রাজধানীর গুলশান, বারিধারা ও বনানী এলাকার লেক দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং আধুনিক পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ৫ কাঠা বা তদূর্ধ্ব আয়তনের প্লটে সুয়েজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট (এসটিপি) স্থাপন আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক বলে জানিয়েছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)।
বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজউকের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘নগর উন্নয়নে পয়ঃনিষ্কাশন, পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও এসটিপি বাস্তবায়ন’ শীর্ষক সেমিনারে এ তথ্য জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন রাজউকের সদস্য (উন্নয়ন নিয়ন্ত্রণ) এরাদুল হক। এ সময় গুলশান, বারিধারা ও বনানী সোসাইটির প্রতিনিধি এবং রাজউকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সেমিনারে ১০টি প্রতিষ্ঠান এসটিপির প্রযুক্তি, কার্যকারিতা ও ব্যয় নিয়ে উপস্থাপনা করে। রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, ভবন মালিকরা তাদের পছন্দের যেকোনো প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এসটিপি স্থাপন করতে পারবেন। ভবিষ্যতে ভবনের নকশা অনুমোদনের ক্ষেত্রে এসটিপির নকশা অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
তিনি আরও জানান, গুলশান, বারিধারা ও বনানী এলাকার লেকগুলোর দূষণ রোধে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। লেকে পয়ঃবর্জ্য প্রবাহ বন্ধে এসটিপি স্থাপনকে সবচেয়ে কার্যকর সমাধান হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এ ছাড়া লেকভিত্তিক আঞ্চলিক (রিজিওনাল) এসটিপি স্থাপনের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভবিষ্যতে এসটিপি-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণে বিশেষ মেলার আয়োজন করা হবে বলেও জানান রাজউক চেয়ারম্যান।
সেমিনারের শেষে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করে টেকসই নগর উন্নয়নে আধুনিক পয়ঃনিষ্কাশন ও পয়ঃবর্জ্য ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।