শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বগুড়ার শেরপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৫টি গরু ও ৭টি ভেড়া পুড়ে ছাই ক্ষতি প্রায় ৯ লাখ টাকা

সেলিম রেজা, ​শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি: “চোখের সামনে সব শেষ হয়ে গেল ভাই! এতগুলো গবাদিপশু হারিয়ে এখন কীভাবে সংসার চালাব, কিছুই মাথায় আসছে না অশ্রুসজল চোখে কথাগুলো বলছিলেন আর আকুল হয়ে কাঁদছিলেন বগুড়ার শেরপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের চৌবাড়িয়া গ্রামের অসহায় কৃষক মো. দবিবুর রহমান। ​শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে মশার কয়েল থেকে সূত্রপাত হওয়া এক ভয়াবহ […]

বগুড়ার শেরপুরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৫টি গরু ও ৭টি ভেড়া পুড়ে ছাই ক্ষতি প্রায় ৯ লাখ টাকা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:৫৬

সেলিম রেজা, ​শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি:

“চোখের সামনে সব শেষ হয়ে গেল ভাই! এতগুলো গবাদিপশু হারিয়ে এখন কীভাবে সংসার চালাব, কিছুই মাথায় আসছে না অশ্রুসজল চোখে কথাগুলো বলছিলেন আর আকুল হয়ে কাঁদছিলেন বগুড়ার শেরপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের চৌবাড়িয়া গ্রামের অসহায় কৃষক মো. দবিবুর রহমান।

​শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে মশার কয়েল থেকে সূত্রপাত হওয়া এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দবিবুর রহমানের শেষ সম্বল পাঁচটি গরু ও সাতটি ভেড়া জীবন্ত পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে তাঁর প্রায় ৯ লাখ টাকার অপূরণীয় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাতের আহার শেষে পরিবারের সবাই যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, ঠিক তখনই গোয়ালঘরে আগুনের সূত্রপাত হয়। ধারণা করা হচ্ছে, গোয়ালঘরে মশা তাড়াতে দেওয়া জ্বলন্ত কয়েল থেকেই মুহূর্তের মধ্যে লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

আগুন দেখে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা চিৎকার দিয়ে ছুটে আসেন এবং পানি ঢেলে আগুন নেভানোর আপ্রাণ চেষ্টা চালান। কিন্তু আগুনের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে গোয়ালঘরের ভেতরের একটি পশুকেও টেনে বের করা সম্ভব হয়নি। চোখের সামনেই ধোঁওয়া আর আগুনে ছটফট করে মারা যায় অবোঝ প্রাণীগুলো।

ভুক্তভোগী দবিবুর রহমান আক্ষেপ করে বলেন, কৃষিভিত্তিক এই পরিবারের আয়ের মূল চালিকাশক্তি ছিল এই গবাদিপশুগুলো। দুধ ও পশু বিক্রি করেই সংসার চলত, মেটানো হতো সন্তানের পড়াশোনা ও দৈনন্দিন খরচ।

এক রাতের অগ্নিকাণ্ডে তাঁর জীবিকার একমাত্র অবলম্বনটুকু এক লহমায় শেষ হয়ে গেল। ৯ লাখ টাকার ক্ষতি সামলে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর মতো আর্থিক সামর্থ্য তাঁর নেই। সর্বস্ব হারিয়ে পুরো পরিবারটি এখন চরম দিশেহারা ও নিঃস্ব।

ঘটনার পর ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি মেম্বার প্রার্থী শরিফুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সমবেদনা জানান। তিনি বলেন, “একটি দরিদ্র পরিবারের জীবিকার প্রধান উৎস এভাবে আগুনে পুড়ে যাওয়া অত্যন্ত মর্মান্তিক।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কান্না সহ্য করা যায় না। অসহায় পরিবারটিকে নতুন করে বাঁচিয়ে তুলতে স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন, সমাজসেবা বিভাগ ও বিত্তবানদের প্রতি জরুরি সহায়তার জোর দাবি জানাচ্ছি।”

​শনিবার সকালে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায় কেবলই পুড়ে যাওয়া ঘরের ভিটা আর ছাইয়ের স্তূপ। ছাইয়ের নিচে পড়ে থাকা গবাদিপশুর পোড়া অবশিষ্টাংশ ঘিরে দবিবুরের পরিবারের লোকজনের আহাজারিতে পুরো এলাকার বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। অসহায় পরিবারটি এখন একটু মানবিক সহায়তার আশায় ডুকরে কাঁদছে।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।