রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অন্যান্য খবর

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সিংগাইরে ৫ দিনব্যাপি একুশে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন

প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ভাষাশহিদ রফিক স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে ৫ দিন ব্যাপি রফিকনগরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহিদ দিবস উপলক্ষে”একুশে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়েছে। এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ও সভাপতিত্ব করেন,ভাষাশহিদ রফিক স্মৃতি পরিষদের সভাপতি(ভাষাশহিদের অনুজ) বীর মুক্তিযোদ্ধা মো.খোরশেদ আলম। মঙ্গলবার(১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪ টার দিকে ভাষাশহিদ রফিক স্মৃতি পরিষদের আয়োজনে উপজেলার বলধারা […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫, ১৬:২৫

প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ভাষাশহিদ রফিক স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে ৫ দিন ব্যাপি রফিকনগরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহিদ দিবস উপলক্ষে”একুশে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করা হয়েছে।

এ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ও সভাপতিত্ব করেন,ভাষাশহিদ রফিক স্মৃতি পরিষদের সভাপতি(ভাষাশহিদের অনুজ) বীর মুক্তিযোদ্ধা মো.খোরশেদ আলম। মঙ্গলবার(১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪ টার দিকে ভাষাশহিদ রফিক স্মৃতি পরিষদের আয়োজনে উপজেলার বলধারা ইউনিয়নের ভাষাশহিদ রফিক মঞ্চ রফিকনগর এলাকায় সেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মো.সাইদুর রহমান সাগর ও এ্যাড.মিজানুর রহমানের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা,মানিকগঞ্জ জেলা বি এন পির আহবায়ক আফরোজা খানম রিতা বলেন,যে ভাষায় আমি”মা”ডাক শুনেছি সে ভাষায় আমি আপনাদের সাথে কথা বলছি,সে বাংলা ভাষা আমার গর্ব অহংকার ।

এ ভাষা অর্জনে যারা শহিদ হয়েছে তাদের মনে রাখতে হবে। তিনি আরো বলেন,দেশ প্রেম আমাদের মূল লক্ষ্যে। কিছুদিন আগেও আমরা কথা বলতে পারিনি মুখে তালা দেয়া ছিলো শহিদ রফিকের মত আবু সাঈদ শহিদ হয়ে আমাদের তালা খুলে দিয়েছে। এ ভাষার আন্দোলন আমরা করেই যাচ্ছি। আমাদের গভীর ভাবে চিন্তা করতে হবে।

শহিদ রফিকের নামে সড়ক হয়েছে সেতু হয়েছে। ভবিষ্যতে স্কুল,কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় করার পরিকল্পনা পর্যাপ্ত ভাবে আসতে হবে। এমন কিছু করতে হবে যাতে সারাজীবন মানুষ মনে রাখে পরবর্তী বংশধর যেন রফিকের নাম ভুলে না যায়। ভোটের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত করুন। জাতীয়তাবাদী দলের সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে আমরা সবসময় আপনাদের পাশে থাকবো বলেও জানান তিনি।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্যে রাখেন,জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য এ্যাড.আজাদ হোসেন খান,জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি সদস্য ও পিপি এ্যাড.আ.ফ.ম নুরতাজ আলম বাহার,জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আ ত ম জহির আলম খান লোদী,উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবিদুর রহমান খান রোমান,পৌর বিএনপির সভাপতি এ্যাড.খোরশেদ আলম ভূইয়া জয়,উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান মো.মাহবুবুর রহমান মিঠু,উপজেলা বিএনপির যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মো.আওলাদ হোসেন,ভাষাশহিদ রফিক স্মৃতি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রউফ,সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান প্রমুখ। এ সময় জেলা উপজেলা বিএনপির অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

অন্যান্য খবর

ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত

আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজেদের প্রার্থীর নাম অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দলটির পক্ষ থেকে ঢাকা দুই সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের নাম জানানো হয়। ঘোষণা অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে জামায়াতের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী হবেন মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর […]

ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:৫৭

আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজেদের প্রার্থীর নাম অনানুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দলটির পক্ষ থেকে ঢাকা দুই সিটি করপোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থীদের নাম জানানো হয়।

ঘোষণা অনুযায়ী, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নির্বাচনে জামায়াতের ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী হবেন মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। তিনি বর্তমানে জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) নির্বাচনে দলটির মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি আবু সাদিক কায়েমের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

এর মধ্য দিয়ে রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে নিজেদের সম্ভাব্য প্রার্থী সামনে আনল জামায়াতে ইসলামী।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৪২১

অন্যান্য খবর

যতই ব্যস্ত থাকি না কেন, এলাকার উন্নয়নে পাশে থাকবো: মির্জা ফখরুল

বিএনপি মনোনীত রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পেলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করার ইচ্ছা রয়েছে তার। একই সঙ্গে নিজের এলাকার উন্নয়নেও সক্রিয় থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে রাজধানীর হেয়ার রোডে সরকারি বাসভবনে ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে […]

যতই ব্যস্ত থাকি না কেন, এলাকার উন্নয়নে পাশে থাকবো: মির্জা ফখরুল

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৮ আগস্ট ২০২৬, ২২:১০

বিএনপি মনোনীত রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পেলেও জনগণের পাশে থেকে সেবা করার ইচ্ছা রয়েছে তার। একই সঙ্গে নিজের এলাকার উন্নয়নেও সক্রিয় থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সকালে রাজধানীর হেয়ার রোডে সরকারি বাসভবনে ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমি কখনো ভাবিনি যে রাষ্ট্রপতি হবো। এটা দলের এবং মহান আল্লাহর অশেষ মেহেরবানি। রাষ্ট্রপতি হলেও আমার ইচ্ছা আছে, জনগণের পাশে থেকে সেবা করবো।’

তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব ও ব্যস্ততা যতই থাকুক, জনগণের কল্যাণ এবং এলাকার উন্নয়নে তিনি পাশে থাকার চেষ্টা করবেন।

সাক্ষাৎকালে ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার নেতারা বিএনপি মনোনীত রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানান। এ সময় তিনি আবেগাপ্লুত হয়ে তাকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়ায় মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

পরে তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন, তাদের খোঁজখবর নেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে পরামর্শ দেন।

সৌজন্য সাক্ষাতে ঠাকুরগাঁও সাংবাদিক ফোরাম ঢাকার সভাপতি মানিক মুনতাসির, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, প্রধান বার্তা সম্পাদক মানিকুল আজাদসহ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সংগঠনের উপদেষ্টা ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরাও অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

অন্যান্য খবর

রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ না লেখার নির্দেশ

সরকারি যোগাযোগ, নথিপত্র ও সারসংক্ষেপে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ বা অন্য সম্মানসূচক শব্দ না লেখার জন্য নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রণালয়।

রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ না লেখার নির্দেশ

দৈনিক সকাল গ্রাফিক্স

নিউজ ডেস্ক

০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:২৪

সরকারি দাপ্তরিক যোগাযোগ ও নথিপত্রে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মহামান্য’, ‘মাননীয়’ কিংবা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ লিখিতভাবে ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সাধারণ অধিশাখা থেকে জারি করা এক পরিপত্রে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, সরকার, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের সঙ্গে দাপ্তরিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে তাদের পদবির আগে কোনো সম্মানসূচক শব্দ ব্যবহার করা যাবে না।

একই নির্দেশনা সরকারি নথিপত্র, সারসংক্ষেপ উপস্থাপন এবং দাপ্তরিক চিঠিপত্রের ক্ষেত্রেও কার্যকর হবে।

সরকারের সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ এবং সেগুলোর অধীন দপ্তর ও সংস্থাকে নতুন সিদ্ধান্ত অনুসরণের অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

ফলে এখন থেকে দাপ্তরিকভাবে রাষ্ট্রপতির পদবির আগে ‘মহামান্য’ এবং প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মাননীয়’ কিংবা অন্য কোনো সম্মানসূচক শব্দ লিখিতভাবে ব্যবহার করা হবে না।