রবিবার, ৩০ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অর্থনীতি

রাজশাহীতে চতুর্থ অর্থনৈতিক শুমারির উদ্বোধন করলেন বিভাগীয় কমিশনার

মোঃ জয়নাল আবেদিন জয়  বিভাগীয় ব্যুরো চিফ,রাজশাহী   মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ এর তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার আজিম আহমেদ। এ উদ্বোধন উপলক্ষে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় হতে এক উদ্বোধনী র‌্যালি বের হয়ে নগরীর সিএন্ডবি মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। ‘অর্থনৈতিক শুমারিতে তথ্য দিন, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে অংশ […]

নিউজ ডেস্ক

১১ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৯:৩২

মোঃ জয়নাল আবেদিন জয় 
বিভাগীয় ব্যুরো চিফ,রাজশাহী 
 মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) সকালে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে অর্থনৈতিক শুমারি ২০২৪ এর তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার আজিম আহমেদ।
এ উদ্বোধন উপলক্ষে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় হতে এক উদ্বোধনী র‌্যালি বের হয়ে নগরীর সিএন্ডবি মোড়ে গিয়ে শেষ হয়।
‘অর্থনৈতিক শুমারিতে তথ্য দিন, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে অংশ নিন’ এই স্নোগান নিয়ে ১০ ডিসেম্বর হতে আগামী ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত সারাদেশের ন্যায় রাজশাহী বিভাগের ৮ জেলায় চতুর্থ অথনৈতিক শুমারি ২০২৪ পরিচালিত হবে।
অর্থনৈতিক শুমারির লক্ষ্য হলো সময়ের বিবর্তনে দেশের অর্থনীতির কাঠামোগত পরিবর্তন, অকৃষিমূলক অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের কাঠামো নির্ধারণ, অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে জনবলের হিসেব নিরুপণসহ পল্লী ও শহর এলাকায় অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে নিয়োজিত প্রতিষ্ঠানের শ্রেণি বিন্যাস ও হালনাগাদ তথ্য-উপাত্ত প্রস্তুত করা।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো পরিচালিত এ শুমারির কার্যক্রম ইন্টিগ্রেটেড সেনসাস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের (আইসিএমএস) মাধ্যমে ডিজিটালি কন্টোল করা হবে। তথ্য সংগ্রহকারীদের সংগৃহীত তথ্য মোবাইল ডাটা ম্যানেজমেন্ট (এমডিএস) প্রক্রিয়ায় সরাসরি সার্ভারে জমা হবে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তথ্য সংগ্রহকারীর কাজ অনলাইনের মাধ্যমে সরাসরি পর্যবেক্ষণ করবে।
রাজশাহী বিভাগীয় পরিসংখ্যান দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এবারের শুমারিতে রাজশাহী  বিভাগের ৮ জেলায় ১১ হাজার ৯৭৩ জন তথ্য সংগ্রহকারী তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করবেন। তথ্য সংগ্রহকারীদের কাজ জিপিএস লোকেশনের মাধ্যমে ট্র্যাক করা হবে।
শুমারির তথ্য-উপাত্ত দেশের নীতিনির্ধারক, পরিসংখ্যানবিদ, গবেষকসহ বিভিন্ন অংশীজন নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে ব্যবহার করবেন।

অর্থনীতি

যে কারণে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

সাধারণত বৈশ্বিক সংকটের সময় বিনিয়োগকারীরা মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে স্বর্ণের দিকে ঝুঁকে পড়েন, ফলে স্বর্ণের দাম দ্রুত বেড়ে যায়। কিন্তু এবারের চিত্র ভিন্ন। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ চললেও এবার এমন চিত্র দেখা যাচ্ছে না। এর বদলে স্বর্ণের দাম কমছে। জানুয়ারিতে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল ৫ হাজার ৩০৩ ডলার। গত শুক্রবার […]

যে কারণে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুন ২০২৬, ১০:৩৫

সাধারণত বৈশ্বিক সংকটের সময় বিনিয়োগকারীরা মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে স্বর্ণের দিকে ঝুঁকে পড়েন, ফলে স্বর্ণের দাম দ্রুত বেড়ে যায়। কিন্তু এবারের চিত্র ভিন্ন। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ চললেও এবার এমন চিত্র দেখা যাচ্ছে না। এর বদলে স্বর্ণের দাম কমছে।

জানুয়ারিতে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল ৫ হাজার ৩০৩ ডলার। গত শুক্রবার (১২ জুন) এটি নেমে আসে ৪ হাজার ২৩৫ ডলারে।

সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা বলেছে, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শঙ্কা তৈরি হয়েছে মুদ্রাস্ফীতির কারণে বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো হয়ত সুদের হার কমাবে না। উলটো দাম নিয়ন্ত্রণ রাখতে তারা সুদের হার আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। এতে করে স্বর্ণের প্রতি বিনিয়োগকারীরা খুব বেশি আগ্রহী হচ্ছেন না।

বর্তমান এই মুদ্রাস্ফীতির বড় একটি কারণ হলো হরমুজ প্রণালি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের হামলার প্রতিবাদে যুদ্ধের শুরু থেকেই হরমুজ অবরোধ করে রেখেছে ইরান। এতে করে গ্যাস ও তেলের সরবরাহ ব্যাপকভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। যার প্রভাবে বেড়েছে মুদ্রাস্ফীতি।

যুক্তরাষ্ট্রে গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মুদ্রাস্ফীতি দেখা যাচ্ছে। এছাড়া দেশটির চাকরির বাজারও থমকে আছে। ফলে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদহার কমাবে এমন কোনো সম্ভাবনা খুবই কম।বিনিয়োগকারীদের কাছে স্বর্ণ মুদ্রাস্ফীতি মোকাবেলার একটি হাতিয়ার (হেজ) হিসেবে কাজ করলেও, উচ্চ সুদের হার সাধারণত এই মূল্যবান ধাতুর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। স্বর্ণকে মূলত একটি ‘মুনাফাহীন’ সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, কারণ নিজস্ব মূল্য বৃদ্ধি ছাড়া এটি থেকে বাড়তি কোনো আয় বা লভ্যাংশ আসে না। অন্য কথায়, স্বর্ণ থেকে মুনাফা করতে হলে কেবল এর বাজারমূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার ওপরই নির্ভর করতে হয়।

আলজাজিরাকে আর্থিক খাতের ওয়েবসাইট ‘অপশনস্প্রেডার্স ডটকমের’ প্রধান অপশন অ্যানালিস্ট জাস্টিন কার্ডওয়েল বলেন, ‘যেকোনো সম্পদের তুলনায় স্বর্ণ প্রকৃত অর্থের (টাকার) সবচেয়ে কাছাকাছি একটি রূপ। এখান থেকে কোনো লভ্যাংশ পাওয়া যায় না, আবার দাম না বাড়া পর্যন্ত এর বাড়তি কোনো মূল্যও তৈরি হয় না। মানুষ মূলত মূল্যবৃদ্ধির ওপর ভরসা করেই স্বর্ণ কেনে।’জাস্টিন কার্ডওয়েল বলেছেন, যা সুদহার বৃদ্ধি ও স্বর্ণকে সরাসরি প্রতিযোগিতার মধ্যে ফেলে। সুদহার বেশি থাকলে স্বর্ণ বিনিয়োগ হিসেবে তার ক্ষমতা হারায় এবং মানুষ তখন বিনিয়োগ হিসেবে ডলারের দিকে ঝুঁকে।

নোবেল গোল্ড ইনভেস্টমেন্টের প্রধান নির্বাহী কলিন প্লাম আলজাজিরাকে বলেন, যখন ডলার শক্তিশালী হয় তখন স্বর্ণ চাপটি টের পায়। যখন ডলার দুর্বল থাকে তখন স্বর্ণের দাম বাড়ে। বর্তমানে ডলার শক্তিশালী। যার চাপটি টের পাচ্ছে স্বর্ণ। তবে সামনে কি হবে সেটি নিশ্চিত নয়।

অর্থনীতি

প্রায় এক মাসের ভোগান্তির পর সাগরে ভাসমান দুটি এলএনজি টার্মিনাল চালু, রাত থেকেই বাড়বে গ্যাস সরবরাহ

প্রায় এক মাসের ভোগান্তির পর সাগরে ভাসমান দুটি এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) চালু হয়েছে। এতে করে মধ্যরাত নাগাদ এই কার্গো থেকে এলএনজি সরবরাহ শুরু হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। এলএনজিবাহী একটি কার্গো আজ শনিবার দুপুরের দিকে মহেশখালী সাগর উপকূলে অবস্থিত এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে পৌঁছায়। পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে জানান হয়, বিকেল ৪টা নাগাদ এলএনজি থেকে সরবরাহ ঘণ্টায় ৬৮৬ […]

প্রায় এক মাসের ভোগান্তির পর সাগরে ভাসমান দুটি এলএনজি টার্মিনাল চালু, রাত থেকেই বাড়বে গ্যাস সরবরাহ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৪ আগস্ট ২০২৬, ০১:২৩

প্রায় এক মাসের ভোগান্তির পর সাগরে ভাসমান দুটি এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) চালু হয়েছে। এতে করে মধ্যরাত নাগাদ এই কার্গো থেকে এলএনজি সরবরাহ শুরু হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

এলএনজিবাহী একটি কার্গো আজ শনিবার দুপুরের দিকে মহেশখালী সাগর উপকূলে অবস্থিত এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে পৌঁছায়।

পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে জানান হয়, বিকেল ৪টা নাগাদ এলএনজি থেকে সরবরাহ ঘণ্টায় ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুটে পৌঁছেছে; দুপুর ১২টার দিকে সরবরাহ ছিল ৫৮১ মিলিয়ন ঘনফুট। বিকেলে এলএনজিসহ গ্যাসের মোট সরবরাহ দাঁড়িয়েছে ২৩০৭ মিলিয়ন ঘনফুট।

দেশে দৈনিক ৩৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা থাকলেও নিয়মিত ২৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হয়। তবে গত ২১ জুলাই সাগরে ভাসমান এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে আগুন লেগে গেলে সরবরাহ কমতে থাকে।

গত এক মাসে সামিট ও এক্সিলারেট এনার্জির দুইটি টার্মিনালে বারবার বিপত্তি দেখা দিলে দেশে একই সঙ্গে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট দেখা দেয়। এর মধ্যে বিদ্যুতের উৎপাদন কমে গিয়ে সারা দেশে সর্বোচ্চ ৩৭৬৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং দেখতে হয়েছিল।রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানির একজন কর্মকর্তা জানান, দুপুর ২টার দিকে এক্সিলারেটের এফএসআরইউর কাছে একটি এলএনজি কার্গো এসে পোঁছায়। ৭ ঘণ্টা পর আনলোড শুরু হবে।

এ দিকে গ্যাসের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে অচল হয়ে আছে সারা দেশের শিল্প কারখানা। নতুন করে গ্যাস আসার খবরে ফের উৎপাদন শুরু করার পরিকল্পনা করছেন শিল্প মালিকেরা। তবে যেসব এলাকায় গ্যাস নেই সেখানে গ্যাস পৌঁছাতে দুই থেকে তিন দিন সময় লেগে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছে বিতরণ সংস্থা তিতাস।

অর্থনীতি

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালককে অপসারণ

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ পরিচালনা পর্ষদের সব নিয়োগ বাতিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বোর্ডের সার্বিক দায়িত্ব পালন করবেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক জহির হোসেন। রোববার (১৪ জুন) রাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে। চলমান সংকট মোকাবিলায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় ও ৪৭(৩) ধারায় বাংলাদেশ […]

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালককে অপসারণ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুন ২০২৬, ২২:৩৭

ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ পরিচালনা পর্ষদের সব নিয়োগ বাতিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বোর্ডের সার্বিক দায়িত্ব পালন করবেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক জহির হোসেন।

রোববার (১৪ জুন) রাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে। চলমান সংকট মোকাবিলায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৫ ধারায় ও ৪৭(৩) ধারায় বাংলাদেশ ব্যাংকের ওপর অর্পিত ক্ষমতাবলে এবং ব্যাংক-কোম্পানির স্বার্থে, আমানতকারীদের স্বার্থে ও জনস্বার্থে বাংলাদেশ ব্যাংক আজ ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের (Board of Directors) চেয়ারম্যানসহ সব পরিচালকের নিয়োগ বাতিল করেছে।

ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৭(৩) ধারায় বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জহির হোসেন পর্ষদের যাবতীয় ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানানো হয়েছে।

এর আগে আজ রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে আড়াই হাজার কোটি টাকা তারল্য সহায়তা পেয়েছে ইসলামী ব্যাংক।

রোববার সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে প্রায় তিন ঘণ্টার বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। কিন্তু এই বৈঠকের ঘন্টা তিনেক পরই ব্যাংকের চেয়ারম্যানসহ পরিচালনা পর্ষদের সব নিয়োগ বাতিলের ঘোষণা দেওয়া হলো।

সোমবার (১৫ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে তারল্য সহায়তা পাওয়ার পর ব্যাংকটির ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আলতাফ হোসেন গ্রাহকদের আশ্বস্ত করে বলেন, এখন থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে তারা টাকা তুলতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল ব্যাংকিং ও চেক নগদায়নে কোনো অসুবিধা হবে না। আমানত জমা ও উত্তোলনের হার প্রায় কাছাকাছি। গ্রাহকরা প্রতিদিন ১২০০ কোটি টাকার মতো জমা ও সমপরিমাণ আমানত নগদায়ন করছেন।

এছাড়া রেমিটেন্স প্রেরণকারীদের কোনো ধরনের ভোগান্তি যেন না হয় সেদিকেও লক্ষ্য রাখা হচ্ছে বলে জানায় ইসলামী ব্যাংক।