বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

খেলা

বিদায়ী কিংবদন্তিকে শ্রদ্ধা, বিশ্বজয়ের পর মেসির কাছে ছুটে গেলেন ইয়ামাল

বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষ হয়েছে স্পেনের উল্লাসে। কিন্তু ট্রফি উঁচিয়ে ধরার সেই উৎসবের মধ্যেও সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত হয়ে উঠেছে লামিন ইয়ামাল ও লিওনেল মেসির একটি আলিঙ্গন। একজন নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন, অন্যজন সদ্য হারানো স্বপ্নের ভারে নুয়ে পড়া কিংবদন্তি; দুই প্রজন্মের এই সাক্ষাৎ ছুঁয়ে গেছে কোটি ফুটবলপ্রেমীকে। অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের গোলে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো […]

বিদায়ী কিংবদন্তিকে শ্রদ্ধা, বিশ্বজয়ের পর মেসির কাছে ছুটে গেলেন ইয়ামাল

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২০ জুলাই ২০২৬, ১৫:০৬

বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষ হয়েছে স্পেনের উল্লাসে। কিন্তু ট্রফি উঁচিয়ে ধরার সেই উৎসবের মধ্যেও সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত হয়ে উঠেছে লামিন ইয়ামাল ও লিওনেল মেসির একটি আলিঙ্গন। একজন নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন, অন্যজন সদ্য হারানো স্বপ্নের ভারে নুয়ে পড়া কিংবদন্তি; দুই প্রজন্মের এই সাক্ষাৎ ছুঁয়ে গেছে কোটি ফুটবলপ্রেমীকে।

অতিরিক্ত সময়ে ফেরান তোরেসের গোলে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয় স্পেন। শেষ বাঁশি বাজার পর যখন সতীর্থদের সঙ্গে উদযাপনে ব্যস্ত স্প্যানিশ ফুটবলাররা, তখন ইয়ামাল সবার কাছ থেকে সরে গিয়ে মাঠের এক পাশে বসে থাকা লিওনেল মেসির দিকে হাঁটতে শুরু করেন।

৩৯ বছর বয়সি মেসি তখন নিজের ষষ্ঠ ও সম্ভবত শেষ বিশ্বকাপের শেষ অধ্যায়ের বেদনায় ডুবে ছিলেন। ইয়ামাল তার সামনে গিয়ে দাঁড়াতেই মেসি উঠে দাঁড়ান। এরপর দুজন একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন এবং কিছুক্ষণ ব্যক্তিগত কথা বলেন। কী কথা হয়েছে, তা প্রকাশ করেননি কেউ। তবে সেই মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

এই আলিঙ্গনের আবেগ আরও গভীর করেছে একটি পুরোনো স্মৃতি। ২০০৭ সালে ইউনিসেফের একটি ফটোশুটে শিশু ইয়ামালকে কোলে নিয়ে গোসল করিয়েছিলেন তরুণ মেসি। প্রায় দুই দশক পর সেই শিশুই বিশ্বকাপ ফাইনালে নিজের আদর্শকে হারিয়ে ট্রফি জিতলেও উদযাপনের আগে ছুটে যান তাকে সান্ত্বনা জানাতে। অনেকের কাছেই এটি ছিল ফুটবলে ‘এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মের হাতে মশাল তুলে দেওয়ার’ প্রতীকী দৃশ্য।

তবে ফাইনালের পর মেসি বা ইয়ামাল দুজনের কেউই এই আলিঙ্গন নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি। অবশ্য ফাইনালের আগে ইয়ামালকে নিয়ে নিজের মুগ্ধতার কথা লুকাননি মেসি। তিনি বলেছিলেন, ‘ও বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার।

ওর সামনে অসাধারণ একটি ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে। ওর জন্য শুভকামনা রইল। তবে ফাইনালে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব, যেন ওর সেরা খেলাটা খেলতে না পারে।’ একই সঙ্গে ২০০৭ সালের সেই ছবির প্রসঙ্গ টেনে মেসি বলেছিলেন, ‘ছবিটা সত্যিই অবিশ্বাস্য। জীবন কত অদ্ভুতভাবে ঘুরে দাঁড়ায়।’

ফাইনালের ফলাফল স্পেনের পক্ষে গেলেও ম্যাচ শেষে ইয়ামাল ও মেসির সেই সংক্ষিপ্ত আলিঙ্গনই হয়ে উঠেছে ২০২৬ বিশ্বকাপের সবচেয়ে মানবিক ও স্মরণীয় মুহূর্তগুলোর একটি। একদিকে নতুন প্রজন্মের বিশ্বজয়, অন্যদিকে বিদায়বেলায় এক কিংবদন্তির প্রতি শ্রদ্ধা—এক ফ্রেমে ধরা পড়েছে ফুটবলের সৌন্দর্য।

খেলা

ফাইনালের আগে ইয়ামালকে নিয়ে স্পেন শিবিরে দুঃসংবাদ

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে লড়াইয়ের প্রস্তুতি শুরু করেছে স্পেন। ফ্রান্সকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করার পর বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) প্রথম অনুশীলন সেশনে মাঠে নামে লা রোজারা। তবে দলের দুই গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার লামিনে ইয়ামাল ও পেদ্রো পোরোকে মূল অনুশীলনে দেখা যায়নি। স্প্যানিশ কোচিং স্টাফ জানিয়েছে, টানা ম্যাচ খেলার ফলে পেশিতে অতিরিক্ত চাপ অনুভব করায় সতর্কতামূলক […]

ফাইনালের আগে ইয়ামালকে নিয়ে স্পেন শিবিরে দুঃসংবাদ

ফাইনালের আগে ইয়ামালকে নিয়ে স্পেন শিবিরে দুঃসংবাদ

ডেস্ক রিপোর্ট

১৭ জুলাই ২০২৬, ১১:২৯

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে লড়াইয়ের প্রস্তুতি শুরু করেছে স্পেন। ফ্রান্সকে হারিয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করার পর বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) প্রথম অনুশীলন সেশনে মাঠে নামে লা রোজারা। তবে দলের দুই গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার লামিনে ইয়ামাল ও পেদ্রো পোরোকে মূল অনুশীলনে দেখা যায়নি।

স্প্যানিশ কোচিং স্টাফ জানিয়েছে, টানা ম্যাচ খেলার ফলে পেশিতে অতিরিক্ত চাপ অনুভব করায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে দুজনকে বিশ্রামে রাখা হয়েছে। নিউইয়র্ক রেড বুলসের ট্রেনিং সেন্টারে দলের অন্য সদস্যরা অনুশীলনে অংশ নিলেও ইয়ামাল ও পোরো আলাদাভাবে ফিটনেস নিয়ে কাজ করেছেন।

বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে ইয়ামালের শারীরিক অবস্থা। অনুশীলনের সময় তার বাম উরুতে ইলাস্টিক ব্যান্ডেজ দেখা গেছে। মৌসুমের শেষ দিকে বার্সেলোনার হয়ে খেলতে গিয়ে ওই উরুতেই চোট পেয়েছিলেন স্পেনের এই তরুণ তারকা।

সেই চোটের প্রভাবেই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে কেপ ভার্দের বিপক্ষে শুরুর একাদশে জায়গা হয়নি ইয়ামালের। এরপর ধীরে ধীরে তাকে পুরোপুরি ম্যাচ ফিট করে তোলা হয়। গ্রুপ পর্বের প্রথম চার ম্যাচে সম্ভাব্য ৩৬০ মিনিটের মধ্যে তিনি খেলেছেন ২২৫ মিনিট। তবে নকআউট পর্বে স্পেনের টানা তিনটি ম্যাচেই পুরো ৯০ মিনিট মাঠে ছিলেন তিনি।


অন্যদিকে, ডান প্রান্তের ডিফেন্ডার পেদ্রো পোরোও স্পেনের বিশ্বকাপ অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তিনি পাঁচটি ম্যাচে শুরু থেকেই মাঠে নেমেছেন এবং নকআউট পর্বে প্রায় প্রতিটি মিনিট খেলেছেন। শুধু ফ্রান্সের বিপক্ষে সেমিফাইনালে ম্যাচ শেষ হওয়ার সাত মিনিট আগে তাকে বদলি করা হয়।

ফ্রান্সের বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ে ইয়ামাল ও পোরো দুজনই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। ইয়ামালের আদায় করা পেনাল্টি থেকে প্রথম গোল করেন মিকেল ওইয়ারজাবাল। পরে বক্সে দুর্দান্ত দৌড়ে ঢুকে স্পেনের দ্বিতীয় গোলটি করেন পোরো।

আগামী রোববার (১৯ জুলাই) নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচ। দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামবে স্পেন। অন্যদিকে, জয় পেলে আর্জেন্টিনা ইতিহাসে চতুর্থবারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করবে।

খেলা

আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতলেই জাতীয় ছুটি ঘোষণা!

আর্জেন্টিনা যদি আজ রাতের ফাইনালে স্পেনকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের শিরোপা উঁচিয়ে ধরতে পারে, তবে সোমবার (আগামীকাল) দেশটিতে জাতীয় ছুটি ঘোষণা করার কথা বিবেচনা করছে প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইয়ের প্রশাসন। ফাইনালের আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি থাকতে সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলে এই নিয়ে জোর গুঞ্জন ও প্রস্তুতি চলছে। আর্জেন্টাইন সংবাদপত্র ক্লারিন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ছুটি ঘোষণার বিষয়টি […]

আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতলেই জাতীয় ছুটি ঘোষণা!

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ জুলাই ২০২৬, ১৭:২৯

আর্জেন্টিনা যদি আজ রাতের ফাইনালে স্পেনকে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের শিরোপা উঁচিয়ে ধরতে পারে, তবে সোমবার (আগামীকাল) দেশটিতে জাতীয় ছুটি ঘোষণা করার কথা বিবেচনা করছে প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইয়ের প্রশাসন। ফাইনালের আর মাত্র কয়েক ঘণ্টা বাকি থাকতে সরকারের নীতিনির্ধারণী মহলে এই নিয়ে জোর গুঞ্জন ও প্রস্তুতি চলছে।

আর্জেন্টাইন সংবাদপত্র ক্লারিন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ছুটি ঘোষণার বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে স্পেনের বিপক্ষে ফাইনালের ফলাফলের ওপর নির্ভর করছে। তবে লিওনেল স্কালোনির দল যদি চ্যাম্পিয়ন হতে পারে, তবে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

আর্জেন্টিনা সরকারের মূল উদ্দেশ্য হলো ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ জয়ের পর দেশটিতে যে অভাবনীয় উল্লাস হয়েছিল, তার পুনরাবৃত্তি ঘটানো। সে সময় তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আলবের্তো ফের্নান্দেস একটি জরুরি ডিক্রির মাধ্যমে দেশজুড়ে জাতীয় ছুটি ঘোষণা করেছিলেন, যার ফলে লাখ লাখ আর্জেন্টাইন রাস্তায় নেমে ফ্রান্সের বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় উদযাপন করতে পেরেছিলেন।

এবারও মিলেই সরকার সেই একই পথে হাঁটতে চাইছে।
ছুটি ঘোষণার পাশাপাশি আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন-এর সঙ্গে ট্রফি জয়ী দলের দেশে ফেরার লজিস্টিকস ও নিরাপত্তা পরিকল্পনা নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু করেছে সরকার।

আর্জেন্টিনার সরকারি চিফ অব স্টাফ দিয়েগো সান্তিই জানিয়েছেন যে, যেকোনো ধরণের রাস্তায় বড় উদযাপনের নিরাপত্তা ও লজিস্টিকস সহায়তার জন্য সরকার পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে।

তবে তিনি পরিষ্কার করে বলেছেন, ‘উদযাপনের ধরণ কেমন হবে, সেই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফদের। সরকার এখানে কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেবে না। তারা যেভাবে চাইবে, আমরা সেই সিদ্ধান্তকে সম্মান জানাব ও সমর্থন দেব।’

যদি আর্জেন্টিনা আজ স্পেনের বিপক্ষে জয়লাভ করে, তবে বুয়েনস আইরেসের রাস্তায় আবারও ২০২২ সালের মতোই লাখো মানুষের এক ঐতিহাসিক ও জনসমুদ্রের মতো গণ-উদযাপন দেখা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

খেলা

সৌদির পতাকায় কালেমা, প্রোটোকল ভেঙে সম্মান দেখালো ফিফা

বিশ্বকাপ ফুটবলের মঞ্চে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ফিফা। সৌদি আরব ও উরুগুয়ের মধ্যকার ম্যাচের আগে আয়োজিত আনুষ্ঠানিকতায় সৌদি আরবের জাতীয় পতাকার প্রতি বিশেষ সম্মান দেখানো হয়, যা দর্শক ও ফুটবলপ্রেমীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। সাধারণত আন্তর্জাতিক ম্যাচের আগে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর জাতীয় পতাকা মাঠের ঘাসের ওপর মেলে ধরা হয়। […]

সৌদির পতাকায় কালেমা, প্রোটোকল ভেঙে সম্মান দেখালো ফিফা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৬ জুন ২০২৬, ২০:৫৬

বিশ্বকাপ ফুটবলের মঞ্চে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে ফিফা। সৌদি আরব ও উরুগুয়ের মধ্যকার ম্যাচের আগে আয়োজিত আনুষ্ঠানিকতায় সৌদি আরবের জাতীয় পতাকার প্রতি বিশেষ সম্মান দেখানো হয়, যা দর্শক ও ফুটবলপ্রেমীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

সাধারণত আন্তর্জাতিক ম্যাচের আগে অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর জাতীয় পতাকা মাঠের ঘাসের ওপর মেলে ধরা হয়। তবে সৌদি আরবের পতাকায় ইসলামের কালেমায়ে শাহাদাত লেখা থাকায় সেটি মাটিতে রাখা হয়নি। পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে পতাকাটি স্বেচ্ছাসেবকদের হাতে উঁচু করে রাখা হয়। অনুষ্ঠানের সামঞ্জস্য বজায় রাখতে উরুগুয়ের পতাকাও একইভাবে বহন করা হয়।

সৌদি আরবের জাতীয় পতাকায় আল্লাহর একত্ববাদ এবং মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর রিসালাতের সাক্ষ্যসংবলিত কালেমা লেখা রয়েছে। ধর্মীয় মর্যাদার কারণে এই পতাকাকে মাটিতে রাখা বা অসম্মানজনকভাবে উপস্থাপন করা থেকে বিরত থাকা হয়। এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই ফিফা বিশেষ প্রোটোকল অনুসরণ করেছে।

এদিকে ২০২৬ বিশ্বকাপের ‘এইচ’ গ্রুপের ম্যাচে সৌদি আরব ও উরুগুয়ে ১-১ গোলে ড্র করেছে। ম্যাচের ৪১তম মিনিটে সৌদি আরব এগিয়ে গেলেও ৮০তম মিনিটে উরুগুয়ে সমতায় ফেরে। ফলে দুই দলই একটি করে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট অর্জন করে পরবর্তী পর্বে ওঠার আশা জিইয়ে রেখেছে।