রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সোশ্যাল মিডিয়া

এটি দলের জন্য ক্ষতিকর,সবসময় বিশ্বাস করি,বিজয় আসমান থেকেই আসে, জমিনে তার প্রতিফলন হয় মাত্র : মাহিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে মনোনয়ন নেওয়ার পর জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন দলটির যুগ্ম সদস্য সচিব মাহিন সরকার। সোমবার (১৮ আগস্ট) দিবাগত রাতে এনসিপির পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গুরুতর দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে তাকে পদ ও দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত […]

এটি দলের জন্য ক্ষতিকর,সবসময় বিশ্বাস করি,বিজয় আসমান থেকেই আসে, জমিনে তার প্রতিফলন হয় মাত্র : মাহিন

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ আগস্ট ২০২৫, ১৫:০৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে মনোনয়ন নেওয়ার পর জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন দলটির যুগ্ম সদস্য সচিব মাহিন সরকার।

সোমবার (১৮ আগস্ট) দিবাগত রাতে এনসিপির পক্ষ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গুরুতর দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে তাকে পদ ও দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী,

বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বহাল থাকবে। বিজ্ঞপ্তিটি পাঠান দলটির যুগ্ম সদস্যসচিব (দপ্তর) সালেহউদ্দিন সিফাত।

এর আগে সোমবার দুপুরে মাহিন সরকার ‘ডিইউ ফার্স্ট’ নামে একটি স্বতন্ত্র প্যানেল থেকে ডাকসুর জিএস পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন। এ ঘোষণার কিছুক্ষণের মধ্যেই রাতে দলীয় শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে এনসিপি তাকে বহিষ্কার করে।

বহিষ্কারের প্রতিক্রিয়ায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানান মাহিন সরকার। তিনি লিখেন, “আমার অনাগত সন্তানের কাছে বলার মতো গল্প আছে। আমি তাদের একজন যার হাতে অভ্যুত্থানের ব্যানারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন গঠিত হয়েছিল। অন্তত আমার কথাগুলো বলার সুযোগ দেওয়া উচিত ছিল।”

তিনি আরও দাবি করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিভিন্ন আন্দোলনে তিনি অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন। বিশেষ করে পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচারের দাবিতে যখন কেউ পাশে দাঁড়ায়নি, তখনও তিনি মাঠে ছিলেন।

এমনকি গানপয়েন্টে ছয়জন সমন্বয়কের কর্মসূচি প্রত্যাহারের পরও তিনি ‘মানি না’ বলে অবস্থান নিয়েছিলেন। অথচ তাকে কোনো কারণ দর্শানোর নোটিশ ছাড়াই বহিষ্কার করা হয়েছে।

আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে মাহিন বলেন, গুরুতর আর্থিক অনিয়ম বা চারিত্রিক স্খলনের অভিযোগ থাকলেও সংগঠনগুলো সাধারণত আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিয়ে থাকে। কিন্তু তাকে সেই সুযোগ দেওয়া হয়নি, যা নবগঠিত রাজনৈতিক দলের জন্য ক্ষতিকর।

সবশেষে তিনি লেখেন, “আমি সবসময় বিশ্বাস করি বিজয় আসমান থেকেই আসে, জমিনে তার প্রতিফলন হয় মাত্র।”

এই বহিষ্কারাদেশকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার ঝড় উঠেছে। অনেকেই মনে করছেন, মাহিন সরকারের প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত ও তার বহিষ্কার এনসিপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বকে প্রকাশ্যে নিয়ে এসেছে।

সোশ্যাল মিডিয়া

পাটওয়ারী-সারজিসের গাড়ি বহরে লীগের জয় বাংলা হয়েছে,আরও বেশি বেশি আ.লীগের পাশে থাকুন, দোচন খান: ইলিয়াস

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের সফরকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্টে দাবি করা হয়েছে, এনসিপির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরকে লক্ষ্য করে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হয়েছে। পোস্টে আরও বলা হয়, এ ঘটনাকে আওয়ামী লীগের প্রতি জনসমর্থনের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ওই পোস্টে […]

পাটওয়ারী-সারজিসের গাড়ি বহরে লীগের জয় বাংলা হয়েছে,আরও বেশি বেশি আ.লীগের পাশে থাকুন, দোচন খান: ইলিয়াস

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুলাই ২০২৬, ২২:৪১

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের সফরকে কেন্দ্র করে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্টে দাবি করা হয়েছে, এনসিপির নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও সারজিস আলমের গাড়িবহরকে লক্ষ্য করে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া হয়েছে। পোস্টে আরও বলা হয়, এ ঘটনাকে আওয়ামী লীগের প্রতি জনসমর্থনের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ওই পোস্টে লেখক আওয়ামী লীগের সমর্থকদের উদ্দেশে দলটির পাশে থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, প্রায় দেড় বছর আগেই এমন পরিস্থিতির পূর্বাভাস দিয়েছিলেন বলে তার দাবি।

সোশ্যাল মিডিয়া

‘সুযোগ-সুবিধার জন্য দল পরিবর্তনকারীরা রাজনৈতিক পতিতা’: নুরের পোস্টে আমিরের ‘সহমত’

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের একটি পুরোনো পোস্ট শেয়ার করেছেন মুফতি আমির হামজা। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে নুরুল হক নুরের ওই পোস্টটি শেয়ার করেন তিনি। শেয়ার করা পোস্টে নুর লিখেছেন, ‘সুযোগ-সুবিধার জন্য দল পরিবর্তনকারীরা রাজনৈতিক পতিতা! যারা পতিতার মতো টাকা/সুযোগ-সুবিধায় বিক্রি হয়, এদের থেকে ভালো কিছু পাওয়ার আছে?’ শেয়ার […]

‘সুযোগ-সুবিধার জন্য দল পরিবর্তনকারীরা রাজনৈতিক পতিতা’: নুরের পোস্টে আমিরের ‘সহমত’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৪১

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের একটি পুরোনো পোস্ট শেয়ার করেছেন মুফতি আমির হামজা।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে নুরুল হক নুরের ওই পোস্টটি শেয়ার করেন তিনি।

শেয়ার করা পোস্টে নুর লিখেছেন, ‘সুযোগ-সুবিধার জন্য দল পরিবর্তনকারীরা রাজনৈতিক পতিতা! যারা পতিতার মতো টাকা/সুযোগ-সুবিধায় বিক্রি হয়, এদের থেকে ভালো কিছু পাওয়ার আছে?’

শেয়ার করা পোস্টটি দেখা যায়, নুরুল হক নুরের ওই পোস্টটি ২০২৫ সালের ১৩ জুলাই প্রকাশ করা হয়েছিল। পরে মুফতি আমির হামজা সেটি নিজের ফেসবুক টাইমলাইনে শেয়ার করেন।

নুরুল হক নুরের পোস্ট শেয়ার আমির হামজা লেখেন ‘সহমত’।

সোশ্যাল মিডিয়া

হুজুররা হাসনাতের বেলায় চেতছে, বিএনপির বেলায় চুপ, ‘ওপেন শত্রুতা সহ্য হয়, মোনাফেকি না!: মাদানী

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহকে নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাম্প্রতিক বিতর্কের মধ্যে বিএনপির নেতাদের বক্তব্যের সঙ্গে আলেমদের প্রতিক্রিয়ার তুলনা টেনেছেন শিশুবক্তা হিসেবে পরিচিত রফিকুল ইসলাম মাদানী। তিনি দাবি করেছেন, হাসনাতের সঙ্গে সম্পর্ক ও জুলাইয়ের আন্দোলনে একসঙ্গে থাকার কারণেই তার বক্তব্যে কষ্ট পেয়েছেন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও আলেমরা। রোববার (৩০ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে […]

হুজুররা হাসনাতের বেলায় চেতছে, বিএনপির বেলায় চুপ, ‘ওপেন শত্রুতা সহ্য হয়, মোনাফেকি না!: মাদানী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫২

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহকে নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাম্প্রতিক বিতর্কের মধ্যে বিএনপির নেতাদের বক্তব্যের সঙ্গে আলেমদের প্রতিক্রিয়ার তুলনা টেনেছেন শিশুবক্তা হিসেবে পরিচিত রফিকুল ইসলাম মাদানী।

তিনি দাবি করেছেন, হাসনাতের সঙ্গে সম্পর্ক ও জুলাইয়ের আন্দোলনে একসঙ্গে থাকার কারণেই তার বক্তব্যে কষ্ট পেয়েছেন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ও আলেমরা।

রোববার (৩০ আগস্ট) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন রফিকুল ইসলাম মাদানী।

পোস্টে তিনি লেখেন, যারা বলার চেষ্টা করছেন—এই হুজুররা হাসানাতের বেলায় এত চেতছে, অথচ ফজলুর রহমান, রুমিন ফারহানা বা অন্য কেউ বললে তো এত চেতে না। এর মাধ্যমে তারা ‘ফান্ডিং আন্দোলন’ করেন—এমন ধারণা দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এর জবাবে মাদানী প্রশ্ন তোলেন, বাই রাজুতে আসেন বলার পর রুমিন ফারহানা বা ফজলুর রহমানের ডাকে কোন মাদ্রাসা ছাত্ররা গিয়েছিল শাহবাগে? কিংবা আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার আন্দোলনে কার ডাকে স্কুলের পাশাপাশি মাদ্রাসা ছাত্ররা গিয়েছিল?

হাসনাত আবদুল্লাহর সঙ্গে নিজের যোগাযোগের প্রসঙ্গ তুলে মাদানী বলেন, একদিন হাসনাত তাকে ফোন করে আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলনের জন্য জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় আসতে বলেছিলেন। এতে তিনি অবাক হয়েছিলেন, কারণ তার নম্বর হাসনাত কোথা থেকে পেয়েছিলেন, তা তার জানা ছিল না।

মাদানী বলেন, পরে তিনি সঙ্গে থাকা লোকজনকে নিয়ে ঢাকায় যান এবং শাহবাগে অনেক মাদ্রাসার শিক্ষার্থীকেও উপস্থিত দেখতে পান। দেশ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর হাসনাতের আমন্ত্রণে তার বাড়িতে আয়োজিত মাহফিলেও গিয়েছিলেন বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে রুমিন ফারহানা ও ফজলুর রহমানকে নিয়ে কঠোর মন্তব্য করেন মাদানী। তাদের ‘বাইরের এজেন্ট’ হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, রুমিন ফারহানা বা ফজলুর রহমান—এ ধরনের লোক পায়ে ধরে সারাদিন পড়ে থাকলেও আমরা কোথাও যাব না। এদের আমরা বাইরের এজেন্ট মনে করি। এদের বক্তব্যের মাঝেমধ্যে প্রতিবাদ করি, আবার করিও না!

হাসনাত আবদুল্লাহ, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও নাহিদ ইসলাম মাদ্রাসা বা মসজিদে গেলে শিক্ষার্থীরা তাদের নিজেদের মানুষ মনে করে সম্মান ও ভালোবাসা দেখান বলেও দাবি করেন মাদানী।

তিনি লেখেন, ‘এখন সেই মানুষগুলো যখন সংসদের মতো জায়গায় এভাবে না জেনে, না শুনে বক্তব্য দিলে কষ্ট তো লাগবেই!’

মাদানীর ভাষ্য, আওয়ামী লীগ ও বিএনপিতে থাকা ‘শাহবাগী মার্কা কথা বলা’ ব্যক্তিদের বক্তব্যে আলেমদের তেমন প্রতিক্রিয়া হয় না, কারণ তাদের তিনি ‘চিহ্নিত’ বলে মনে করেন। কিন্তু যাদের সঙ্গে আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন এবং যাদের প্রতি ভালোবাসা ও সম্পর্ক রয়েছে, তারা এমন কিছু করলে সেটিকে তিনি ‘বেঈমানী’ হিসেবে দেখেন।