মনিরুল ইসলাম (নাটোর প্রতিনিধি):
নির্ধারিত যাত্রাবিরতির আগেই প্রায় অর্ধশতাধিক যাত্রী রেখে ট্রেন ছেড়ে যাওয়ায় স্টেশানে মাস্টারকে অবরুদ্ধ করে রাখেন ক্ষুব্ধ যাত্রীরা।বুধবার(৮ জানুয়ারি) রাত ১২ টার পর এ ঘটনা ঘটে। যাত্রীরা অভিযোগ করেন চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী আন্তঃনগর সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি ১ঘন্টা বিলম্বে রাত ১১.৫৯ মিনিটে নাটোর স্টেশানে এসে পৌছায় এবং ৩ মিনিটের নির্ধারিত সময়ের আগেই রাত ১২.০০ টায় ছেড়ে যায়।
যা ১২টা ২ মিনিট এ ছাড়ার কথা। এতে যাত্রীরা উঠতে না পেরে ক্ষুব্ধ হয়ে নাটোর স্টেশন মাস্টারকে অবরুদ্ধ করে রাখে ও প্রতিবাদ জানান । এ অবস্থায় চলন্ত ট্রেন থেকে লাফিয়ে নামতে গিয়ে অনেকেই আহত হন।
এ সম্পর্কে নাটোর রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার(কর্তব্যরত) শাহীন হোসেন জানান, সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটির নাটোরে নির্ধারিত যাত্রাবিরতি ৩ মিনিট। অথচ নির্ধারিত সময়ের আগে কেন ছেড়ে গেল, তা তার বোধগম্য নয়। তিনি বলেন, ট্রেন স্টেশনে ঢোকার পর লাইন ক্লিয়ার দেয়ার দায়িত্ব স্টেশনের। আর যাত্রী ওঠা নামার ক্লিয়ারিং দেন ট্রেনের পরিচালক। বিষয়টি নিয়ে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।
খুলনা যাওয়ার বিকল্প কোন ট্রেন না থাকায় যাত্রীদের পৌছানোর কোন সমাধান দিতে পারেন নি তিনি। ভুক্তভোগী যাত্রীরা বলেন, একেই তো খুলনাগামী একটি সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেন তাও ১ ঘন্টা দেরিতে পৌঁছায়। কিন্তু যাত্রী উঠা ক্লিয়ার না হতেই নির্ধারিত ৩ মিনিট অপেক্ষা করেনি ট্রেনটি। ১ মিনিটেই যাত্রী রেখেই দ্রুত ছেড়ে যায়।
এদিকে ক্ষুব্ধ যাত্রীরা অবরুদ্ধ করে রাখা স্টেশন মাস্টার কে ঘন্টাখানেক পরে রেলওয়ে নিরাপত্তা এসে অবরুদ্ধ মুক্ত করেন। এসময় ক্ষুব্ধ যাত্রীরা ট্রেনে যেতে না পারায় তাদের সময় ও টাকা ক্ষতিপূরণের দাবি ছিল অনেকের।