বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

ঘাটাইলে শিক্ষিকাকে মারধর করে শালিসী বৈঠকে ক্ষমা চেয়ে পার পেয়ে গেলেন শিক্ষার্থী

 মো:ফারুক আহমেদ ঘাটাইল(টাঙ্গাইল)  টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের আশারয়িা চালা ডাঃ শওকত আলী ভ’ইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী দ্বারা দ্বারা শিকার হয়েছেন নাজমুন নাহার নামে (৩০) এক নারী শিক্ষক। নবম শ্রেণির ওই ছাত্রের নাম মেহেদি হাসান পরে শালিসী বৈঠকে ক্ষমা চেয়ে ঘটনা আড়াল কর্ াচেষ্টা করেন ঐ এলাকার মাতাব্বর । সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে ঘাটাইল উপজেলার ডা.শওকত আলী ভূইয়া উ”চ […]

নিউজ ডেস্ক

২৭ জুন ২০২৬, ০১:০৫

 মো:ফারুক আহমেদ ঘাটাইল(টাঙ্গাইল) 

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার ধলাপাড়া ইউনিয়নের আশারয়িা চালা ডাঃ শওকত আলী ভ’ইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী দ্বারা দ্বারা শিকার হয়েছেন নাজমুন নাহার নামে (৩০) এক নারী শিক্ষক। নবম শ্রেণির ওই ছাত্রের নাম মেহেদি হাসান পরে শালিসী বৈঠকে ক্ষমা চেয়ে ঘটনা আড়াল কর্ াচেষ্টা করেন ঐ এলাকার মাতাব্বর ।

সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে ঘাটাইল উপজেলার ডা.শওকত আলী ভূইয়া উ”চ বিদ্যালয়ে। এ ঘটনায় বুধবার যে সালিসি বৈঠক হয় সে বিচারে সন্তুষ্ট নয় ভুক্তভোগী শিক্ষক ও এলাকাবাসি। ন্যায় বিচার না পাওয়ায় বিদ্যালয়ে আর ফিরবেন না বলে জানান ওই শিক্ষক।

 শিক্ষিকা নাজমুন নাহার জানান জানান তিনি শেরপুর জেলার নকলা উপজেলায় তার বাড়ি। এনটিআরসিএ এর মাধ্যমে ইংরেজি বিষয়ে নিয়োগ পেয়ে প্রায় ৬ মাস আগে উপজেলার ডা.শওকত আলী ভূইয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগদান করেন।

গত সোমবার দুপুরে শ্রেণিকক্ষে নবম শ্রেণির ছাত্র মেহেদি হাসানের সঙ্গে শিক্ষক নাজমুন নাহারের কোনো এক বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। নাজমুন নাহার জানানা এক পর্যায় তিনি মেহেদিকে একটি খাপ্পর দেন। এরপর মেহেদি রাগান্বিত হয়ে শিক্ষক নাজমুন নাহারকে কয়েকটি থাপ্পর ও ঘুষি দেয়।

এ ঘটনার সময় শ্রেনিকক্ষে শিক্ষার্থী ছাড়াও তিনজন শিক্ষক উপ¯ি’ত ছিলেন। উপস্থিত শিক্ষক আনিছুর রহমান বলেন, ঘটনার সাক্ষী আমি। অনাকাঙ্খিত ঘটনার পর ওই ছাত্রকে আমি শাষণ করেছি।  এদিকে ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিযুক্ত ছাত্র এবং তার বাবা ওই স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী (দপ্তরী) সবুর মিয়ার বিচার চেয়ে ঝড় ওঠে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্য ফেসবুকে।

মুহূতেই ঝড় ওঠে ফেসবুকে। স্থানীয়দের অভিযোগ মেহেদির বাবা ওই বিদ্যালয়ের দপ্তরী। বাবার প্রভাবে এর আগেও নানা অঘটনের জন্ম দিয়েছে এই মেহেদি। ¯’ানীয়রা আরও জানান কিছুদিন আগে মেহেদি স্কুলের ছাত্রীদের বিরক্ত করে। এ ঘটনায় ওই স্কুলের এক শিক্ষক বিচার করলে মেহেদির দপ্তরী বাবা উল্টো প্রধান শিক্ষককে সাতে নিয়ে ওই শিক্ষককে শাষাণ।

এদিকে নারী শিক্ষককে মারধরের ঘটনার দুইদিন পর বুধবার সকাল ১১ টার দিকে ¯’ানীয় এবং উপজেলা শিক্ষক সমিতির নেতাদের সমন্বয়ে এক সালিসি বৈঠকের আয়েজন করে স্কুল কর্তৃপক্ষ। সালিসে সিদ্ধান্ত হয় অভিযুক্ত ছাত্রকে স্কুল থেকে বের করে দেওয়া হবে। তার বাবা সবুর মিয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিবে প্রধান শিক্ষক ও স্কুল পরিচালনা পরিষদ।

ভুক্তভোগী শিক্ষকের পা ধরে ক্ষমা চাইবে অভিযুক্ত ছাত্র। সালিসি বৈঠকের রায় ঘোষণা হওয়ার পর বিচারে সš‘ষ্ঠ না হয়ে ¯’ানীয়রা ভূয়া ভূয়া শ্লোগান দেওয়া শুরু করেন। এক পর্যায় উত্তেজিত জনতা জুতা নিয়ে মাতাব্বরদের সামনে চলে যায়। বর্তমানে এলাকায় চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। ¯’ানীয়দের অভিযোগ এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যেকোনো সময় ঘটে যেতে পারে অনাকাঙ্খিত ঘটনা।  

সামাজিকভাবে যে বিচার করা হয়েছে তা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় উঠেছে স্কুল শিক্ষক খালিদ হাসান খোকন লিখেছেন ‘শিক্ষকরা যেন আমাদের সমাজের সবচেয়ে অসহায় জীব! শিক্ষককে অনায়েসে মারধর করা যায়, গারিগালাজ করা যায়, হেনস্তা করা যায়। নতুন যারা শিক্ষকতায় আসবেন তারা দয়া করে এসব মেনে নেওয়ার মানসিকতা নিয়েই আসবেন’।

কলেজ শিক্ষক বাহাদুর কবির তাঁর ফেসবুক পেইজে লিখেছেন ‘ শিক্ষিকা কতটুকু ন্যায়বিচার পেলেন? এই বিচারের মাধ্যমে শিক্ষকের মর্যাদা কখনোই কি পুনরুদ্ধার হওয়া সম্ভব? ভুক্তভোগী শিক্ষক নাজমুন নাহার বলেন, ওই ঘটনার পর আমি এক পর্যায় আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলাম।

যে বিচার করা হয়েছে সেখানে সুষ্ঠু বিচার আমি পাইনি। আমার একটা আত্ম-সম্মান আছে। এত কিছুর পর সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমি আর চাকুরি করব না। ওই বিদ্যালয়ে আর যাব না। আমি আমার নিজ জেলা শেরপুরে চলে যাব। ওই ঘটনার পর তার দুইজন সহকর্মী পারভীন আক্তার ও রোকেয়া আক্তার বাসায় গিয়ে ওই ছাত্রের পক্ষ নিয়ে তাঁকে হুমকি দিয়ে এসেছেন বলে তিনি জানান।

বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করেছেন। নাজমুন নাহার আরও বলেন, যেখানে শিক্ষকরা শিক্ষককে ও ছাত্ররা শিক্ষককে সম্মান দিতে জানেনা সেই বিদ্যালয়ে আর ফিরে যাব না। এই পেশায় আর ফিরে যেতে ইচ্ছে করছেনা। সরকার যদি নিজ জেলায় আমাকে বদলির ব্যব¯’া করে তবে না হয় ভেবে দেখব। শিক্ষক রোকেয়া আক্তার বলেন, ওই ঘটনার সময় আমি উপ¯ি’ত ছিলাম।

এ ঘটনা দেখে আমি দেখে খুবই মর্মাহত। ওই ঘটনা মিমাংসা হয়ে গেছে এ বিষয় নিয়ে আমি আর কথা করতে চা”িছনা। তবে তাঁর এবং অপর শিক্ষক পারভীন আক্তারের বিরুদ্ধে আনা সহকর্মী ভুক্তভোগী শিক্ষকের অভিযোগ অস্বীকার করেন তিনি। মেহেদির বাবা ওই স্কুলের দপ্তরী সবুুর মিয়ার সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে সংবাদকর্মীর পরিচয় পেয়ে কথা বলতে রাজি হননি তিনি। 

 স্কুলের প্রধান শিক্ষক মো.মোশারফ হোসেন বলেন, ঘটনাটি অবশ্যই অনাকাঙ্খিত। বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি এবং মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে তিনি বিষয়টি অবগত করেননি বলে জানান। স্থানীয়ভাবে বসে সমাধান করার চেষ্টা করেছেন। সালিসি বৈঠকে সবুর মিয়ার বিষয়ে যে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়েছে তা বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি এবং শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে বিধি মোতাবেক ব্যব¯’া গ্রহণ করা হবে।

তবে বৈঠকে যে বিচার করা হয়েছে তাতে তিনি সš‘ষ্ঠ বলে জানান।  সালিসি বৈঠকের প্রধান ছিলেন ধলাপাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান এজহারুল ইসলাম মিঠু ভূইয়া। তিনি স্বীকার করেন ¯’ানীয়রা এ বিচারে সš‘ষ্ঠ না। তিনি বলেন, সামাজিকভাবে এর চেয়ে বেশি কিছু করার ক্ষমতা আমাদের নেই। ভুক্তভোগী ওই শিক্ষকও এ বিচারে সন্তুষ্ট না। 

 উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো.শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার তিনদিন পার হলেও তিনি কিছুই জানেন না। লোকমুখে শুনে বুধবার বিকেলে বিদ্যালয় পরিদর্শনে যান তিনি। ডা.শওকত আলী ভূইয়া উ”চ বিদ্যালয়ে নিয়মিত কোনো কমিটি নেই।

সভাপতির দায়িত্বে আছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা মো.মাহমাদুল হাসান বলেন, ওই ঘটনা স্কুলের কোনো শিক্ষক বা প্রধান শিক্ষক আমাকে অবগত করেননি। তবে লোকমুখে বিষয়টি তিনি শুনেছেন বলে জানান। 

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।