বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ভারী বৃষ্টির আতঙ্কে উপকূলীয় অঞ্চলের আলু চাষীরা

মো. মিজানুর রহমান, গলাচিপা উপজেলা প্রতিনিধি সাগরে গভীর লঘুচাপ থেকে নিম্নচাপ সৃষ্টির কারণে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি ও আকাশে ঘন মেঘ থাকায় চাপা আতঙ্কে দিনাতিপাত করছে পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার আলু চাষীরা। এরই মধ্যে অধিক লাভের আশায় গলাচিপার ১২টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে কমবেশি আলু চাষ করেছেন চাষিরা। উপজেলাটিতে আমন ধান কাটা-মাড়াই শেষ না হলেও […]

নিউজ ডেস্ক

২১ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৫:৪৮

মো. মিজানুর রহমান, গলাচিপা উপজেলা প্রতিনিধি

সাগরে গভীর লঘুচাপ থেকে নিম্নচাপ সৃষ্টির কারণে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি ও আকাশে ঘন মেঘ থাকায় চাপা আতঙ্কে দিনাতিপাত করছে পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার আলু চাষীরা। এরই মধ্যে অধিক লাভের আশায় গলাচিপার ১২টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে কমবেশি আলু চাষ করেছেন চাষিরা।

উপজেলাটিতে আমন ধান কাটা-মাড়াই শেষ না হলেও অতিরিক্ত মুনাফার আশায় চাষিরা তাদের ধানী জমিগুলোর ধান দ্রুত কেটে পরিস্কার করে আলু চাষ করছেন।

শনিবার (২১ডিসেম্বর) উপজেলা কৃষি অফিস কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, অধিক লাভের আশায় উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের উঁচু জমিগুলোতে আলু চাষ করেছেন চাষিরা। ডায়মন্ড ও কার্টিনাল আলু রোপণের ৬০ থেকে ৭০ দিনের মাথায় তা বিক্রির উপযোগী হয়। কিছুটা অধিক পুষ্টিকর ও তুলনামূলক কম সময় লাগায় এ আলু চাষ করে লাভবান হওয়া যায় সহজেই। যারা সঠিকভাবে জমিতে যত্ন করতে পারবেন, তাদের লোকসান হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। তাই গতবারের মতো এবারও আলু চাষে নেমেছেন চাষিরা।

গলাচিপা  সদর, পানপট্রি, ডাকুয়া, গোলখালী চিকনিকান্দি, রতনদী তালতলী, বকুলবাড়ীয়া, আমখোলা, কলাগাছিয়া, গজালিয়া, চরকাজল, চরবিশ্বাস ইতোমধ্যে উপজেলার আলু চাষিরা প্রস্তুতকৃত জমিতে আলুর বীজ রোপণ করেছেন। চাষিদের কেউ কেউ সেই জমি খড়কুটো দিয়ে ঢাকতে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন।

গলাচিপা সদর ইউনিয়নের রতনদি, মুরাদনগর, চরখালী, বোয়ালিয়া ও পক্ষিয়া ঘুরে দেখা যায়, অত্র অঞ্চলের বিস্তৃর্ণ এলাকা জুড়ে কৃষকরা আলু আবাদ করেছেন।

গলাচিপা সদর ইউনিয়নের আনিসুর রহমান, মোশারেফ চৌকিদার, মিজানুর রহমানসহ একাধিক চাষি জানান, গত কয়েক বছর ভালো দাম পাওয়ায় তারা এখন আলু চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন ।তারা আশা করছেন আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবারেও আলুর বাম্পার ফলন হবে । কৃষি অফিস থেকে আলু চাষের প্রশিক্ষণ ও উৎপাদিত আলু সরকার সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ক্রয় করলে তারা বেশি লাভবান হওয়ার পাশাপাশি আলু চাষে আরও আগ্রহী হবেন বলেও জানান চাষিরা।

তারা জানান, চলতি বছর তাদের দ্বিগুণেরও বেশি দামে আলুর বীজ কিনতে হয়েছে। এ বছর তারা ৭০-৮০ টাকা কেজি দরে আলু ক্রয় করেছেন। সার, ঔষধ ও চাষাবাদ খরচ বিঘাপ্রতি ২০-২৫ হাজার টাকা বেশি খরচ হয়েছে। তবুও সবমিলিয়ে আলুতে অধিক লাভের আশায় বুক বেঁধেছেন তারা। কঠোর পরিশ্রম আর অর্থ ব্যয় শেষে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানোই তাদের স্বপ্ন।

তারা আরো জানান, প্রতিবছর অতিরিক্ত মুনাফার লক্ষ্যে তাদের মতো অনেকেই আলু চাষে আলু আগ্রহী হয়ে উঠছেন।তবে চলতি বছর আলুর বীজের দাম তুলনামূলক অনেক বেশি এবং পর্যাপ্ত বীজের চাহিদা পূরণ না হওয়ায় অনেকে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী আলু চাষ করতে পারেনি। বর্তমানে বিরূপ আবহাওয়া বিরাজ করায় তারা কিছুটা শঙ্কিত।

সদর ইউনিয়নের বোয়ালিয়ার আলু চাষী জহিরুন্নবী জানান, গত  মৌসুমে আলুতে ভালো দাম পাওয়ার সে লাভবান হয়েছেন। তাই তিনি এবারও আলু চাষে মনোযোগ দিয়েছেন। ফলন ভালো হলে অধিক মুনাফাও হবে। গত বছর তিনি সাড়ে ১ বিঘা জমিতে আলু চাষ করেছিলেন এবং প্রায় ৫০ হাজার টাকা লাভবান হয়েছেন। এ বছর খরচ বেশি থাকা সত্ত্বেও  ১০ বিঘা জমিতে আলুর চাষ  করেছেন। বীজের দাম বেশি থাকায় এবং শ্রমিকের মজুরি বাড়ায় গতবারের চেয়ে এবার আলু চাষের খরচ বেড়েছে বলেও জানান তিনি।

গলাচিপা সদর ইউনিয়নের বোয়ালিয়া গ্রামের কামাল মৃধা, মহাসিন সরদার, গিয়াসউদ্দিন হাওলাদার, টিপু তালুকদার নামে কয়েকজন শ্রমিক জানান, জহিরুন্নবী সাহেব ১০ বিঘা জমিতে বিভিন্ন জাতের আলুর চাষ করছেন। তারা দিনমজুর হিসেবে কাজ করছেন। এজন্য দিন শেষে তারা পাচ্ছেন ৫০০-৭০০ টাকা। এ আয় দিয়ে তাদের সংসার চলে।

অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মো. আকরামুজ্জামান জানান, শুকনো মাটির জমি আলু চাষের জন্য উপযোগী। আলু চাষের জন্য এ অঞ্চলের বেলে ও দোঁ-আশ মাটি বেশ উপযোগী। গলাচিপা বিভিন্ন এলাকায় তুলনামূলক উঁচু জমিগুলোতে আলু চাষ করা হয়েছে। অতিরিক্ত লাভের আশায় অনেকেই আলু চাষ করছেন। এ উপজেলায় আনুমানিক প্রায় ৩৫০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ করা হয়েছে।  উপজেলা কৃষি অফিস আলু চাষীদেরকে করণীয় সম্পর্কে পরামর্শ সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ এলাকার আলু চাষীরা বেশ লাভবান হবে।

বিষয়ঃ

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। […]

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১২ জুন ২০২৬, ১০:২৮

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। কয়েকদিন আগেও এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল।

ঘটনার দিন রাফি একা মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় পথে কালু, পারভেজ ও তাদের কয়েকজন সহযোগী আড্ডা দিচ্ছিল। রাফিকে একা দেখে তারা তাকে থামানোর চেষ্টা করে। প্রথমে কালু তাকে আটকাতে ব্যর্থ হলে সামনে অবস্থান নেওয়া পারভেজ একটি বড় ইটের টুকরো দিয়ে রাফির মাথায় আঘাত করে। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন।

পরে অভিযুক্তরা আহত রাফিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর র‌্যাব-৪-এর আভিযানিক দল জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে বৃহস্পতিবার কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।