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেন সাবেক উপাচার্য ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী। সাময়িক বহিষ্কৃত তিন শিক্ষার্থী হলেন, বাংলা বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তানজিদা সুলতানা ছন্দ ও একই বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের সাদিকুল ইসলাম এবং আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের […]

নিউজ ডেস্ক

৩০ জানুয়ারী ২০২৫, ২০:৪৯

ইরফান উল্লাহ, (ইবি প্রতিনিধি):

২০২০ সালে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ, শেখ মুজিব এবং আ’লীগ নেতাকে নিয়ে মন্তব্য করায় ৩ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেন সাবেক উপাচার্য ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী। সাময়িক বহিষ্কৃত তিন শিক্ষার্থী হলেন, বাংলা বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তানজিদা সুলতানা ছন্দ ও একই বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের সাদিকুল ইসলাম এবং আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের আশিকুল ইসলাম পাটোয়ারী”। তাদেরকে স্থায়ী বহিষ্কারের পূর্বে সাত দিনের মধ্যে কারণ দর্শিয়ে রেজিস্ট্রার বরাবর ই-মেইলে পত্র প্রেরণের জন্য বলা হয়।

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, ৭ এপ্রিল ২০২০ সালে সেনা অভ্যুত্থানে নিহত শেখ মুজিব হত্যার আসামি হিসেবে মাজেদের গ্রেপ্তার নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক কর্মী সাজ্জাদ হোসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উক্তি টেনে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেন। ঐ পোস্টে বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী তানজিদা সুলতানা ছন্দ শেখ মুজিব হত্যার বিচারকে ‘পুরাতন কাসুন্দি ঘাটা’ বলে করে মন্তব্য করেন।

তার এমন মন্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল শিক্ষক ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তারা ঐ ছাত্রীর শাস্তি ও বহিষ্কারের দাবি জানান। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে ৮ এপ্রিল রাতেই তানজিদা সুলতানাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়।

ঐ ঘটনার পরেরদিনই শেখ মুজিবকে কটুক্তির দায়ে “আশিকুল ইসলাম পাটোয়ারী” নামে আরেক শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করে প্রশাসন। ফেসবুকে নিজ টাইমলাইনে ‘শেখ মুজিবকে ফেরেশতারূপে হাজিরকরণ’ ও শেখ মুজিব হত্যার বিচারকে ‘ব্যবসা’ উল্লেখ করে স্ট্যাটাস দেন। পরে বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় শুরু হলে তাকে তাৎক্ষণিক বহিষ্কার করে প্রশাসন। ওই শিক্ষার্থী ছাত্র মৈত্রী ইবি শাখার কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যও ছিলেন। উপরোক্ত ঘটনায় তাকে দল থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়।

এদিকে ১৫ জুন প্রয়াত আওয়ামীলীগ নেতা মোহাম্মাদ নাসিমকে নিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাসে কটূক্তি করার অভিযোগে ছাত্র ইউনিয়ন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের (ইবি) সাধারণ সম্পাদক সাদিকুল ইসলামকে সাময়িক বহিষ্কার করে প্রশাসন । এসময় সাদিকুলের বহিষ্কারাদেশ তুলে নেয়ার দাবি জানায় সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন সংসদের নেতা-কর্মীরা।

একইসঙ্গে ঘটনা তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটিও করা হয়। কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ড. পরেশ চন্দ্র বর্ম্মণকে আহ্বায়ক করা হয়। কমিটির অন্য সদস্য হিসেবে ছিলেন আইন বিভাগের প্রফেসর ড. রেহানা পারভীন এবং পরিসংখ্যান বিভাগের সভাপতি ড. সাজ্জাদ হোসেন। পরে ঐ শিক্ষার্থীরা তদন্ত কমিটির কাছে যৌক্তিক কারণ তুলে ধরেন। কমিটি তাদের কথা শ্রবণ শেষে কারণগুলো লিখিতভাবে দিতে বললে তারা তা জমা দেন।

তবে ততকালীন প্রশাসন পরিবর্তন হওয়ায় তাদের ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। পরবর্তী প্রশাসনের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এস এম আব্দুল লতিফ বলেন, তিন শিক্ষার্থীই বিগত ভিসির সময়ে সাময়িক বহিষ্কৃত হয়েছিল। নতুন ভিসি আসার পর তাদের ব্যাপারে চূড়ান্ত কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।

সেসময় এ বিষয়ে ততকালীন ভিসি প্রফেসর ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী গণমাধ্যমকে বলেন, সবাই যখন জাতির পিতার খুনিদের বিচার দাবি করছে সে সময় ঐ ছাত্রীর এমন মন্তব্য জাতির পিতার প্রতি অসম্মান। একইসঙ্গে এ মন্তব্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে। বিষয়টি আমার দৃষ্টিগোচর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেরি না করে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। ঐ ছাত্রী অভিযোগ স্বীকার করেছে।

প্রাথমিকভাবে তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া কেন তাকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে না, এ মর্মে বিশ্ববিদ্যালয় খোলার সাত কার্য দিবসের মধ্যে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। ঘটনার কারণ যাচাইয়ে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। কমিটি রিপোর্ট পেশ করলে আমরা চূড়ান্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করব। আশাকরি সরকারও এ বিষয়ে কঠোর হবেন।

অভিযুক্ত শিক্ষার্থী এবং তৎকালীন ছাত্র ইউনিয়নের ইবি শাখার সাধারণ সম্পাদক সাদিকুল ইসলাম বলেন, আমার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে আমি কী লিখেছি সেটা নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় আইন প্রয়োগ করতে পারে না। এটা সম্পূর্ণ আইন বহির্ভূত বহিষ্কারাদেশ। তদন্ত কমিটি ও প্রমাণ করতে পারেনি আমি ছাত্র-শৃঙ্খলার কোন ধারাটি ভঙ্গ করেছি।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অবৈধ কাজের প্রতিবাদ এবং আন্দোলন যাতে না করি সেজন্য তারা আমাকে বহিষ্কার করতে চেয়েছিল। ততকালীন ভিসি আসকারী নিজেই এক সামাজিক মাধ্যমে বলেছে যে, তাকে উপরমহল থেকে চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে বহিষ্কার আদেশের জন্য।

এছাড়াও তিনি বলেন, আমার উপর নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ দিয়েও চাপ প্রয়োগ করা হতো। তৎকালীন ছাত্রলীগের ইবি শাখার সভাপতি রবিউল ইসলাম পলাশ, সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম রাকিব এবং সর্বশেষ সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জয় আমার উপর অনেক চাপ প্রয়োগ করেছিল। আমার বিরুদ্ধে ভুয়া নিউজ করে শিবির ট্যাগ দিতে চেয়েছিল। কিন্তু তারা এগুলো প্রমাণ করতে পারেনি।

এ বিষয়ে বর্তমান ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওবায়দুল ইসলাম বলেন, “এ বিষয়ে তৎকালীন তথ্য ঘেঁটে দেখা প্রয়োজন , কারা আসলে প্রকৃত দোষী ছিল বা এহেন কার্যে বহিষ্কারের কোনো আইন আদৌও আছে কিনা! বিশেষ করে ছাত্র-জনতার ৫ই আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর শিক্ষার্থীদের প্রতি যাবতীয় অন্যায়ের বিচার করা প্রশাসনের দায়িত্ব।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন প্রশাসক অধ্যাপক ড. নূরুন নাহার বলেন, এটা অনেক আগের ঘটনা। আমার এ সম্পর্কে ধারণা নেই। এর সাথে সংশ্লিষ্ট ডকুমেন্ট গুলো দেখতে হবে।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।