সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

শেখ হাসিনা রাজনীতিতে আর প্রাসঙ্গিক থাকবেন না : মির্জা ফখরুল

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আর প্রাসঙ্গিক থাকবেন না। ফলে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রেও তিনি কোনো স্থায়ী প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারবেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি। ভারতের ইংরেজি সাময়িকী দ্য উইক-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব। সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ও আঞ্চলিক […]

শেখ হাসিনা রাজনীতিতে আর প্রাসঙ্গিক থাকবেন না : মির্জা ফখরুল

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০০:৪৭

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের রাজনীতিতে আর প্রাসঙ্গিক থাকবেন না। ফলে বাংলাদেশ–ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রেও তিনি কোনো স্থায়ী প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারবেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ভারতের ইংরেজি সাময়িকী দ্য উইক-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব।

সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ও আঞ্চলিক সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্নের জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত শেখ হাসিনা রাজনীতিতে একটি ফ্যাক্টর হিসেবে বিবেচিত হলেও দীর্ঘমেয়াদে তার প্রাসঙ্গিকতা থাকবে না। তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করার কারণেই দেশের রাজনীতিতে সংকট তৈরি হয়েছে।

তার মতে, এই সংকট অতিক্রম করেই বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ককে সামনে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব এবং সেটিই হওয়া উচিত।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের মানুষ একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রত্যাশা করছে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রায় ১৫ বছর ধরে জনগণ প্রকৃত ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। বিশেষ করে ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সী একটি বড় অংশের তরুণ ভোটার কখনো স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ পায়নি। এ কারণে এবারের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের অস্থিরতার আশঙ্কা নেই বলেও মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করছে এবং সরকারের পক্ষ থেকেও ইতিবাচক মনোভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। প্রচারকালে কিছু বিচ্ছিন্ন সমস্যা দেখা গেলেও তা নির্বাচন প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করবে না বলে তার বিশ্বাস।

জাতীয় ঐক্য সরকার গঠনের বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, গত ১৫ বছর ধরে কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনে বিএনপি বাম ও ডান—উভয় ধারার একাধিক রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুগপৎভাবে রাজপথে ছিল। মোট ২০ থেকে ২৪টি দল সেই আন্দোলনে যুক্ত ছিল বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন, বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা সংস্কার এজেন্ডার ভিত্তিতেই সরকার গঠন করা হবে এবং কেবল আন্দোলনের শরিক দলগুলোকেই জাতীয় ঐক্য সরকারের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল স্পষ্ট করে বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে বিএনপির কোনো চুক্তি নেই এবং ভবিষ্যতের কোনো জাতীয় ঐক্য সরকারেও দলটি অন্তর্ভুক্ত হবে না।

ছাত্রদের উদ্যোগে গঠিত ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টি (এনসিপি)-এর সঙ্গে জোট না হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, আসন বণ্টন নিয়ে সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। তিনি জানান, নতুন প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে জয় পাওয়া কঠিন হওয়ায় বিএনপি নিজেদের প্রার্থীদের নিয়েই আত্মবিশ্বাসী ছিল।

আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ না নিলে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা প্রশ্নবিদ্ধ হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন। তবে দলীয়ভাবে অংশ না নেওয়ার নির্দেশ থাকলেও এতে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের প্রভাব পড়বে না বলে তিনি মনে করেন।

এ ছাড়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর দেশে প্রত্যাবর্তন তরুণ ভোটারদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে বলেও মন্তব্য করেন মির্জা ফখরুল। তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় এলে ১৮ মাসের মধ্যে অন্তত এক কোটি তরুণের কর্মসংস্থানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

পাশাপাশি নারীর ক্ষমতায়ন, কৃষি খাতের উন্নয়ন, বিচার বিভাগ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা, সাংবিধানিক সংস্কার এবং প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ দুই মেয়াদে সীমাবদ্ধ করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৭

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১০

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৭

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৭