ট্রাম্পের আলোচনার দাবি প্রত্যাখ্যান করল ইরানের সামরিক বাহিনী। আলোচনা নিয়ে ট্রাম্পের সর্বশেষ দাবির জবাব দিয়েছে তারা।ফার্স সংবাদ সংস্থা কর্তৃক প্রকাশিত বিবৃতিতে লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইব্রাহিম যুলফাগারি যুক্তরাষ্ট্রকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, ‘আপনাদের দেশের ভেতরের সমস্যা কি এতো বেড়েছে যে, এখন নিজেদের মধ্যেই আলোচনা করতে হচ্ছে?’
তিনি আরো বলেন, ‘আপনাদের ব্যর্থতাকে চুক্তি বলবেন না।’ ফার্স-এর মতে যুলফাগারি বলেছেন, ‘যতক্ষণ না আমাদের ইচ্ছা পূরণ হচ্ছে, ততক্ষণ তেলের আগের দামে বা আগের ব্যবস্থায় ফেরা হবে না।
’ তিনি বলেন, ‘এটা তখনই সম্ভব হবে, যখন ইরানি জাতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার চিন্তা আপনাদের নোংরা মন থেকে পুরোপুরি মুছে যাবে।’ সর্বশেষ তিনি জোর দিয়ে বলেন, শুরু থেকেই তাদের অবস্থান এক, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনোভাবে মিলেমিশে চলবে না, এখন না, ভবিষ্যতেও না।
যুলফাগারি বলেছেন, ‘এই অঞ্চলে আপনাদের বিনিয়োগের কোনো চিহ্ন দেখা যাবে না। জ্বালানি ও তেলের আগের দামও দেখতে পাবেন না, যতক্ষণ না আপনারা এটা বুঝবেন যে, এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর শক্তিশালী হাতে।
স্থিতিশীলতা আসে শক্তির মাধ্যমে।’ তিনি আরো বলেছেন, ‘আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, আমরা না চাইলে পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফিরে আসবে না। প্রথম দিন থেকেই আমাদের প্রথম ও শেষ কথা এটাই ছিল, আমাদের কেউ আপনাদের মতো কারো সমঝোতায় আসবে না, এখনও না, ভবিষ্যতেও না।’
এই কঠোর মন্তব্য করে ইরান জানান দিল, কোনো আলোচনা হবে না, হরমুজ প্রণালী ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং তারা লড়াই চালিয়ে যাবে।
সুতরাং, লড়াই কতদিন চলবে তা অজানা। দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে কোনো চমক আসবে কি না বা তেহরানের রাজনীতিবিদরা আলোচনা চলছে বলে ঘোষণা দেবেন কি না, তা আমরা জানি না। কিন্তু আপাতত সামরিক ও রাজনৈতিক উভয় পক্ষ থেকেই এখানে একটাই কথা শোনা যাচ্ছে, ইরান এই যুদ্ধ চলবে এবং আলোচনার মাধ্যমে নয়, বরং সেনাবাহিনীর শক্তিতেই জয়ী হবে।
সূত্র : আলজাজিরা।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?