রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সার সংকটের মাঝেই সীমান্তে পাচারের দৌরাত্ম্য

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি জাতীয় পর্যায়ে ইউরিয়া সারসহ অন্যান্য রাসায়নিক সারের পর্যাপ্ত উদ্বৃত্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও অসাধু চক্রের কৃত্রিম সংকট তৈরি এবং সীমান্ত দিয়ে ভারতে সার পাচারের অপচেষ্টা থামছে না। লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে পৃথক বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১০০ কেজি ইউরিয়া সার এবং একটি ভারতীয় গরু জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (তিস্তা ব্যাটালিয়ন ৬১ বিজিবি)।  গত […]

সার সংকটের মাঝেই সীমান্তে পাচারের দৌরাত্ম্য

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:৫৬

সাব্বির হোসেন, লালমনিরহাট প্রতিনিধি

জাতীয় পর্যায়ে ইউরিয়া সারসহ অন্যান্য রাসায়নিক সারের পর্যাপ্ত উদ্বৃত্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও অসাধু চক্রের কৃত্রিম সংকট তৈরি এবং সীমান্ত দিয়ে ভারতে সার পাচারের অপচেষ্টা থামছে না। লালমনিরহাটের পাটগ্রাম সীমান্তে পৃথক বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১০০ কেজি ইউরিয়া সার এবং একটি ভারতীয় গরু জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (তিস্তা ব্যাটালিয়ন ৬১ বিজিবি)। 

গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) শফিরহাট বিওপির টহলদল জিরো লাইন থেকে আনুমানিক ৩০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ‘দক্ষিণ হোসনাবাদ’ এলাকায় অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় ১০০ কেজি ইউরিয়া সার উদ্ধার করে।

অপর অভিযানে ধরলা বিওপির টহলদল জিরো লাইন থেকে ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ‘উত্তর বর্ডার’ এলাকায় অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় একটি ভারতীয় গরু আটক করে। বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, জব্দকৃত সার ও গরুর সর্বমোট সিজার মূল্য ৬৭ হাজার ৫০০ টাকা।

সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্তে সার আটকের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে পাচারকারী চক্রের এই ক্রমবর্ধমান দৌরাত্ম্য স্পষ্ট হয়ে ওঠে। গত ২৮ আগস্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে বিজিবি ২৫ ব্যাটালিয়ন ভারতে পাচারের চেষ্টাকালে ট্রাকে ভর্তি ২৪ টন (৪৮০ বস্তা) ইউরিয়া সার জব্দ করে।

এরপর ১ সেপ্টেম্বর দেওয়ানগঞ্জের বর্ডার এলাকায় বিজিবি ৩৫ ব্যাটালিয়ন ভারতে পাচারকালে ১৩ বস্তা সার আটক করে। এছাড়া ৫ সেপ্টেম্বর ভোলা কোস্টগার্ড নদীপথে পাচারের সময় ৮,০০০ কেজি (১৬০ বস্তা) ইউরিয়া সারসহ একটি স্টিল বডি ট্রলার জব্দ করে। সম্প্রতি ১২ সেপ্টেম্বর চট্টগ্রাম উপকূলে কোস্টগার্ডের অভিযানে ৭০০ বস্তা এবং দিনাজপুর খানসামায় যৌথ অভিযানে ১,৫৭৭ বস্তা অবৈধ সার জব্দ করা হয়।

বাংলাদেশ থেকে মূলত ভারতে ইউরিয়া সার পাচার হওয়ার পেছনে প্রধান কারণ হচ্ছে দুই দেশের মধ্যকার অস্বাভাবিক মূল্যের পার্থক্য ও সীমান্তপারের চড়া চাহিদা। বাংলাদেশ সরকার কৃষি খাতকে চাঙা রাখতে ইউরিয়া সারে বিপুল অঙ্কের ভর্তুকি দেয়, যার ফলে দেশে প্রতি কেজি ইউরিয়া সারের নির্ধারিত সরকারি মূল্য মাত্র ২৭ টাকা (৫০ কেজির বস্তা ১,৩৫০ টাকা)।

বিপরীতে ভারতের সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে ইউরিয়া সারের খোলাবাজারের দাম এবং চাহিদা তুলনামূলক অনেক বেশি। 

সরকারি বিপুল ভর্তুকির কারণে বাংলাদেশে সারের দাম কম থাকায় সীমান্ত এলাকার একশ্রেণীর অসাধু ডিলার, ব্যবসায়ী ও চোরাচালান সিন্ডিকেট বেশি মুনাফা লাভের আশায় বাংলাদেশ থেকে ভারতে সার পাচারে সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

তারা স্থানীয়ভাবে নির্ধারিত দামে কিংবা সামান্য বেশি দামে সার সংগ্রহ করে চোরাইপথে ভারতে পার করে দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এর ফলে একদিকে যেমন সরকারের বিপুল পরিমাণ ভর্তুকির টাকা ভেস্তে গিয়ে অন্য দেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে, অন্যদিকে দেশের ভেতরে প্রান্তিক কৃষকদের কৃত্রিম সংকটের মুখে পড়তে হচ্ছে।

অথচ কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশে সারের কোনো প্রকৃত ঘাটতি নেই, বরং চাহিদার চেয়ে বেশি উদ্বৃত্ত মজুত রয়েছে। আসন্ন রবি ও বরো মৌসুমে বাংলাদেশে ইউরিয়া সারের চাহিদা ১৪ লাখ ২৯ হাজার টন, বিপরীতে মজুত রয়েছে ১৭ লাখ ৪৬ হাজার টন।

টিএসপি সারের চাহিদা ৪ লাখ ৬৭ হাজার টনের বিপরীতে মজুত ৯ লাখ ৪৫ হাজার টন, ডিএপি সারের ১০ লাখ ২৩ হাজার টন চাহিদার বিপরীতে ১৩ লাখ ৮৪ হাজার টন এবং এমওপি সারের ৬ লাখ টন চাহিদার বিপরীতে ১১ লাখ টন মজুত রয়েছে। অর্থাৎ সব মিলিয়ে ৩৫ লাখ ২০ হাজার টন চাহিদার বিপরীতে দেশে বর্তমানে মোট ৫১ লাখ ৮৩ হাজার টন সার মজুত রয়েছে, যা চাহিদার তুলনায় ১৬ লাখ ৬৩ হাজার টন বেশি।

তা সত্ত্বেও সীমান্ত এলাকায় সারের এই অবৈধ পাচারের কারণে স্থানীয় বাজারগুলোতে সারের কৃত্রিম অভাব দেখা দিচ্ছে এবং কৃষকদের অতিরিক্ত দামে সার কিনতে বাধ্য হতে হচ্ছে।

সীমান্তে সারসহ যেকোনো ধরনের অবৈধ চোরাচালান, মাদকদ্রব্যের অনুপ্রবেশ ও সীমান্ত অপরাধ প্রতিরোধে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। তিস্তা ব্যাটালিয়ন (৬১ বিজিবি) জানিয়েছে, সীমান্ত নিরাপত্তা রক্ষা ও জাতীয় সম্পদ পাচার রোধে তাদের নিয়মিত টহল ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।